ডার্বি ড্র, গোলপার্থক্যে মোহনবাগানকে পিছনে ফেলে রেকর্ড লিগ জয় ইস্টবেঙ্গলের
টানা সাতবার লিগ জয়ের রেকর্ড ছিল ইস্টবেঙ্গলেরই। নিজেদের সেই রেকর্ড ভেঙে নয়া রেকর্ড গড়ে ফেলল খালিদ জামিলের ছেলেরা।
একেবারে নাটকীয়তায় ভরা ডার্বি। শিলিগুড়ির সেই ডার্বিতে মোহনবাগানকে রুখে টানা আটবার কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন হল ইস্টবেঙ্গল। দু-টি পেনাল্টি ও দু-টি লালকার্ড, উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে স্নায়ুযুদ্ধে জয়ী হয়ে লক্ষ্যে অবিচল রইল লাল-হলুদ শিবিরই। ইস্টবেঙ্গলের বিজয় রথ আটকাতে ব্যর্থ হল মোহনবাগান। দু-বার এগিয়ে গিয়েও শেষরক্ষা হল না।
এর আগে টানা সাতবার লিগ জয়ের রেকর্ড ছিল ইস্টবেঙ্গলেরই। নিজেদের সেই রেকর্ড ভেঙে নয়া রেকর্ড গড়ে ফেলল খালিদ জামিলের ছেলেরা। ২-২ গোলে ড্র হল ডার্বি। মোহনবাগানের পক্ষে গোল করেন আদহারউদ্দিন ও ক্রোমা। আর ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল শোধ লালরাম ও আমনার। শেষমেষ গোলপার্থক্যে কলকাতা লিগের রং হল এবার লাল-হলুদ।

কলকাতা লিগ জিততে গেলে মোহনবাগানদের দরকার ছিল ডার্বি জয়। আর ড্র করলেই কলকাতা লিগের শিরোপা উঠে যেত ইস্টবেঙ্গলের মাথায়। সেইসঙ্গে রেকর্ডের হাতছানি। সেই লক্ষ্যে ১০০ শতাংশ সফল ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগান লক্ষ্যপূরণে দুবার এগিয়ে গিয়েও শেষ রক্ষা করতে না পেরে ফের হতাশ করলেন সমর্থকদের। পুজোর আগে তাই মনমরা জাতীয় ক্লাবের সমর্থকরা।
এদিন জয় পেতে আক্রমণাত্মক মেজাজেই খেলা শুরু করে মোহনবাগান। কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তী দল নামান আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে। খেলার দু-মিনিটেই কাঙ্খিত গোল পেয়ে যায় মোহনবাগান। কিন্তু প্রথমার্ধের খেলা শেষের আগে সেই গোল শোধ করে দেন লালরাম।
আবার দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বক্সে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় মোহনবাগান। সেই পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি ক্রোমা। তবে বেশিক্ষণ সেই লিড ধরে রাখতে পারেনি সবুজ-মেরুন শিবির। ৬৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল শোধ ইস্টবেঙ্গলের। তারপরই দুই শিবিরের দু-জন লালকার্ড দেখেন। মোহনবাগানের কিংশুক দেবনাথ ও ইস্টবেঙ্গলের সুরাবুদ্দিন মার্চিং অর্ডার পান।
শেষপর্যন্ত মরিয়া চেষ্টা চালিয়েও গোল করতে বার্থ হন ক্রোমা-কামোরা। তাই ম্যাচ ড্র করে শেষ হাসি হাসেন খালিদ জামিলের ছেলেরা। এবারও রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে মোহনবাগানকে। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে একই পয়েন্টে শেষ করেও গোলপার্থক্যে চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই থেকে ছিটকে গেল মোহনবাগান।












Click it and Unblock the Notifications