Europa League: বড় অঘটন! ঘরের মাঠে দুর্বল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হেরে ইউরোপা লিগ থেকে বিদায় বার্সার
বড় অঘটন! ঘরের মাঠে দুর্বল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হেরে ইউরোপা লিগ থেকে বিদায় বার্সার
কয়েক দিন আগেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে নক্ষত্রখচিত বায়ার্ন মিউনিখকে ছুটি করে দিয়েছিল ভিলারিয়াল। ইউরোপের সেরা ক্লাব ফুটবলের টুর্নামেন্টে অঘটনের স্মৃতি এখনও টাটকা। এ বার প্রায় একই রমক অঘটনের সাক্ষী থাকল ইউরোপা লিগ।

এনট্রাচট ফ্রাঙ্কফুটের কাছে হেরে ইউরোপা লিগের শেষ চারে জয়াগা করতে ব্যর্থ হল বার্সেলোনা। ক্যাম্প ন্যূ'তে বার্সেলোনাকে ৩-২ গোলে পরাজিত করল বুন্দেশলিগার দলটি।
প্রথম লেগের ম্যাচে জার্মানিতে গিয়ে ফ্রাঙ্কফুটের সঙ্গে ১-১ গোলে ম্যাচ ড্র করেছিল বার্সা। পিছিয়ে পড়েও সেই ম্যাচে ফেরান টোরেসের গোলে সমতা ফিরিয়ে এনেছিল কাতালান দলটি। এর ফলে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে যেই দল জিতত সেই দলই সেমিফাইনালে পৌঁছে যেত। বার্সালোনার ঘরের মাঠে খেলা, সেক্ষেত্রে জাভির দল যে ফেভারিট হিসেবে শুরু করবে সেটা প্রত্যাশিত ছিল। ফিরতি লেগের ম্যাচে বার্সার খেলার মধ্যেও সেই ঝাঁঝ ছিল, কিন্তু ডিফেন্সিভ ল্যাপসে স্বপ্ন শেষ যায় বার্সেলোনার।
ম্যাচের প্রথমার্ধেই নিজেদের ঘরের মাঠে ০-২ গোলে পিছিয়ে পড়ে বার্সা। ম্যাচের ৪ মিনিটের মাথায় এরিক গার্সিয়া ফাউল করলে পেনাল্টি পায় জার্মানির দলটি। স্পট কিক থেকে ফ্রাঙ্কফুটকে এগিয়ে দেন ফিলিপ কসটিক। রাফায়েল স্যান্টোস বোরের পাস থেকে দ্বিতীয় গোলটি তুলে নেয় ফ্রাঙ্কফুট। এই গোলটির রূপকার প্রথম গোলের মালিক ফিলিপ কসটিক। তাঁর বাড়ানো ঠিকানা লেখা পাস থেকে তে-কাঠিতে বল রাখতে ভুল করেননি কলম্বিয়ান ফরওয়ার্ড। ০-২ গোলে পিছিয়ে থেকেই প্রথমার্ধে মাঠ ছাড়ে বার্সা। আশা করা হয়েছিল দ্বিতীয়ার্ধে প্রবলভাবেল অপেক্ষাকৃত দুর্বল জার্মান দলটির বিরুদ্ধে ফিরে আসবে বার্সা।

সমর্থকদের আশ্বস্ত করার পরিবর্তে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই তৃতীয় গোলটি হজম করে বার্সেলোনা। ম্যাচের ৬৩ মিনিটে ডাইচি কামাদার পাস থেকে বার্সার জালে দ্বিতীয় বার বল জড়িয়ে ফ্রাঙ্কফুটকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেয় ফ্রাঙ্কফুট। তিন গোলে পিছিয়ে পড়া বার্সার সেমিফাইনালে পৌঁছনোর আশা ওখানেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু চেষ্টায় কোনও ত্রুটি রাখেনি সার্জিও বুসকেটসের দল। ৮৪ মিনিটে বুসকেটসের একটি গোল বাতিল হয়। রেফারি প্রথমে গোল দিলেও ভিএআর-এ তা যাচাই করে বাতিল করে দেওয়া হয় সেই গোল। ৯১ মিনিটে ফের প্রতিপক্ষের জালে বল জড়ান বার্সার অধিনায়ক। এ বার অবশ্যই সেই গোল বাতিল হয়নি। ৯০+১ মিনিটে তখন খেলার ফল বার্সার বিরুদ্ধে ১-৩। দশ মিনিটের উপর সংযুক্তি সময়ের খেলা চালান রেফারি। সংযুক্তি সময়ে দশ মিনিটে ফ্রাঙ্কফুটের এভান ডিকা ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন। ৯০+১১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে পরিবর্ত ফুটবলার হিসেবে নামা মেমফিস ডিপে পেলান্টি থেকে বার্সাকে আরও একটি গোল এনে দেন। তবে, তা যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ২-৩ গোলে শেষ হয় ম্যাচ। এক গোলের ব্যবধানে জিতে বার্সার দৌড় ইউরোপা লিগে শেষ করে শেষ চারে জায়গা করে নেয় ফ্রাঙ্কফুট।












Click it and Unblock the Notifications