Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

বাবার দেখানো পথে সাফল্য, প্রিমিয়ার লিগে রেফারির দায়িত্ব গ্রহণ করে ইতিহাস তৈরি করলেন শিখ তরুণ ভূপিন্দর সিং গিল

বাবার দেখানো পথে সাফল্য, প্রিমিয়ার লিগে রেফারির দায়িত্ব গ্রহণ করে ইতিহাস তৈরি করলেন শিখ তরুণ ভূপিন্দর সিং গিল

ইতিহাস তৈরি করলেন শিখ রেফারি ভূপিন্দর সিং গিল। বুধবার সাউদাম্পটন এবং নর্টিংহাম ফরেস্টের মধ্যে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে প্রথম শিখ হিসেবে সহকারী রেফারির দায়িত্ব পালন করলেন ভূপিন্দর সিং গিল। সেন্ট ম্যারি'স-এ এই ম্যাচে মূল রেফারির দায়িত্বে ছিলেন থমাস ব্রামাল। ভূপিন্দরের মতো অপর সহকারী রেফারি ছিলেন মার্ক পেরি।

বাবার দেখানো পথে সাফল্য, প্রিমিয়ার লিগে রেফারির দায়িত্ব গ্রহণ করে ইতিহাস তৈরি করলেন শিখ তরুণ ভূপিন্দর সিং গিল

ভূপিন্দর সিং গিল-এর বয়স ৩৭ বছর। এই যুবক রেফারির পরিবারে ফুটবলের সঙ্গে সম্পর্ক দীর্ঘ সময়ের। তাঁর বাবা জার্নাল সিং প্রথম রেফারি যিনি ইংলিশ লিগে পাগড়ি পরে ম্যাচ পরিচালনা করেন। ২০০৪ থেকে ২০১০-এর মধ্যে ১৫০টির বেশি ইংলিশ ফুটবল লিগের ম্যাচ পরিচালনা করেছেন জার্নাল সিং। ভূপিন্দরের বড় ভাই সানিও এক জন ইংলিশ ফুটবল লিগের রেফারি। এই ম্যাচের আগে ইংলিশ মিডিয়ায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভূপিন্দর সিং বলেছেন, "এটা অবশ্যই সব থেকে গর্বের এবং উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত রেফারি হিসেবে আমার কেরিয়ারে। কিন্তু আমি তাতে বয়ে যাইনি কারণ আমি যেই দিকে যেতে চাই তার দিতে একটি পদক্ষেপ ছিল এটা। এটা আশা করি পরবর্তী প্রজন্মকে রেফারির কোর্স করতে এবং রেফারির দায়িত্ব গ্রহণ করতে উৎসাহিত করবে। সব সময়ই আমার স্বপ্ন এই খেলার শীর্ষ স্থানে পৌঁছনো। আগামী দিনের অফিসিয়ালদের কাছে আমি আদর্শ হয়ে উঠতে চাই এবং বহু মানুষকে চাই অনুপ্রাণিত করতে, বিশেষ করে আমার মতো দক্ষিণ এশিয়ার ব্যাক গ্রাউন্ড থেকে যাঁরা রয়েছেন।"

প্রিমিয়ার লিগে আত্মপ্রকাশ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে ভূপিন্দরের বাবা জার্নালেরও কিন্তু সেটা মাঠে নেমে নয়। চতুর্থ রেফারি হিসেবে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এই দিন তিনি মাঠে উপস্থিত ছিলেনর এবং নিজের চোখে ছোট ছেলেকে ইতিহাস তৈরি করতে দেখেন। তিনি বলেন, "শিখ কমিউনিটি এবং দক্ষিণ এশিয়া থেকে যাঁরা রেফারি হতে চান তাঁদের কাছে আজ ভূপিন্দরকে ম্যাচ অফিসিয়েটিং করতে দেখাটা স্বপ্নের মতো। এক জন বাবা হিসেবে আমি কতটা গর্বিত তা আপনি বুঝতেই পারছেন। এক জন বাবা সব সময় চায় তাঁর ছেলে যেন তার থেকেও উঁচু জায়গা পায় শিক্ষায়, পরিবারে, জীবনে, এমনকী খেলায়। সাফল্য পাওয়ার জন্য ওর ক্ষুধা অবিশ্বাস্য। আমি আশা করি ও এবং আমার বড় ছেলে সানি দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহিত করবে রেফারিং-এ আসার জন্য।"

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+