মোহনবাগানকে হারিয়ে শিল্ড জয় ইস্টবেঙ্গলের
ডার্বি জিতে শিল্ড জিতল ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার বারাসাতের বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-২ গোলে টাইব্রেকারে হারিয়ে ১২২তম আইএফএ শিল্ড জিতে নিল ইস্টবেঙ্গল।
ডার্বি জিতে শিল্ড জিতল ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার বারাসাতের বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ১২২তম আইএফএ শিল্ড জিতে নিল ইস্টবেঙ্গল। ঠিক পনেরো বছর পর শিল্ড হারের বদলা তুলে নিল লাল-হলুদ। ২০০৩ সালে শেষ বার শিল্ড ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই প্রধান।

সেই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে শিল্ড জিতে নিয়েছিল সবুজ-মেরুন। এবার পালের হাওয়া অন্য দিকে ঘুরিয়ে গঙ্গাপাড়ের ক্লাবটিকে হারিয়ে শিল্ড জিতে নিল ইস্টবেঙ্গলের ছোটরা।
নির্ধারিত সময়ে খেলার ফল ১-১ থাকার পর টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে ম্যাচ জিতে নেয় ইস্টবেঙ্গল। অনূর্ধ্ব-১৯ টিমের ডার্বি হলেও এদিন বিদ্যাসাগরে প্রচুর সংখ্যক লোক এসেছিলেন ঐতিহাসিক শিল্ডের ফাইনালের সাক্ষী থাকতে।
ছোটদের ডার্বি হলেও শিল্ড ফাইনালকে ঘিরে আবহ ছিল বড়দের ডার্বির মতোই। দুই দলের সমর্থকেরাই নিয়ে এসেছিলেন প্রিয় দলের একাধিক পতাকা। কপালে বাঁধা ছিল ফট্টি। মুখে ছিল রঙের কারুকার্য। অনেকে গোটা শরীরও পেন্ট করান।
এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই মোহনবাগানকে চাপে রাখে ইস্টবেঙ্গলের তরুণ ফুটবলাররা। দুই দলের খেলার মধ্যেই ধারাবাহিকতা এবং পাসিং ফুটবলের অভাব থাকলেও, তুলনামূলক ভাবে এগিয়ে ছিল পদ্মাপাড়ে ক্লাবটি।
ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের নিয়ন্ত্রণ থাকলেও, কাজের কাজটা কিন্তু করে নিয়েছিল মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল করে মোহনবাগানকে এগিয়ে দিয়েছিলেন সৌরভ দাস।
গোল হজম করে খোঁচা খাওয়া বাঘের মতো একের পর এক আক্রমণ তুলে আনতে থাকে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু একাধিক আক্রমণ তুলে আনলেও, মোহনবাগানের ছয় গজ বক্সের মধ্যে গিয়ে বারবার ভুল করে ফেলছিল লাল-হলুদ। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া দীপ সাহার জোড়াল লং রেঞ্জ শট সেভ মোহনবাগান গোলরক্ষককে পরাস্থ করে জড়িয়ে যায় জালে। তবে, এই গোলে দীপের থেকেও বেশি অবদান রয়েছে মোহন গোলরক্ষক আসাঞ্জা ডায়ামেরির। গোল তাঁর লাইনেই ছিল কিন্তু দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে সেই বল জড়িয়ে যায় জালে। প্রথমার্ধ শেষে খেলার ফল ছিল ১-১।
অতিরিক্ত সময়েও গোল মুখ খুলতে ব্যর্থ হয় দুই দল। অবশেষে টাইব্রেকারে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-২ গোলে হারিয়ে দেয় ইস্টবেঙ্গল। টাইব্রেকারে প্রথম শটই বাইরে মারে মোহনবাগান। তাদের দ্বিতীয় শটটি সেভ করে দেয় লাল-হলুদের গোলরক্ষক। এই জয়ের ফলে ২০১২-এর পর ফের একবার আইএফএ শিল্ড জিতল ইস্টবেঙ্গল। এই নিয়ে ২৯ নম্বর শিল্ড জিতল লাল-হলুদ।
ফাইনালের আগে পরিসংখ্যানের বিচারে এগিয়েই ছিল ইস্টবেঙ্গল গত চার ম্যাচে ১৭ গোল করা লাল-হলুদ ব্রিগেড হজম করে মাত্র দু'টি গোল। শুধু পরিসংখ্যানের দিক দিয়েই নয়, পারফরম্যান্সের বিচারেও এগিয়ে ছিল লাল-হলুদ। জুনিয়ার আই লিগে শেষ












Click it and Unblock the Notifications