টোকিও অলিম্পিকে সোনা জয়ে ব্যারেটোর বার্তা, যদিও শাস্তির মুখে ব্রাজিলের ফুটবল দল
টোকিও অলিম্পিকে স্পেনকে ২-১ গোলে হারিয়ে সোনা জিতেছে ব্রাজিল। যদিও তার পরের ঘটনায় এবার শাস্তির মুখে গোটা ফুটবল দল। শাস্তি দিতে চলেছে ব্রাজিলেরই অলিম্পিক কমিটি।
|
শাস্তির মুখে সোনাজয়ীরা
রিও অলিম্পিকে ফুটবলে সোনা জিতেছিল ব্রাজিল। এবারের টোকিও অলিম্পিকেও দাপট বজায় রেখে ফের অলিম্পিক সোনা ঘরে তুলেছে ব্রাজিলের ফুটবল দল। কোপা আমেরিকায় আর্জেন্তিনার কাছে ফাইনালে হারের পর অলিম্পিকের এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত ব্রাজিলের ফুটবল মহল। কিন্তু পদক প্রদান অনুষ্ঠান ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। তার জেরেই ব্রাজিলের ফুটবলারদের আচরণ ও ব্রাজিলিয়ান সকার কনফেডারেশনের কড়া সমালোচনা করে এবার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে চলেছে ব্রাজিলের অলিম্পিক কমিটি।

পোশাক বিতর্ক
পদক প্রদান অনুষ্ঠানে ব্রাজিলের ক্রীড়াবিদরা সকলেই অলিম্পিক ইউনিফর্ম পরেছিলেন। ব্যতিক্রম ফুটবল দল। গোটা দলের কেউই সোনার পদক নেওয়ার সময় দেশের তরফে নির্ধারিত পোশাক পরতে অস্বীকার করেন। ব্রাজিলের যাঁরা অলিম্পিকে অংশ নিতে গিয়েছিলেন তাঁদের সকলকেই অলিম্পিক কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল আইওসি অনুমোদিত ইউনিফর্ম পরতে হবে। এই ইউনিফর্ম বানিয়েছিল চিনের সংস্থা পিক স্পোর্ট। কিন্তু দেখা যায় ব্রাজিলের সোনাজয়ী ফুটবল দল পদক প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছে নাইকি জার্সি পরেই। শুধু সকলের পরনের প্যান্টটি ছিল পিক ইউনিফর্ম। কোমরে বাঁধা ছিল জ্যাকেট।

চলছে চাপানউতোর
এই নিয়ে বিতর্ক শুরু হতেই ব্রাজিলের ফুটবলাররা সংবাদমাধ্যমকে জানান, ব্রাজিলের সকার কনফেডারেশনের নির্দেশ মোতাবেকই তাঁরা এভাবে পোশাক পরে পোডিয়ামে দাঁড়িয়েছিলেন। ব্রাজিল সকার কনফেডারেশনও নাকি ফুটবলাররা কী ইউনিফর্ম পরে পোডিয়ামে দাঁড়াবেন সে ব্যাপারে কোনও স্পষ্ট নির্দেশ পাননি, ফলে ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকতে পারে। উল্লেখ্য, ২০১২ ও ২০১৬ সালের অলিম্পিকে টিম ব্রাজিল নাইকির ইউনিফর্ম ব্যবহার করেছে।
|
সমালোচিত ফুটবলাররা
ব্রাজিলের ফুটবলারদের এই পোশাক বিতর্ক নিয়ে সরব হয়ে ৫০ মিটার সাঁতারে ব্রাজিলের ব্রোঞ্জজয়ী সাঁতারু ব্রুনো ফ্রাতুস টুইটে লিখেছেন, এতে স্পষ্ট বার্তা রয়েছে যে ব্রাজিলের ফুটবল দলের কেউই নিজেদের অলিম্পিক টিমের প্রতিনিধি বলে মনে করেন না এবং তাতে তাঁদের কিছু যায় আসে না। কিন্তু তাঁদের এই আচরণ দেশের অনেক ক্রীড়াবিদ, যাঁরা ফুটবলারদের মতো প্রচুর অর্থের মালিক নন, তাঁদের উপর কী মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে সে ব্যাপারেও যেন তাঁরা কেউ চিন্তিত নন। ব্রাজিলের প্রাক্তন ওপেনওয়াটার সাঁতারু পলিয়ানা ওকিমোতোও টুইটে লিখছেন, খেলাধুলোয় শৃঙ্খলার বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। ব্রাজিলের ফুটবল দল যেচা করে সেটা ব্রাজিলের ভাবমূর্তির পক্ষে মোটেই ভালো নয়। কিছু হলে শাস্তির মুখে পড়বে ব্রাজিলের অলিম্পিক কমিটি, সকরা কনফেডারেশনের কিছুই হবে না। যদিও ২০১৬ সালের পর টোকিও অলিম্পিকে দেশকে ফুটবলে দ্বিতীয় অলিম্পিক সোনা এনে দেওয়া ব্রাজিলের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত প্রাক্তন মোহনবাগান অধিনায়ক হোসে রামিরেজ ব্যারেটো। ফেসবুক বার্তায় তিনি গোটা দলকে অভিনন্দিত করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications