Copa America 2024: দলের জয়েই চোটের ব্যথা উধাও, কান্না শেষে মেসির মুখে শুধুই তৃপ্তির হাসি
কেরিয়ারে শেষ অধ্যায়ে উপস্থিত হয়েছেন মেসি। সম্ভবত আর্জেন্টিনার জার্সিতে কোপা আমেরিকাই বড় টুর্নামেন্ট হয়ে থাকল মেসির জন্য। চোটের কারণে তাকে টুর্নামেন্টের মাঝপথে সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছিল। মনে প্রাণে ফাইনাল ম্যাচটা পুরোটা খেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পারলেন না। দ্বিতীয়ার্ধে চোটের কারণেই তাঁকে উঠে যেতে হল।
চোট পেয়েছিলেন প্রথমার্ধেই। দৌড়তে গিয়ে আবার পুরনো জায়গাতেই চোট পেলেন মেসি। মাঠ ছাড়তে হল আর্জেন্টিনার অধিনায়ককে। তাঁর শরীরের অভিব্যক্তি বলে দিচ্ছিল কতটা কষ্ট পেয়েছেন তিনি। বরফ পায়ে বেঁধে ডাগ আউটে বসে হাপুস নয়নে কাঁদছেন মেসি। আসলে শরীরের যন্ত্রনার থেকেও মনে ব্যথা যেন বেশি পেলেন মেসি।মেসিকে এই ভাবে আগে কখনও দেখা যায়নি। রিজার্ভ বেঞ্চে বসেই হাউ হাউ করে কেঁদে ফেললেন তিনি।

এরপর দেখা গেল আরও ভয়াবহ দৃশ্য, প্রবলভাবে ফুলে দিয়েছে মেসির চোটের জায়গা। পায়ে আইসপ্যাক বেধে বসে থাকেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক, সতীর্থরা সান্তনা দিলেও চোখের জল যেন কিছুতেই বাঁধ মানছে না তাঁর। আসলে সেনানীরা লড়ছেন মাঠের মধ্যে অথচ তিনি সেনাপতি হয়ে বাইরে বসে আছেন এটা যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না মেসি। তাই কষ্ট চোখের জলে প্রকাশিত হচ্ছিল বার বার।
Lionel Messi’s ankle is absolutely destroyed pic.twitter.com/SUk5Pd8ZZW
— FearBuck (@FearedBuck) July 15, 2024
কোপা ফাইনালের পুরো নব্বই মিনিট মাঠে থাকতে পারলেন না আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন হল আর্জেন্টিনা। ফলে মেসির কান্নাই বদলে গেল হাসিতে। লাউতারো মার্টিনেজের গোলে চ্যাম্পিয়ন হল আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে মেসির মুখে চওড়া হাসি। সব যন্ত্রনা কষ্ট উধাও হয়ে গিয়েছে। আসলে মেসির কাছে ব্যক্তির উধর্বে সব সময়ই দেশ। তাই নিজে পুরো সময় খেলতে না পারলেও দলের জয়ের খুশিতে ভাসলেন।
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই লিওনেল মেসি কোচ লিওনেল স্কালোনির সাথে একটি উষ্ণ আলিঙ্গন করলেন, কোচও যুক্তিযুক্তভাবে সেরা ফুটবলারকে তার প্রাপ্য প্রশংসাতে ভরালেন। মেসি সরাসরি আনহেল ডি মারিয়ার কাছে গিয়েছিলেন, যিনি আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে শেষ ম্যাচ খেলে ফেললেন। মেসি লাউতারো মার্টিনেজকে আলিঙ্গন করেলন। মেসির মুখে তখন শুধুই খুশি ও আনন্দের ঝিলিক।
Finally he smiled pic.twitter.com/iHMgbmwEoS
— CAICENZO (@Cfc_caicenzo) July 15, 2024
আসলে শুরু থেকেই বড্ড বেশি মারকুটে ফুটবল খেলতে শুরু করেন কলম্বিয়ান ফুটবলাররা, আরও গড়াতে থাকে তখন থেকে পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে। কলম্বিয়া ও আর্জেন্তিনার প্লেয়াররা একে অপরকে কড়া ট্যাকল করতে থাকে। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ পরিচালনার সময় রেফারিকে বেশিরভাগ সময়টা বাঁশি বাজাতে বাজাতে কেটে গেল। একের পর এক আর্জেন্টাইন ফুটবলার চোট পেলেন।












Click it and Unblock the Notifications