Super Cup 2024: ডার্বি হারের পরই সবুজ মেরুনে বদলের হাওয়া, রেফারির গোল বাতিল নিয়ে কী বললেন ক্লিফোর্ড?
বিগত কয়েক মরসুমে ডার্বি যেন অভ্যাসে পরিণত করেছিল মোহনবাগান এসজি। বড় ম্যাচের আগে থেকেই যেন ফলাফল নির্ধারিত হয়ে যেত। সবুজ মেরুন সমর্থকরা অপেক্ষা করতেন ব্যবধানের। কিন্তু এবার মরসুমের শুরু থেকেই চিত্রটা অন্যরকম। বিগ বাজেটের তারকা খচিত দল। কিন্ত মরসুমের শুরুতেই বড় ম্যাচে ধাক্কা খেতে হয়েছিল। যদিও ডুরান্ডের গ্রুপ পর্বের হারের ধাক্কা কাটিয়ে উঠেছিল ফাইনাল ম্যাচে।
তবে সুপার কাপের গ্রুপ পর্বের ডার্বি ছিল মোহনবাগানের কাছে ডু ওর ডাই। কিন্তু মহানদীতে হল নৌকা ডুবি, মাঘের শীতের রাতে মশালের আগুনে পুড়ে ছাই মোহনবাগান এসজির সুপার কাপের সেমির স্বপ্ন।সেই সঙ্গে প্রশ্ন উঠে গেল কামিংস-সাদিকু-বুমোসদের ভবিষ্যৎ নিয়েও। এএফসি কাপে ব্যর্থতার পর থেকেই সবুজ মেরুনের বিশ্বকাপার-ইউরো কাপারদের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠে।

দ্বিতীয় নাম অবশ্যই কামিংস। রেকর্ড অঙ্কে তাঁকে দলে নিয়েছিল বাগান টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু অজি স্ট্রাইকার গোল তো পাচ্ছেনই না, আবার কোনও কার্যকরী ভূমিকাও নিতে পারছেন না। ফলে তাঁকে নিয়েও দ্বিধায় টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই বিদেশি বদলের সিদ্ধান্ত আপাতত নতুন কোচ হাবাসের উপরও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ডার্বি ম্যাচ শেষে সবুজ মেরুন শিবিরে হতাশা রেফারির পেনাল্টিতে গোল বাতিল করা নিয়ে। দিমিত্রি প্রথম শটে গোল করলেও তা বাতিল করে দেন রেফারি। এই নিয়ে বিতর্ক চরমে। ম্যাচ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, শট নেওয়ার সসময় ইস্টবেঙ্গল বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েছিলেন হুগো বুমোস ও রাজ বাসফোর। সেই কারণে গোলটি দেননি। কিন্তু বক্সে প্রবেশ করে যাওয়া ফুটবলারদের গোলের ক্ষেত্রে কোনও অবদান ছিল না, সেই কারণে রেফারি ইচ্ছে করলে গোলও দিতে পারতেন।
এই নিয়ে মোহনবাগান এসজি দলের ভারপ্রাপ্ত কোচ ক্লিফোর্ড মিরান্ডা বলেছেন, রেফারি ওই গোলটি দিলে খেলার ফল অন্যরকম হতেই পারত। তবে আমি খুশি দলের ফুটবলারদের খেলায়।আমাদের দলের বেশিরভাগই তরুণ ফুটবলার, ফলে ডার্বির চাপ নেওয়ার তাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি। এই ম্যাচ থেকেই তাঁরা শিক্ষা নিতে পারবেন। আমরা এই হার থেকে ঘুরে দাঁড়াব।'












Click it and Unblock the Notifications