Euro Cup 2024: চাইলে আমার নাকে মারো! বেলজিয়াম ম্যাচের আগে কেন বললেন এমবাপে? ফেস মাস্কে কতটা অসুবিধা?
Euro Cup 2024: ইউরো কাপের প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে আজ রাতে ডুসেলডর্ফে মুখোমুখি ফ্রান্স-বেলজিয়াম। ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ৯টা থেকে খেলা শুরু।
এই ম্যাচে নামার আগে আশঙ্কা প্রকাশ করলেন ফ্রান্সের তারকা স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপে। তিনি মনে করছেন, ভাঙা নাকের জন্য তাঁকে টার্গেট করতে পারে বেলজিয়াম।
অস্ট্রিয়া ম্যাচে নাকে চোট পেয়েছিলেন। টুর্নামেন্ট চলায় অপারেশন করাতে পারেননি। ফলে নেদারল্যান্ডস ম্য়াচে মাঠের বাইরেই ছিলেন এই তারকা। পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফেস মাস্ক পরে মাঠে নামেন, পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়েও দেন। যদিও সেই ম্য়াচটি ১-১ গোলে শেষ হয়।
বেলজিয়াম ম্যাচের আগে এমবাপে বলেন, নাক ভাঙা অবস্থায় খেললে, অপারেশন না করিয়ে মাঠে নামলে টার্গেট হতেই হবে। তবে সব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে, সবরকমের প্রস্তুতি নিয়েই আমি দেশে ফিরে যাইনি, অপারেশন করাইনি এবং এই টুর্নামেন্টে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
এরপরই ফ্রান্স অধিনায়ক এমবাপে বলেন, খেলা চলাকালীন আমার নাকে আঘাতের চেষ্টা করা হতে পারে। তাতে আমার লাগতেও পারে। কিন্তু এই জার্সির জন্য আমি সব কিছু দিতে প্রস্তুত। ফ্রান্সকে যতটা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তার চেষ্টা করে যাব সর্বতোভাবেই। সেই পথে আমার নাকে কেউ আঘাত করতেই পারেন। এটা তো ভেঙেই রয়েছে।
অস্ট্রিয়াকে হারিয়েছিল ফ্রান্স, সেই ম্যাচেই চোট লেগেছিল অধিনায়ক এমবাপের। তাঁর চলতি ইউরো কাপে খেলা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছিল। যদিও শেষ অবধি ফেস মাস্ক পরেই খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন এমবাপে। তাঁর কথায়, যখন মুখে আঘাত লাগল প্রথমে বুঝিনি ঠিক কী হতে চলেছে। বুঝতেই পারিনি যে নাক ভেঙে গিয়েছে।
এমবাপে জানান, ওই ঘটনার পর যখন গোলকিপারের দিকে তাকাই, তখন তাঁর অভিব্যক্তি দেখেই বুঝতে পারি বড় কিছুই হয়েছে। এরপর যখন ড্রেসিংরুমে ফিরলাম, আমার চারদিকে যা হচ্ছিল তাতে একটা সময় ভাবনা এসেছিল, এবার বুঝি দেশে ফিরতে হবে। অনেক তথ্য পাচ্ছিলাম, অনেকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে হয়েছে। ফলে ভালো করে ঘুম হয়নি। দুই রাত জেগেই কাটিয়েছি।
এমবাপে আরও বলেন, নেদারল্যান্ডস ম্যাচে কোনও সাহায্য করতে না পারা, বেঞ্চে বসে থাকা খুবই কঠিন ছিল। অসহায় লাগছিল। কিন্তু শেষ অবধি পোল্যান্ড ম্য়াচে খেলতে পেরেছি। মাস্ক পরে খেলাটা ভয়ঙ্কর। মাঝেমধ্যেই তা বদলাতে হয় কোনও না কোনও অস্বস্তি বোধ করায়। পুরোপুরিভাবে মাস্কের সঙ্গে সড়গড় হয়ে উঠতে পারেননি এমবাপে, মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।
এমবাপের কথায়, মাস্ক পরে খেলা যে কঠিন তার বড় কারণ এটি দৃষ্টিকে সীমাবদ্ধ করে দেয়। ঘাম হলেও সমস্যা বাড়ে। প্রথম প্রথম তো মনে হতো থ্রি ডি চশমা পরে রয়েছি। যত দ্রুত এই মাস্কের থেকে মুক্তি পাব ততই মঙ্গল। কিন্তু এখন কোনও বিকল্প নেই। এটাকে ঘৃণা করলেও এটা ছাড়া এখন খেলতেও পারব না। এটি পরে খেলা বিরক্তিকর, বার পাঁচেক বদলাতেও হচ্ছে। তবে কোনও অজুহাত দেব না। কেন না, মাস্ক ছাড়া বর্তমানে আমার চলবেও না।













Click it and Unblock the Notifications