চলতি অর্থবর্ষেই ৬০ হাজার কর্মী নিয়োগ ই-কমার্স শিল্পে

নাগরিক জীবনে ব্যস্ততা যত বাড়ছে, তত দোকানে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ ঘুরে কেনাকাটার সময় কমছে। বাড়ছে অনলাইনে কেনাকাটা। বিশেষত নবীন প্রজন্ম এখন অনলাইন কেনাকাটায় বিপুলভাবে অভ্যস্ত। আর এখানেই নির্ভর করতে হচ্ছে ই-কমার্স কোম্পানিগুলির ওপর। ফ্লিপকার্ট, স্ন্যাপডিল, জাবং, জোমাটো ইত্যাদির নাম এখন টেক-স্যাভি ছেলেমেয়েরা সব্বাই জানে। ফ্লিপকার্ট, স্ন্যাপডিল এবং জাবংয়ে কী পাবেন না! মোবাইল ফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ, পারফিউম থেকে শুরু করে ঘড়ি, বিছানার চাদর মায় তোয়ালে পর্যন্তও! দেখেশুনে বেছে নিলেই হল! কিংবা ভাবছেন প্রেমিকাকে নিয়ে কোথায় ডিনার খেতে যাওয়া যায়? কেন, জোমাটো আছে তো! আপনার পছন্দের রেস্তোরাঁ বেছে নিন। কিংবা অনলাইনে অর্ডার দিন। ঘরেই চলে আসবে খাবার।
ই-কমার্স কোম্পানিগুলির কাজকর্ম নিয়ে যারা গবেষণা করে, সেই ই-টেইলিং ইন্ডিয়ার কর্ণধার আশিস ঝলানি বলেন, "৬০ হাজার কর্মী নিয়োগটা খুবই রক্ষণশীল হিসেব। আমার ব্যক্তিগত ধারণা, এটা এক লাখে গিয়ে ঠেকবে। যদিও আমার সঙ্গে অনেকে একমত নয়। তারা ৬০ হাজার সংখ্যাটা ধরেই বসে আছে।"
তিনি জানান, এই মুহূর্তে অনলাইন কেনাকাটার পরিমাণ ১২০০ কোটি ডলার। এটা ২০২০ সালে বেড়ে দাঁড়াবে ৭৫০০ কোটি ডলার। সুতরাং, বোঝাই যাচ্ছে কেন নতুন কর্মীদের নিয়োগ করার তোড়জোড় চলছে। শুধু ফ্লিপকার্টই ১২ হাজার কর্মী নিয়োগ করবে। এর মধ্যে ১২০০ ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ হবে। বাকিটা ক্রেতা পরিষেবা, পণ্য সরবরাহ, ডেলিভারি, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি বিভাগে নিয়োগ হবে।
স্ন্যাপডিল আবার ইংরেজির পাশাপাশি হিন্দি ও তামিল ভাষায় পোর্টাল খুলেছে। দেশের অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষাতেও পোর্টাল খোলার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ইংরেজিতে তেমন সড়গড় নন, এমন মানুষদেরও ভালো ক্রয়ক্ষমতা রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট ভাষায় যদি পোর্টাল খোলা যায়, তা হলে সহজেই ব্যবসার প্রসার ঘটবে।












Click it and Unblock the Notifications