CFL 2024: লিগের দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় অধরা, প্রাক্তনীদের কাছেই আটকে গেল মোহনবাগান এসজি
ভবানীপুরের কাছে প্রথম ম্যাচে আটকে যাওয়ার পর শনিবার রেনবোর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে নেমেছিল মোহনবাগান এসজি। ব্যারাকপুর স্টেডিয়ামে মরশুমের দ্বিতীয় ম্যাচেও আটকে গেল মোহনবাগান এসজি। ম্যাচ শেষ হল ২-২ গোলে।

ফলে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় সবুজ মেরুন। মনে করা হয়েছিল ২ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর চেনা মেজাজে পাওয়া যাবে মোহনবাগান এসজিকে। কিন্তু মরশুমের দ্বিতীয় ম্যাচেও পুরো পয়েন্ট পেতে ব্যর্থ হল সবুজ মেরুন।
২ গোলে এগিয়ে থেকেও জয় অধরাই থাকল মোহনবাগান এসজির। রেনবোনর হয়ে প্রথম গোল শোধ করেন সৌরভ দাশগুপ্ত। এরপর পেনাল্টি থেকে সমতায় ফেরালেন রাজন বর্মণ। শেষপর্যন্ত, প্রথমার্ধ শেষ হয় ২-২ ফলাফল নিয়েই। অন্যদিকে, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও সেই আক্রমণের গতি বজায় রেখেছিল রেইনবো।এরপর গোটা ম্যাচে রবি রানা, সুহেল ভাটরা একাধিক সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারলেন না।
এদিন মোহনবাগান এসজি আটকে গেল তাদের প্রাক্তনীদের কাছেই। কারণ রেনবো দলের খেললেন কিংশুক দেবনাথ, শিল্টন পালরা। মূলত শিল্টন পালই একাধিকবার রেনবোর পতন রোধ করলেন। তাঁর হাতেই আটকে গেল মোহনবাগান এসজি। দুই ম্যাচ খেলে মোহনবাগান এসজি ২ পয়েন্টেই রইল।
দ্বিতীয়ার্ধে কোনও দল আর গোল করতে পারেনি। কিন্তু দুদলই একের পর আক্রমণ করতে থাকে। খেলার একেবারে শেষ লগ্নে মোহনবাগান কিন্তু একাধিক গোলের সুযোগ নষ্ট করে। সুযোগের সদ্ব্যবহার করলে মোহনবাগান এসজি হয়তো পুরো পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ত।রেনবোর গোলকিপার শিল্টন পাল নজর কাড়েন। বহুযুদ্ধের সৈনিক বাগানের প্রাক্তন এই গোলরক্ষক। একটা সময় মোহনবাগানের বাজপাখি নামেও পরিচিত ছিলেন।
প্রথমার্ধে যে দুর্বলতা দেখা গিয়েছিল তাঁর খেলায়, দ্বিতীয়ার্ধে শিল্টন দারুণ তৎপরতার পরিচয় দেন। তাঁর ক্ষিপ্রতায় মোহনবাগান এসজি গোল করতে পারেনি। সেইসঙ্গে বলতেই হয় আরও একজনের কথা তিনি কিংশুক দেবনাথ। মোহনবাগানের আই লিগ জয়ী ফুটবলার যে এখনও কলকাতা মাঠে খেলছেন তা অনেকই ভুলে গিয়েছিলেন। কিন্তু নিজের পুরানো দলের বিরুদ্ধেই ফের একবার নিজেকে প্রমাণ করলেন কিংশুক।












Click it and Unblock the Notifications