Super Cup: এক যুগ পরে আবার এশিয়ার মঞ্চে খেলার সুযোগ পেল ইস্টবেঙ্গল, লাল হলুদের প্রতিপক্ষ হতে পারে কারা?
দীর্ঘ ১২ বছর পর সর্বভারতীয় কোনও ট্রফি জিতেছে ইস্টবেঙ্গল। রবিবার ভুবনেশ্বরে কলিঙ্গ সুপার কাপ জিতে ট্রফির খরা কাটিয়েছে লাল হলুদ। এক যুগের প্রতীক্ষার অবসান হয়েছে। ম্যাজিক ম্যান কার্লোস কুয়াদ্রাতের হাত ধরে আবার ভারত সেরা ইস্টবেঙ্গল। শীতের রাতেও মশালের গনগনে আগুন। সেই সঙ্গে আরও একটা সুখবর লাল হলুদ সমর্থকদের জন্য।
সুপার কাপ জিতে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রিলিমিনারি রাউন্ডের যোগ্যতাও অর্জন করেছে। প্রায় ১১ বছর ইস্টবেঙ্গল ফের এএফসি টুর্নামেন্ট খেলবে। শেষবার ২০১২ সালে ফেডারেশন কাপ জিতেছিল লাল হলুদ এবং ২০১৩ সালে এএফসি কাপে শেষবার অংশগ্রহণ করেছিল। এরপর শুধুই ব্যর্থতা আর অন্ধকার অধ্যায়। কিন্ত সুপার কাপ জিতে ফের এশিয়ার সেরা মঞ্চে ইস্টবেঙ্গল।

সুপার কাপে লাল হলুদ দল শুধু চ্যাম্পিয়ন হল তাই নয়, পাশাপাশি পুরনো ছন্দ ও বিশ্বাসকে ফেরালেন কার্লোস কুয়াদ্রাত। তিনি হ্যামলিনের বাঁশিওয়ালা ও স্বপ্নের সওদাগর সমর্থকদের। অল্প বাজেটে, সীমাবদ্ধতা নিয়েও যে চ্যাম্পিয়ন হওয়া যায় তা বোঝালেন কুয়াদ্রাত।
সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর স্প্যানিশ কোচ বলেন, 'কঠোর পরিশ্রমের ফল। এই পথটা মসৃণ ছিল না। অনেক প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। আমাদের পারফরম্যান্স নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। একটা নেতিবাচক মনোভাব যেন গ্রাস করেছিল গোটা দলকে। সেখান থেকেই এই জয়। ক্রিসমাসে ছুটি দিয়েছিলাম বলে অনেকে অনেক কথা বলেছে। কিন্তু এবার বুঝতে পারবে। আশা করছি এবার যাবতীয় নেতিবাচক বিষয় মুছে যাবে, এবং পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করবে। তবে সমর্থকদের বলব একটু ধৈর্য ধরতে।"
ক্লেইটনরা কখন কলকাতায় পা রাখছেন তা জানার জন্য খোঁজ শুরু করে দিয়েছিলেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। সোমবার দুপুরের পর কলকাতা বিমানবন্দরে ট্রফি নিয়ে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। তবে সবাই নয়, বিদেশিরা থাকলেও কিছু ভারতীয় ফুটবলারকে ভুবনেশ্বর থেকেই দু দিনের ছুটি দিতে পারেন কুয়াদ্রাত। বিমানবন্দরে ভিড় জমানোর সম্ভাবনা লাল-হলুদ সমর্থকদের। কলকাতায় দল ফেরার পাশাপাশি সুপার কাপ জয়ের জন্য ক্লাবেও পতাকা তোলা হবে সোমবার বিকাল চারটের সময়।












Click it and Unblock the Notifications