Euro Cup 2024: বদলার ম্যাচে ফোকাসে এমবাপে-রোনাল্ডো, ফ্রান্স-পর্তুগাল ম্যাচের পরিসংখ্যান জানুন
গ্রুপ পর্ব, প্রি-কোয়ার্টাৱ ফাইনাাল আগেই সমাপ্ত হয়েছে। শুক্রবার থেকে ইউরো কাপে শুরু কোয়ার্টার ফাইনালে-র লড়াই। শেষ আটের লড়াইয়ে ফোকাসে ফ্রান্স বনাাম পর্তুগাল ম্যাচ। এবারের ইউরো কাপের অন্যতম আর্কষণীয় ম্যাচ হতে চলেছে। এমবাপে বনাম রোনাল্ডোর লড়াই।
দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে ফ্রান্সের মুখোমুখি পর্তুগাল। শনিবার রাত ১২.৩০ মিনিটে এই ম্যাচ শুরু হবে। ২০১৬ সালে ইউরো কাপে এই দুই দেশ ফাইনাোলে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। সেবার পর্তুগাল ফরাসিদের হারিয়ে শিরোপা জিতে নিয়েছি্ল। এবার ফ্রান্সের কাছে বদলার ম্যাচ। বদলার আবহেও বার বার উঠে আসছে দুই তারকার লড়াইয়ের কথাই। প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে পর্তুগাল টাইব্রেকারে ৩-০ গোলে স্লোভেনিয়াকে হারায়। ফ্রান্স জয় পায় বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে।

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে নাক ভেঙ্গে যাওয়ায় এমবাপের খুব একটা স্বাভাবিক খেলা খেলতে পারছেন না। তার উপর মাস্ক পড়ে খেলা সবসময়ই অস্বস্তির। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে ফ্রান্স গোলশুন্য ড্র করেছিল। ইনজুরির কারনে এই ম্যাচটি খেলতে পারেননি ফ্রান্স অধিনায়ক। পোল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে মাঠে ফিরে পেনাল্টি থেকে এক গোল করেন। এখনও পর্যন্ত ইউরো চ্যাম্পিয়নশীপে সাত ম্যাচে একটাই গোল করেছেন।
এ পর্যন্ত চার ম্যাচে ফ্রান্স একটি মাত্র গোল হজম করেছে। সেটাও আবার পোল্যান্ডের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে রবার্ট লেওয়ানডোস্কির গোল ছিল। বড় ম্যাচে জ্বলে উঠতেই হবে ফ্রান্সের তারকাকে। তাঁর দিকেই তাকিয়ে গোটা ফরাসি শিবির। তবে এমবাপকে আটকাতে পর্তুগাল শিবির পরামর্শ নিচ্ছে তাঁর সতীর্থ মেন্ডেসের থেকে।
পিএসজি ক্লাবে এমবাপের সতীর্থ ছিলেন মেন্ডেস। সেই কারণে এমবাপেকে আটকাতে পর্তুগালের পরিকল্পনায় বড় ভূমিকা নিচ্ছেন তিনি। মেন্ডেস ম্যাচেরক আগে বলেন, "আমি সাজঘরে এমবাপের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। ওর শক্তি-দুর্বলতা কিছুটা হলেও জানি। ম্যাচের আগে সেই তথ্য দলকে দিচ্ছি। তবে এমবাপের মতো ফুটবলারকে আটকানো খুব একটা সহজ হবে না। আমরা সেই চেষ্টা করব। নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলব।"
ফ্রান্স ও পর্তুগাল দল ২৮ বার মুখোমুখি হয়েছে। এরমধ্যে ফ্রান্স জিতেছে ১৯ বার, পর্তুগাল ছয়বার জিতেছে। ৩ ম্যাচ ড্র হয়েছে। খুব একটা ভালো ফর্মে নেই রোনাল্ডো। প্রি কোয়ার্টারের ম্যাচে ম্যাচে বেশ কিছু গোলের সুযোগ নষ্ট করায় ৩৯ বছর বয়সী রোনাল্ডোর নামের পাশে সবচেয়ে বেশী বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে ইউরোতে গোল করার রেকর্ডটি যোগ হয়নি। এই গোল মিস হবার পর রোনাল্ডো কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।












Click it and Unblock the Notifications