মোহনবাগানে সঞ্জয় সেন হঠাও মিশন চলছে তলেতলে ব্যাটন তুলে নিতে রাজি অন্যরাও
পরপর তিনটি ড্র মোহন নৌকা হঠাৎই টালমাটাল। এমনকি সঞ্জয় সেন সরে গেলে কিম্বা সরিয়ে দেওয়া হলে পরিবর্তরাও তৈরি থাকছেন।
সামনাসামনি এখনও আঙুল ওঠেনি কর্মকর্তাদের। কিন্তু সমর্থকরা নিজেদের গলায় ইতিমধ্যেই সঞ্জয়ের নামে গো ব্যাক ধ্বনি দিয়েছেন। তাঁদের সাফ বক্তব্য কবে ঘি খেয়েছি আজও তার গন্ধ শুঁকবো নাকি। তাদের একটাই মত পারফরম্যান্স দিয়ে যেতে হবে।

এদিকে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন এখনও তাঁরা সঞ্জয়কে নিয়ে কিছু ভাবেননি। কিন্তু মোহন অন্দরে কান পাতলে অন্য খবর পাওয়া যাচ্ছে। আসলে সঞ্জয়কে ঠিক পছন্দ হচ্ছে না মোহন কর্তাদের একটা অংশের। ফলে তাঁকে বুদ্ধি করে সরিয়ে দিতে চাইছেন তাঁরা। শঙ্করলাল তো দিন কয়েক আগেই জানিয়েছিলেন সহকারি কোচ হয়ে থাকতে আর কতদিন ভালো লাগে। ফলে তার একটা সম্ভবনা থাকছেই। কলকাতা লিগে সঞ্জয় সেনও ছিলেন না, সনি নর্ডিও ছিলেন না তারপরেও দলকে রানার্স করেছেন শঙ্করলাল চক্রবর্তী।
এদিকে নাম ভাসছে মৃদুল বন্দোপাধ্যায়েরও। তাঁর নাম নাকি গত বছর থেকেই প্যানেলে রয়েছে। ফলে যেকোনও সময় সঞ্জয় ঢলে গেলেই তাঁকে নিয়ে চলে আসা হতে পারে। আসলে বাগান কর্তারা চাইছেন 'সস্তায় পুষ্টিকর' কোচ। সেক্ষেত্র মৃদুল পারফেক্ট পছন্দ হতেই পারে।

সুব্রত ভট্টাচার্য ও সুভাষ ভৌমিকদের নাম সমর্থকদের মনে ইতি-উতি ঘুরলেও কর্তাদের মাথায় এই নামগুলি বিশেষ আমল পাচ্ছে না। প্রথমত এঁদের কারোর এ লাইসেন্স নেই। অন্যদিকে এঁরা এলে সনি নর্ডি কেমনভাবে মানিয়ে নেবেন সেসব নিয়ে আর কোনও দ্বন্দ্বে যেতে রাজি নন মোহন কর্মকর্তারা। মৃদুল দা বা শঙ্কর দা-র এই ধরণের কোনও অসুবিধা নেই।
করিম বেঞ্চারিফার মত বিদেশি কোচদের দিকে খুব একটা ঝুঁকছেন না কারণ এত টাকা বাজেট নেই মোহনবাগানের। সব মিলিয়ে এখনই না হলেও ফিরতি ডার্বির আগে পড়ে ঘটে যেতে পারে কোনও ঘটনা।












Click it and Unblock the Notifications