Euro Cup 2024: ইউরো কাপ জিতল স্পেন, টানটান দ্বিতীয়ার্ধে ফাইনালে হারের ধারা অব্যাহত ইংল্যান্ডের
Euro Cup 2024: ইউরো কাপ খেতাব জিতল স্পেন। এবারের টুর্নামেন্টে সব কটি ম্যাচ জিতে। ২০১২ সালের পর এই প্রথম ইউরো খেতাব স্প্যানিশ আর্মাডার।
নিকো উইলিয়ামসের গোলে এগিয়ে যায় স্পেন। কোল পামারের গোল লড়াইয়ে ফেরায় ইংল্যান্ডকে। যদিও জয়সূচক গোল করেন মিকেল ওয়ারজাবাল।

বার্লিনে ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য। বল দখলের লড়াইয়ে অবশ্য অনেকটাই এগিয়ে (৬৪-৩৬) ছিল স্পেন। যদিও সেভাবে ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। দুই উইং ধরে আক্রমণ শানানোরই চেষ্টা করে স্প্যানিশ আর্মাডা।
ইনজুরি টাইমে প্রথম গোলে শট রাখেন ইংল্যান্ডের ফিল ফডেন। তবে সহজেই বল আটকান উনাই সিমোন। ইউরো ফাইনালে গোলে প্রথম নেওয়া এই শটেও রেকর্ড তৈরি হলো। এর আগে, ২০০০ সালের ইউরো ফাইনালে গোলে নেওয়া প্রথম শটের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছিল ৩৮ মিনিট। এদিন লাগল তারও বেশি।
ইংল্যান্ডও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেছিল। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি। ইংল্যান্ডকে সমস্যায় ফেলে অধিনায়কের হ্যারি কেনের ফর্ম। বিরতিতে খেলার ফল ছিল গোলশূন্য। বিরতির পর রদ্রিকে তুলে মিডফিল্ডার মার্টিন জুবিমেন্দিকে নামান ফুয়েন্তে।
৪৭ মিনিটে গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন নিকো উইলিয়ামস। কারভাহালের কাছ থেকে বল পেয়ে অনেকটা দৌড়ে অরক্ষিত অবস্থায় থাকা উইলিয়ামসকে লক্ষ্য করে বল বাড়ান লামিনে ইয়ামাল। চলতি ইউরো কাপে ইয়ামালের এটি চতুর্থ অ্যাসিস্ট।
ইয়ামালের বাড়ানো বল ধরে জোরালো শটে গোল করে যান উইলিয়ামস। পা দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন পিকফোর্ড। উইলিয়ামসের বয়স এদিন ২০ বছর ২ দিন। ইউরো ফাইনালের ইতিহাসে তিনি দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা। ১৯৬৮ সালে ২০ বছর ৬৪ দিনের মাথায় গোল করেছিলেন ইতালির পিয়েত্রো আনাসতাসি।
এই গোলটির পর অল্প সময়ের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি আক্রমণ তুলে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করে স্পেন। যদিও গোলমুখ খুলতে পারেননি নিকো উইলিয়ামস, দানি ওলমোরা। এরই মধ্যে ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙে।
টাচলাইনের ধারে গ্যারেথ সাউথগেটের সঙ্গে তর্কাতর্কি করতে দেখা যায় জুড বেলিংহ্যামকে। ম্যাচে ইংল্যান্ডের রাশ আলগা হচ্ছে অনুভব করে দ্রুত পরিবর্তন করার জন্য সওয়াল করছিলেন বেলিংহ্যাম। ৬১ মিনিটে হ্যারি কেনকে তুলে নিয়ে অলি ওয়াটকিন্সকে নামান সাউথগেট।
৭০ মিনিটে কোব্বি মাইনুর জায়গায় নামানো হয় কোল পামারকে। এই পরিবর্তনেই বাজিমাত। ৭৩ মিনিটে জুড বেলিংহ্যামের কাছ থেকে বল পেয়ে গোল করে সমতা ফেরান পামার। ৮১ মিনিটে উইলিয়ামস, ওলমো ও ইয়ামাল ভালো আক্রমণ তুলে আনেন। যদিও ইয়ামালের শট রুখে দেন পিকফোর্ড।
৮৬ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন ওয়ারজাবাল। ৮৬ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন ওয়ারজাবাল। ৬৮ মিনিটে আলভারো মোরাতার পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন। দানি ওলমোর থেকে বল পেয়ে তা কুকুরেলাকে বাড়িয়েছিলেন ওয়ারজাবাল, কুকুরেলা এরপর তা ফের বাড়ান ওয়ারজাবালকে লক্ষ্য করে। তা থেকেই জয়সূচক গোল।
৮৯ মিনিটে সমতা ফেরানোর বড় সুযোগ পায় ইংল্যান্ড। ডেক্লান রাইসের পয়েন্ট-ব্ল্যাঙ্ক হেডার বাঁচান সিমোন। এরপর মার্ক গুয়েহি হেড দিয়ে গোল করার চেষ্টা করলে লাইনে দাঁড়িয়ে পাল্টা হেডে তা রুখে দেন ওলমো। এরপর রাইসের হেডার বাইরে চলে যায়।












Click it and Unblock the Notifications