Durand Cup 2023: বদলে যাওয়া বাগানকে নিয়ে সতর্ক, কামিংসদের আটকানো প্রসঙ্গে কী বললেন কুয়াদ্রাত?
সাড়ে চার বছর ডার্বি জিতিয়েছেন, দলকে ডুরান্ডের ফাইনালে তুলেছেন, এবার ট্রফি জয়েরও স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। লাল হলুদ জনতার কাছে কার্লোস কুয়াদ্রাত এখন স্বপ্নের সওদাগর। ১৯ বছর কেটে গিয়েছে ডুরান্ড কাপ লেসলী ক্লডিয়াস সরণিতে ডুরান্ড আসেনি। কার্লোস কুয়াদ্রাতের হাত ধরেই কী স্বপ্নপূরণ হবে? বিগত তিন বছরের ব্যর্থতার ধারা কাটিয়ে স্বপ্ন দেখছে ইস্টবেঙ্গল।
ডুরান্ডের প্রথম ডার্বিতে জয় এসেছে, কিন্তু প্রথম বড় ম্যাচে খেলা মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের সঙ্গে বর্তমান দলের যে অনেক পার্থক্য রয়েছে, তা ভালোই জানেন কার্লোস , তা নিজের দলকে মুড়ে রাখছেন সতর্কতার চাদরে। প্রাক ম্যাচ সাংবাদিক সম্মেলনে এসেও লাল হলুদ কোচের মুখে প্রতিপক্ষকে নিয়ে সতর্কতার সুর।

কুয়াদ্রাত বলেন, 'ওরা এএফসি কাপ খেলছে। নেপাল, বাংলাদেশ এমনকি ভারতের চ্যাম্পিয়ন দলকে হারিয়েছে। মুম্বই এফসিকেও হারিয়েছে। আমাদের প্রতিপক্ষ দলও নিশ্চিত ভাবে ফাইনালের জন্য তৈরি হচ্ছে। ডার্বি ফাইনাল ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। মোহনবাগান পর পর দু'টো ম্যাচ হারতে চাইবে না। আমাদের প্রথম মিনিট থেকে সতর্ক থাকতে হবে।'
মরসুমের প্রথম ডার্বি জেতায় মানসিক দিক থেকে কি কিছুটা এগিয়ে থাকবে ইস্টবেঙ্গল? এমন মনে করেন না কুয়াদ্রাত। ইস্টবেঙ্গল কোচ বলেন, 'ফুটবলে মানসিকতা একটা বড় ফ্যাক্টর। ২০১৬ সালের পর পর দুটি ডার্বিতে আর জয় পায়নি ইস্টবেঙ্গল, এটা অত্যন্ত কঠিন। আমরা কঠিন সময় পেরিয়ে অনেক বছর পর ফাইনালে উঠেছি। ট্রফি পেতেই হবে। তবে পরপর দুটো ডার্বি কোনওভাবেই হারতে চাইবে না মোহনবাগান। তাই আমাদের অতি সতর্ক থাকতে হবে।'

শৌভিক চক্রবর্তী খেলতে পারেবন না রবিবারের ডার্বিতে। তাঁর পরিবর্তে কে খেলবেন? তা নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রাখলেন। কীভাবে কামিংস সাদিকুদের। সেই প্রসঙ্গে নিজের তাসটা সুকৌশলে আস্তিনের ভিতরই রেখে দিলেন কুয়াদ্রাত।
শেষবার ২০০৪ সালের ডুরান্ড কাপ ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান দ্বৈরথ দেখা গিয়েছিল। সেবার ২-১ গোলে জয় ছিনিয়ে নেয় লাল হলুদ বাহিনী। বিগত কয়েক বছরে খেতাব নির্ণায়ক ম্যাচে মুখোমুখি হয়নি দুই প্রধান।তাই এই বড় ম্যাচের তাৎপর্য অনেক বেশি।

বড় ম্যাচের আগে বড়সড় ঘোষণা করে করে দিল ইমামি ইস্টবেঙ্গল শিবির। ট্রান্সফার উইন্ডো শেষ হয়ে গেলেও ফ্রি ট্রান্সফারে ইস্টবেঙ্গল এবার সই করাল বসিরহাটের গোলকিপার জুলফিকার গাজিকে। মাত্র ১৭ বছরেই প্রতিশ্রুতিমান ফুটবলারকে সই করানো হল দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে। ভবিষ্যতের ইনভেস্টমেন্ট হিসাবেই জুলফিকার গাজির অন্তর্ভুক্তি ঘটল লাল-হলুদ স্কোয়াডে।












Click it and Unblock the Notifications