Durand Cup 2023: ফাইনালে টিকিটের হাহাকার, দুই প্রধানে সমর্থকদের বিক্ষোভ, কী বলছেন কর্তারা?
গ্রুপ পর্বের ডার্বির পর, ফাইনাল, টিকিট নিয়ে জটিলতা অব্যাহত ডুরান্ড কাপে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল শুক্র, শনি এবং রবিবার ওই তিনদিন দুই প্রধানের তাঁবু থেকে সকাল ১১ থেকে সন্ধ্যা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিক্রি হবে ডুরান্ডের টিকিট। ৩ তারিখ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত বিক্রি হবে টিকিট। আগে এলে আগে পাওয়া যাওয়ার ভিত্তিতে টিকিট বিক্রি করা হবে।
শুক্রবারের পর শনিবার সকাল থেকেই ময়দানে দুই প্রধানের তাঁবুর সামনে টিকিটের লম্বা লাইন। লাল হলুদ হোক বা সবুজ মেরুন। টিকিটের লাইন দিয়েছেন দুই প্রধানের সমর্থকরা। কিন্তুক দুই প্রধানের কাউন্টারে নেই টিকিট। সকাল থেকে অপেক্ষা করার পর টিকিট না পেয়ে স্বভাবতই সমর্থকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।
ইস্টবেঙ্গল তাঁবর মধ্যেই বিক্ষোভ শুরু করেন লাল হলুদ সমর্থকরা। তাঁদের একটাই দাবি টিকিট চাই।

অন্যদিকে মোহনবাগান ক্লাবেও একই চিত্র। টিকিট না পেয়ে ক্ষিপ্ত সমমর্থকরা গোষ্ঠ পাল সরণি অবরুদ্ধও করেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। তঁাবুর সামনেও চলে বিক্ষোভ।
সমর্থকদের অভিযোগ, শুক্রবার ৬ থেকে ৭ হাজার টিকিট বিক্রির পরই কাউন্ডার বন্ধ করে দেওয়া হয়। শনিবার কোনও টিকিটই দেওয়া হয়নি। ভোরবেলা থেকে লাইনে দিয়েও কোনও টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। আদৌও টিকিট পাওয়া যাবে কিনা সেটাও কিছু বলা হচ্ছে না।
ডুরান্ডে অনলাইনে কোনও টিকিট বিক্রি হচ্ছে না। পুরোটাই অফলাইনে। ঠিক কত টিকিট বিক্রির জন্য ছাড়া হয়েছে, তা ডুরান্ড কর্তৃপক্ষ বলতে রাজি নন। তাঁদের দাবি, এটা দুই ক্লাব জানে। তবে গত বার যা টিকিট দেওয়া হয়েছিল, এ বার তার থেকে সামান্য বেশি টিকিট দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে আগের ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গল জেতার পরে উন্মাদনা কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। দীর্ঘ ১৯ বছর বাদে ডুরান্ড ফাইনালে কলকাতা ডার্বি। এত দিন এই ম্যাচে মোহনবাগানের আধিপত্য ছিল। ফলে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহ কমে গিয়েছিল। কিন্তু নতুন কোচের অধীনে ইস্টবেঙ্গল যথেষ্টই ভাল খেলছে। ডুরান্ডের গ্রুপ লিগের ম্যাচেও জয় পেয়েছে লাল-হলুদ শিবির।

টিকিট নিয়েও ভিন্ন সুর দুই ক্লাবের কর্তাদের গলায়। মোহনবাগান ক্লাবের সচিব দেবাশিস দত্ত বলেন, 'গত ডার্বিতে যে টিকিট দেওয়া হয়েছিল এবারও সেই একই টিকিট দুই ক্লাবকে দেওয়া হচ্ছে, একটি বেশি না কমও না। ডার্বিতে টিকিটের চাহিদা থাকবে এটা স্বাভাবিক। ৬০ হাজার আসন থাকলে ২ লক্ষ লোকের চাহিদা থাকবে।'
একইসঙ্গে বাগান সচিব উল্লেখ করেন, 'আমরাও পর্যাপ্ত টিকিট পাইনি। কিন্তু ক্রীড়ামন্ত্রী ও সেনাবাহিনীকে সম্মান জানিয়ে তা মেনে নিচ্ছি। আমরা টিকিটও নেব ও মাঠেও যাব।'

অন্যদিকে লাল হলুদ শীর্ষ কর্তা দেবব্র্ত সরকার আবার চড়া মেজাজে। তাঁর বক্তব্য, 'আমাদের কর্পোরেট থেকে শুরু করে সদস্য সমর্থকদের কাছে দায়বদ্ধতা থাকে। যা টিকিট পেয়েছি তাতে সবাই খুশি করা সম্ভব নয়। তাই আমরা কর্মকর্তারা ম্যাচে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।'












Click it and Unblock the Notifications