Cristiano Ronaldo: মরক্কোর ভূমিকম্পে মানবিক রোনাল্ডো, পাশে থাকার আবেদন হাকিমির
মাঠে তিনি তীব্র আগ্রাসী, গোলের জন্য থাকেন মরিয়া, প্রতিপক্ষ ফুটবলারদের এক ইঞ্চিও জায়গা ছাড়েন না।আবার উগ্র মেজাজের জন্যও সমালোচনার মুখেও পড়েন। কিন্তু ফের একবার মানবিকতার নির্দশন রাখলেন রোনাল্ডো। মরক্কোর ভূমিকম্পে আশ্রয়হীন মানুষদের জন্য এগিয়ে এসেছেন পর্তুগিজ ফুটবল তারকা। অতীতেও যুদ্ধ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিধ্বস্ত দেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন, ব্যতিক্রম হল না মরক্কোর ক্ষেত্রেও।
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত মরক্কোর একাংশ। দেশজুড়ে হাহাকার, আর স্বজন হারানোর কান্না। এরই মধ্যে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন রোনাল্ডো।মারাক্কাশ শহরে তার মালিকানাধীন হোটেল 'পেস্তানা সিআর সেভেন' তিনি আশ্রয়প্রার্থীদের আবাস হিসেবে ব্যবহারের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

স্প্যানিশ মিডিয়া মার্কার রিপোর্ট অনুযায়ী, মারাক্কে শহরের উপকন্ঠে পর্তুগিজ মহাতারকার হোটেল রয়েছে। সেখানেই ভূমিকম্পে সর্বহারা মানুষদের মাথা গোজার জন্য ঠাঁই দিচ্ছেন আল নাসের তারকা। বিলাসবহুল এই চার তারা হোটেলে সুইমিং পুল, রেস্তোরাঁ, জিমের মতো সব সুবিধাই রয়েছে। সেই পেস্তানা সিআর৭ মারাক্কে নামক হোটেলই এখন শরণার্থীদের আশ্রয়ের ঠিকানা।
বিশ্ব ফুটবলের মঞ্চে আলাদা করে জায়গা করে নিয়েছে মরক্কো। কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠেছিল হাকিমিরা। সকলের প্রত্যাশার বাইরে চোখ ধাঁধানো পারফর্ম করেছিল মরক্কো ফুটবল টিম।কাতার বিশ্বকাপে দারুণ চমক দেখিয়েছিল মরক্কো। বেলজিয়াম, স্পেন, পর্তুগালের মতো দলকে পেছনে ফেলে জায়গা করে নিয়েছিল সেমিফাইনালে। রাতারাতি দলটি সারা বিশ্বের মানুষের কাছে পরিচিতি লাভ করে।

কিন্তু ফুটবল নয় মরক্কো এখন খবরের শিরোনামে ভূমিকম্পের জন্য। প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেওয়া মরক্কোর জাতীয় ফুটবল দল মারাক্কাশের ভূমিকম্পে হতাহতের সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছে। এরই মধ্যে দলের সদস্যরা আহতদের জন্য রক্তদান করেছেন।
ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবলে পরিচিত নাম আশরফ হাকিমি। মরক্কোর এই তারকা ফুটবলার সমাজ মাধ্যমে লিখেছেন, 'আমরা কঠিন সময়ের মধ্যে রয়েছি। যতটা সম্ভব পরস্পরের পাশে দাঁড়াতে হবে। যাঁরা প্রিয় মানুষকে হারিয়েছেন, আমার সমবেদনা রইল।
দেশটিতে এত প্রাণহানির ঘটনায় তিন দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মারাক্কেশ শহর থেকে ৭১ কিলোমিটার দূরে এটলাস পর্বতমালা এলাকার ১৮ দশমিক ৫ কিলোমিটার গভীরে।মরক্কোর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশননে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, ভয়াবহ এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে। মৃত এবং আহতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। সেই সঙ্গে গৃহহীনদের সংখ্যাও।












Click it and Unblock the Notifications