কলম্বিয়াকে হারিয়ে একযুগ পরে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লক্ষ্যে নামছে ইংল্যান্ড
কলম্বিয়াকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে মরিয়া ইংল্যান্ড।
২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপে শেষবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল ইংল্যান্ড। তারপরে ২০১০ বিশ্বকাপে শেষ ১৬-য় পৌঁছলেও ২০১৪ বিশ্বকাপে গ্রুপ স্টেজ থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে। আর সেই অবস্থা থেকে কলম্বিয়াকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে মরিয়া ইংল্যান্ড। এদিকে কলম্বিয়াও শেষ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে। ফলে তাঁরাও শেষ আটের লড়াইয়ে মরিয়া হয়ে নামবে।

গ্যারেথ সাউথগেটের মরিয়া হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। গত দশ বছরে ইংল্যান্ড কোনও নক আউটে জেতেনি। ফলে এবার সুযোগ রয়েছে। তার উপরে জার্মানি, স্পেন, আর্জেন্তিনার মতো বড় দল বিদায় নেওয়ায় ইংল্যান্ডের দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন সাউথগেট।
তাঁর আমলে অন্য ইংল্যান্ডকে দেখা যাচ্ছে। তবে কলম্বিয়া সহ সমস্ত দলকেই সমীহ করছেন ইংল্যান্ড খেলোয়াড়রা। তা সত্ত্বেও মাঠে সেরাটা দিতে মরিয়া সকলেই।
কলম্বিয়া দলের খবর খুব আশাব্যঞ্জক নয়। হামেস রদরিগেস ইংল্যান্ড ম্যাচে খেলতে পারবেন কিনা তা জানা নেই। সেনেগাল ম্যাচে চোট পেয়ে তিনি বসে যান। ফলে হোসে পেকেরম্যানের দলের তুরুপে তাস এই ম্যাচে খেলবেন কিনা ঠিক নেই এখনও। যদিও পেকেরম্যান আশা ছাড়ছেন না।
যদি কোনও কারণে রদরিগেস খেলতে না পারেন তাহলে ফালকাওয়ের পাশে লুইস মুরিয়েলকে খেলতে দেখা যেতে পারে। এদিকে তিউনিশিয়া ম্যাচের জয়ী একাদশ নামাতে চলেছেন ইংল্যান্ড কোচ সাউথগেট। ডেলে আলি সুস্থ হয়ে দলে ফিরছেন।
কলম্বিয়া এবছর এখনও পাঁচটি গোল করেছে। তার মধ্যে তিনটি এসেছে সেট পিস থেকে। এদিকে ইংল্যান্ড ডেড বল সিচুয়েশন থেকে মোট ৬টি গোল করেছে। ফলে ফ্রি-কিক ও কর্ণারের ক্ষেত্রে দুই দলকেই সতর্ক থাকতে হবে।
ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন একাই পাঁচটি গোল করেছেন। এদিকে ফালকাও, রদরিগেসরা জ্বলে উঠলে অন্য কলম্বিয়াকে প্রত্যক্ষ করা যেতেই পারে।
এমনিতে কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের রেকর্ড চমতকার। পাঁচবারের দেখায় ইংল্যান্ড একবারও হারেনি। তিনটি জিতেছে, ২টি ম্যাচ ড্র করেছে। ২০০৫ সালে শেষবার দুই দলের খেলা হয়। মাইকেল ওয়েনের হ্যাটট্রিকে ইংল্যান্ড ৩-২ গোলে জেতে।
১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপের ম্যাচে ড্যারেন অ্যান্ডারটন ও ডেভিড বেকহ্যামের গোলে কলম্বিয়াকে ২-০ হারায় ইংল্যান্ড।












Click it and Unblock the Notifications