১৯৭৩ সালের পর কোন কোন বিমানগুলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কবলে পড়েছে দেখে নিন
ইতিমধ্যেই ইউক্রেনীয় বিমান পিএস ৭৫২-তে ভুলবশত ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপণের কথা স্বীকার করেছে ইরান। এরপর ইরান-আমেরিকা সংঘাতের আবহে এই প্রসঙ্গে তীব্র সুর চড়াতে দেখা গেলো ইউক্রেনকে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার জন্য ইরানের কাছে ক্ষমা ও ক্ষতিপূরণেরও দাবি করেছে ইউক্রেন। গত ৮ই জানুয়ারির এই দুর্ঘটনার জেরে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ১৭৬ জন যাত্রী।

কিন্তু ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যাবে এই ঘটনা কিন্তু প্রথমবার ঘটেছে এমনটা নয়।
ইউক্রেন, মৃত ২৯৮
২০১৪ সালের জুলাইয়ের ১৪ তারিখ আমস্টারডাম থেকে কুয়ালালামপুর যাওয়ার পথে পূর্ব ইউক্রেনের কাছে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের এমএইচ ১৭ মিসাইল হানার কবলে পরে। ১৯৩ জন ডাচ নাগরিক সহ মোট ২৯৮ জন এই ঘটনার জেরে প্রাণ হারান।
পূর্ব ইউক্রেনে ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে কিভ কর্তৃপক্ষ এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী রুশ পন্থী বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালীন মালয়েশিয়ার এই বিমানটি ক্ষেপণাস্ত্র হানার কবলে পড়ে বলে জানা যায়।
সোমালিয়া: মৃত ১১
২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সালে সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশু থেকে উড়ান শুরু কিছুক্ষণ পরেই বেলারুশিয়ান বিমান সংস্থার যুদ্ধ বিমান ইলিউশিন ২-৭৬ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কবলে পড়ে বলে জানা যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ১১ জন যাত্রীর।
সূত্রের খবর, দুর্ভাগ্যবশত ওই ঘটনার দু'সপ্তাহ আগে আরও একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে অপর একটি বিমানের মেরামত করার জন্য বেলারুশিয়ান প্রযুক্তিবিদদের একটি দলকে নিয়ে সফর করছিল ওই বিমানটি।
কৃষ্ণ সাগর: ৭৮ জন নিহত
৪ ই অক্টোবর, ২০০১ সালে তেল আবিব থেকে নোভোসিবিরস্ক যাওয়ার পথে সাইবেরিয়া এয়ারলাইন্স রাশিয়ান টুপোলেভ -১৫৪ কৃষ্ণ সাগরের উপরে ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণের কবলে পড়ে। ক্রিমিয়ার উপকূল থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান প্রায় প্রাণ হারান প্রায় ৭৮ জন যাত্রী।
ইরান: মৃত ২৯০
১৯৮৮ সালের ৩রা জুলাই ইরান এয়ারলাইন্সের এয়ারবাস এ৩০০-র উপর ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। ইরানের বন্দর আব্বাস থেকে দুবাই যাওয়ার পথে পারস্য উপসাগরে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বিমানটি। বিমান থাকা ৬৬ জন শিশু সহ ২৯০ জন যাত্রী সলিল সমাধি হয় এই দুর্ঘটনায়।
সাখালিন, রাশিয়া: মৃত ২৬৯
১ লা সেপ্টেম্বর, ১৯৮৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বোয়িং ৭৪৭-র উফর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় বেশ কয়েকটি সোভিয়েত যুদ্ধবিমানয়। সখালিন দ্বীপে এই দুর্ঘটনায় বিমানর সমস্ত ক্র মেম্বার সহ মোট ২৬৯ জন নিরীহ যাত্রী প্রাণ হারান। এই দুর্ঘটনার পাঁচ দিন পরে দায় স্বীকার করে রাশিয়া।
সিনাই মরুভূমি, মৃত ১০৮
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩ সালে ত্রিপোলি থেকে কায়রো যাত্রাকালে লিবিয়ার আরব এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭২৭ ও একইরকম দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বলে জানা যায়। সিনাই মরুভূমির উপরে ইজরায়েলি যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয় এই বিমানটির উপর। ওই দুর্ঘটনার জেরে ১১২ জন যাত্রীই ঘটনাস্থলে মারা যান।
-
ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ চরমে, গত ২৪ ঘণ্টায় চারটি মার্কিন যুদ্ধবিমানে হামলা, নিখোঁজ চালক -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা? -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক?












Click it and Unblock the Notifications