ACL 2: মোহনবাগান এসজির সিদ্ধান্তকে সমর্থন এএফসির, কড়া শাস্তি থেকে রক্ষা পেল সবুজ মেরুন
গত মরশুমে আইএসএলের লিগ শিল্ড জয়ের ফলে চলতি মরশুমে এসিএল টু-তে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে মোহনবাগান এসজি। কিন্তু টুর্নামেন্টের একটি ম্যাচ খেলার পর আর কোনও ম্যাচ খেলা হল না সবুজ মেরুন।
গত অক্টোবরের শুরুতে তাবরিজে ট্রাক্টর এফসির বিরুদ্ধে খেলতে ইরানে যাওয়ার কথা ছিল মোহনবাগান এসজির। কিন্ত সেই সময় ইজরায়েলের আক্রমণে প্রাণ হারান হিজবুল্লাহ প্রধান। ফলে ইরানের পরিস্থিতি এখন একেবারেই অনুকূল ছিল না। সেই দেশে পাঁচদিনের রাষ্ট্রীয় শোক জারি করা হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে সেখানে খেলতে গেলে ফুটবলারদের সুরক্ষা যে বিঘ্নিত হতে পারে সেই কথা জানিয়ে এএফসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল কলকাতার ক্লাবের পক্ষ থেকে।

শনিবার মোহনবাগান এসজির পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে সেখানে গোটা বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। অভূতপূর্ব পরিস্থিতি হিসেবে চিহ্নিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এএফসি কম্পিটিশন কমিটি। এরফলে হিসেব মতো আর্থিক শাস্তির মুখে পড়তে হবে না সবুজ মেরুনকে। কিন্তু নিজেদের আরও একটি সিদ্ধান্তে অনড় থাকল এএফসি।
আশঙ্কা করা হয়েছিল যে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের এই পদক্ষেপের কারণে তাদের শাস্তি এবং জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে। কিন্তু, যাবতীয় আশঙ্কা আপাতত দুর হয়ে গিয়েছে।
এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২-র নিয়মাবলীর ৫.৭ ধারা অনুযায়ী মোহনবাগানকে আর্থিক জরিমানার মুখে পড়তে হবে না। কিন্তু এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২-র নিয়মাবলীর ৫.৫ ধারা এবং ৫.৬ ধারা অনুযায়ী 'অভূতপূর্ব পরিস্থিতি' হলেও হোসে মলিনার দল এই মরশুমে এসিএলে ম্যাচ আর খেলতে পারবে না।
যখন মোহনবাগান এসজির খেলা যে সময় ছিল তখন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ইরানের পরিস্থিতি। এসিএল ম্যাচের আগের দিনই ইজরায়েলে মিসাইল হামলা চালিয়েছিল ইরান। পরিস্থিতি আন্দাজ করে কোনও রকম ঝুঁকি নেয়নি মোহনবাগান এসজি ম্যানেজমেন্ট। তারা এএফসির কাছে ম্যাচ পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেন। কিন্ত তা না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ অবশ্যই দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।শেষ পর্যন্ত ইরানের ক্লাবটিকে ৩ পয়েন্ট এবং ৩ গোল দেওয়া হয়।












Click it and Unblock the Notifications