মিনার্ভার হয়ে হচ্ছে কি রেফারিং! এআইএফএফের চোখে ঠুলি, কানে তুলো হাবভাবে বেজায় চটে ফ্যানরা
মিনার্ভার হয়ে হচ্ছে কি রেফারিং! এআইএফএফের চোখে ঠুলি, কানে তুলো হাবভাবে বেজায় চটে ফ্যানরা
সম্প্রতি ভারতীয় ফুটবলে একটি বিতর্ক মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। সেটা হল রেফারিংয়ের মান যথাযথ হচ্ছে না। এই নিয়ে ফেডারেশনকে চিঠি দিয়েছে মোহনবাগান, শিলং লাজং। কিন্তু আইএফেএফের কানে ঠুলি। তারা এই ধরণের অভিযোগ নিয়ে মাথা ঘামাতেই নারাজ।

বিভিন্ন ক্লাব কর্তৃপক্ষ সেই ইস্যু নিয়ে কতদূর লড়াই করবে তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও বিভিন্ন ফুটবল ফ্যানরা কিন্তু বিষয়টিকে সহজ ভাবে নিচ্ছে না। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের ফোরামে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কয়েকটি রেফারিংয়ের ভুল তাঁরা পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছেন।

নমুনাগুলি এই সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরে আরও বেশি ফ্যানদের একবার জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা, যে তাঁদের চোখেও এই ভুলগুলি চোখে পড়েছে কিনা।
নমুনা ১
---------
মিনার্ভা বনাম ইস্টবেঙ্গল ম্যাচের ৪৮ মিনিট , ক্রোমার থেকে বল যায় আমনার পায়ে সেখানে থেকে সালাম রঞ্জন সিংয়ের দিক থেকে আসা ক্রশ রালতের কাছে যায়। বল ছুঁয়ে যায় ডানোর হাত। কিন্তু রেফারি সেটা অগ্রাহ্য করেন।
নমুনা ২
-----------
মিনার্ভা বনাম গোকুলাম ম্যাচের ২৬ মিনিটে পেনাল্টি ! , মুসার থ্রো ইন ডানোর বিরুদ্ধে হ্যান্ডবলের অভিযোগ। ওঁর শরীর থেকে হাত দূরে ছিল। দেওয়া হয়নি।
২৮ মিনিটে -ও ফের পেনাল্টি অস্বীকার করা হয়।
নমুনা ৩
-----------
মিনার্ভা বনাম গোকুলাম ম্যাচের ৪৭ মিনিটে মুসার কর্নার চাওয়া হয়েছিল কিভি হেড বাঁচিয়ে দিয়েছিল। তারপর লিম্বু বাউন্সে গোললাইনের খুব কাছে পৌঁছে যায় বল কিন্তু গোল দেওয়া হয়নি।
নমুনা -৪
-------------
মিনার্ভা বনাম লাজং ম্যাচের ৯০ মিনিটে গোল হতে সকলেই দেখেছিলেন, স্যামুয়েলসের ক্রশ কোফি হেড দিয়ে গোলে ঢুকিয়ে দেন। রেফারি গোলটি বাতিল করে দেন। দু মিনিট ধরে লাইন্সম্যান ও রেফারিদের মিটিং চললেও গোলটি বাতিলের সিদ্ধান্তই বহাল হয়।
নমুনা -৫
---------
ইস্টবেঙ্গল বনাম মিনার্ভা ম্যাচের ৫০ মিনিটে পেনাল্টি পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। পেনাল্টিটা দ্বিতীয়বার মারতে দেওয়া উচিত ছিল, কারণ কাটসুমি বল মারার আগেই বিপক্ষের প্লেয়াররা বক্সের মধ্যে ঢুকে গিয়েছিল।
নমুনা -৬
--------
মিনার্ভা বনাম ইস্টবেঙ্গল ম্যাচের ৪২ মিনিটে কাটসুমির কর্নার পৌঁছয় ক্রোমার কাছে। বাজির সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে বক্সে পড়ে যান ক্রোমা। পেনাল্টির আবেদন নাকচ করে দেন রেফারি।
এতেই থামেননি সমর্থকরা 'চোখে আঙুল দাদা'- হয়ে তাঁদের দাবি সবকটি সিদ্ধান্তই গেছে মিনার্ভা পাঞ্জাবের পক্ষে। এই সিদ্ধান্তগুলি যদি অন্যরকম হতো তাহলে আইলিগ টেবলের চেহারাও হতে পারত অন্যরকম।












Click it and Unblock the Notifications