ঐতিহ্যশালী ফুটবল ক্লাব লিভারপুল কেনার দৌড়ে ভারতের ধনকুবের মুকেশ আম্বানি
ঐতিহ্যশালী ফুটবল ক্লাব লিভারপুল কেনার দৌড়ে ভারতের ধনকুবের মুকেশ আম্বানি
বিশ্ব ফুটবলের ঐতিহ্যশালী লিভারপুল কেনার দৌড়ে সামিল হলেন ভারতীয় বিলেনিয়ার মুকেশ আম্বানি। ইংল্যান্ডের একটি বহুল প্রচলিত সংবাদ মাধ্যম সূত্রে এই খবর সামনে এসেছে। লিভারপুলের বর্তমান মালিক ফেনওয়ে স্পোর্টস গ্রুপ (এফএসজি) ক্লাবের মালিকানা হস্তান্তরের কথা ঘোষণা করেছে। ২০১০ সালে ইংলিশ ফুটবলের এই প্রথিতযশা ক্লাবটি কেনে ফেনওয়ে স্পোর্টস গ্রুপ। এই বিক্রয় প্রক্রিয়া সমপন্ন করার জন্য লিভারপুলের বর্তমান মালিক নিযুক্ত করেছে গোল্ডম্যান স্যাচস এবং মর্গ্যান স্ট্যানলিকে। '

দ্য মিরর'-এর খবর অনুযয়ী ৪ বিলিয়ান ব্রিটিশ পাউন্ডে ক্লাবটির মালিকানা হস্তান্তর করার বিষয়ে আগ্রহী বর্তমান মালিকানাধীন সংস্থা। ফোরবসের বিচারে ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানি বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তিদের তালিকায় অষ্টম স্থানে রয়েছেন। মুকেশ আম্বানি রিয়ালেন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর। রিপোর্টে প্রকাশিত খবর
অনুযায়ী, আম্বানি খোঁজ খবর নিয়েছেন লিভারপুলের সম্পর্কে। ফেনওয়ে স্পোর্টস গ্রুপ (এফএসজি)-র প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'ইপিএল ক্লাবগুলির মালিকানা হস্তান্তর নিয়ে সম্প্রতি বেশ কিছু গুজব শোনা যাচ্ছে। অবধারিত ভাবে ফেনওয়ে স্পোর্টস গ্রুপের কাছেও নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে লিভারপুলের মালিকানা নিয়ে। লিভারপুলের শেয়ারহোল্ডার হওয়ার জন্য আমরা তৃতীয় পক্ষের আগ্রহ দেখেছি। সঠিক শর্তাবলীতে এবং যা লিভারপুলের পক্ষে হিতকর সেই শর্তে আমরা নতুন শেয়ারহোল্ডারদের বিবেচনা করব।"
ফেনওয়ে স্পোর্টস গ্রুপের অধীনে একাধিক সাফল্য পেয়েছে লিভারপুল। বহু বছর পর প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। জিতেছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, এফএ কাপ, কারাবাও কাপ, ইউরোপিয়ান সুপার কাপ।
ভারতীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ লিগ আইএসএল পরিচালিত করে ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড (এফএসডিএল), যার প্যারেন্ট অর্গানাইজেশন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ)-এর কমার্শিয়াল পার্টনার তারা। এ ছাড়া আইপিএল-এর দল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মালিক মুকেশ আম্বানি। মুকেশ আম্বানির নিজস্ব ফ্রাঞ্চাইজি দল রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা টি ২০ লিগ এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর টি ২০ লিগে। উল্লেখ্য, এর আগেও ২০১০ সালে লিভারপুল কেনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন মুকেশ আম্বানি। সেই সময়ে সাহার গ্রুপের কর্ণধার সুব্রত রায়ের সঙ্গে যুগ্মভাবে ৫১ শতাংশ শেয়ার পাওয়ার জন্য দরপত্র জমা দিতে চেয়েছিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications