ইস্টবেঙ্গল বনাম রঞ্জিত বাজাজ সংঘাত তুঙ্গে, বল গড়ানোর আগে বিতর্কে চরমে
ফুটবলে এবার কী সিবিআই তদন্ত। মিনার্ভা পাঞ্জাব ম্যাচের আগেই বিতর্ক মাথা চাড়া দিয়ে উঠল।
ফুটবলেও এবার চলে এল সিবিআই তদন্ত। মিনার্ভা পাঞ্জাব বনাম ইস্টবেঙ্গলের লড়াই কার্যত ফাইনাল। কিন্তু মাঠে বল গড়ানোর আগেই বিতর্ক পৌঁছে গেছে চরমে। ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে মিনার্ভা বেশ কিছুদিন আগেই সরব হয়েছিল।

মিনার্ভা পাঞ্জাবের অন্যতম কর্ণধার রঞ্জিত বাজাজ জানিয়েছিলেন তাঁর প্লেয়ারদের টাকা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই অভিযোগ সামনে আনার পাশাপাশি এআইএফএফকেও লিখিত ভাবে সেই প্রস্তাব চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলেন তিনি।
কিন্তু এরপরেও জল বহু দূর গড়িয়েছে বাজাজের আনা এই ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ভিত্তিহীণ বলে চিঠি দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। এমনকি মিথ্যা এই অভিযোগ আনার জন্য তাঁকে যেন ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ১৩ তারিখের মেগা ম্যাচে বেঞ্চে বসতে না দেওয়া হয় তা বলেও এআইএফএফ কে আবেদন করেছে লালহলুদ ব্রিগেড।
তবে শুধু এই পয়েন্টই নয়। ইস্টবেঙ্গলের পাঠানো চিঠিতে তাঁরা আরও আবেদন করেছে ১৩ তারিখের ম্যাচ কার্যত ফাইনাল। তাই এই ম্যাচে যেন বিদেশি রেফারি দিয়ে ম্যাচ খেলানো হয়। কারণ লিগ টেবলের এক নম্বরে থাকা মিনার্ভা পাঞ্জাবের ঠিক পিছনেই রয়েছে লালহলুদ। এই ম্যাচে যদি তাঁরা জিততে পারেন তাহলে লিগের দৌড়ে থাকবেন। আর যদি অন্য কিছু হয় তাহলে লিগের লড়াই থেকে কার্যত বিদায় হয়ে যাবে খালিদ জামিলের ছেলেদের। তাই ম্যাচে যাতে রেফারিং নিরপেক্ষ হয় তাই নিশ্চিত করতে চেয়েছে ইস্টবেঙ্গল।
এদিকে লালহলুদের চিঠি পাওয়ার পর ম্যাচ ফিক্সিং সংক্রান্ত ওঠা বিতর্কের বল আর নিজেদের কোর্টে রাখতে চায়নি ভারতের সর্বোচ্চ ফুটবল সংস্থা। তারা এই তদন্তের ভার নেওয়ার জন্য সিবিআইকে আবেদন করেছে। এদিকে এই পুরো বিষয়টিতে বেজায় চটেছেন রঞ্জিত বাজাজ। তাঁর নিরপেক্ষ রেফারি দিয়ে খেলতে তাঁর কোনও আপত্তি তবে ইস্টবেঙ্গলের চিঠির তিন নম্বর পয়েন্টটিতে তাঁর প্রচন্ড আপত্তি। কেন তাঁর তোলা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগকে মিথ্যা বলে তাঁর নির্বাসন দাবি করেছে লালহলুদ সেটাই বুঝতে পারছেন না তিনি। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরবও হয়েছেন রঞ্জিত।
<blockquote class="twitter-tweet blockquote" data-lang="en"><p lang="en" dir="ltr"><a href="https://twitter.com/eastbengalfc?ref_src=twsrc%5Etfw">@eastbengalfc</a> <a href="https://twitter.com/EBRPFC?ref_src=twsrc%5Etfw">@EBRPFC</a> <a href="https://twitter.com/ProbasheEB?ref_src=twsrc%5Etfw">@ProbasheEB</a> <a href="https://twitter.com/ILeagueOfficial?ref_src=twsrc%5Etfw">@ILeagueOfficial</a> <a href="https://twitter.com/Minerva_AFC?ref_src=twsrc%5Etfw">@Minerva_AFC</a> official complain against me to Aiff by east Bengal officials - it’s really sad that instead of the biggest club supporting our fight against match fixing they cast doubts on the allegations and want me suspended? <a href="https://t.co/AYE0jkPaTa">pic.twitter.com/AYE0jkPaTa</a></p>— Ranjit Bajaj (@THE_RanjitBajaj) <a href="https://twitter.com/THE_RanjitBajaj/status/962481664139112448?ref_src=twsrc%5Etfw">February 11, 2018</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script>
রঞ্জিত বাজাজ ১৮ জানুয়ারি অভিযোগ করেছিলেন ম্যাচ ফিক্সিংয়ের। নিজের অভিযোগে তিনি বলেছিলেন তাঁর দলের দুই ফুটবলারকে ম্যাচ ফিক্স করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তাঁদেরকে ম্যাচে আন্ডার পারফর্ম করার জন্য ৩০ লক্ষ টাকা অবধি অফার করা হয়। সেই ফুটবলাররা নিজেদের দেওয়া এই কু প্রস্তাবের স্ক্রিন শটও রঞ্জিতকে দেখিয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনাটি এআইএফএফ এবং এএফসিকেও জানিয়েছেন মিনার্ভা পাঞ্জাবের এই কর্মকর্তা।

কিন্তু এতবড় এই অভিযোগ করার পর কোনও প্রমাণ বা তারপর কী হল সেটা নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি। আর এতেই চটেছে ইস্টবেঙ্গল। তাঁদের সাফ বক্তব্য এতবড় অবিবেচকের মতো কাজ কেন করলেন মিনার্ভা পাঞ্জাবের কর্মকর্তা। সব মিলিয়ে বল গড়ানোর আগেই নাটক পৌঁছে গেছে চরম অঙ্কে।












Click it and Unblock the Notifications