কুম্বলেকে পিছনে ফেললেন লামিছানে! সেরা বোলিংয়ের তালিকায় কত নম্বরে নেপালের স্পিনার?

সন্দীপ লামিছানে। নেপালের এই লেগ স্পিনারের বিধ্বংসী বোলিংয়ে নেপাল একদিনের আন্তর্জাতিক সিরিজ জিতেছে পাপুয়া নিউ গিনির বিরুদ্ধে। তার চেয়েও বড় কথা আইপিএলে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসে খেলা লামিছানের বোলিং ফিগার চমকে দিয়েছে অনেককেই। যার সুবাদে তিনি অনেক কিংবদন্তিদের নামের পাশে নিজেকে রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

কুম্বলেকে পিছনে ফেললেন লামিছানে!

(ছবি- সন্দীপ লামিছানে ইনস্টাগ্রাম)

৫০ ওভারের ম্যাচে লামিছানের দুরন্ত বোলিংয়ের সৌজন্য ১৯.১ ওভারে মাত্র ৮২ রানে গুটিয়ে যায় পাপুয়া নিউ গিনি। নেপাল ম্যাচ তথা সিরিজ পকেটে পুরে নেয় ১৫১ রানে জয়লাভের সুবাদে। লামিছানে মাত্র ৫.১ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১১ রান খরচ করে তুলে নেন ৬টি উইকেট। তিনিই ম্যাচের সেরা। সিরিজের প্রথম ম্যাচেও ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান নেপালের এই ২১ বছর বয়সি স্পিনার। সেই ম্যাচে তিনি ১০ ওভারে ৩৫ রানের বিনিময়ে নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। ওই ম্যাচে নেপাল ৬৩ বল বাকি থাকতে জিতেছিল ২ উইকেটে।

১১ রানে ৬ উইকেট নিয়ে লামিছানে একদিনের আন্তর্জাতিকে সেরা বোলিং ফিগারের তালিকায় রয়েছেন ১৪ নম্বরে। অনিল কুম্বলের আগে। ১৯৯৩ সালে কলকাতায় হিরো কাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে অনিল কুম্বলে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন ১২ রান খরচ করে। সেটাই একদিনের আন্তর্জাতিকে তাঁর সেরা বোলিং ফিগার। ফলে লামিছানে ৬ উইকেট নিয়েও কুম্বলের চেয়ে এক রান কম খরচ করে রইলেন ভারতীয় কিংবদন্তির আগেই। তবে লামিছানের ঠিক উপরেই রয়েছেন স্টুয়ার্ট বিনি। যিনি সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন। রজার বিনির পুত্র ৪.৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন মাত্র ৪ রান খরচ করে। ২০১৪ সালে ঢাকায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে।

একদিনের আন্তর্জাতিকে কোনও ম্যাচে সেরা বোলিং ফিগারের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন চামিন্ডা ভাস। শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন এই পেসার ২০০১ সালে কলম্বোয় জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ৮ ওভারে তিনটি মেডেন নিয়ে ১৯ রানের বিনিময়ে ৮ উইকেট দখল করেছিলেন। এ ছাড়া কোনও ম্যাচে ৭ উইকেট দখলের নজির রয়েছে ১১ জন বোলারের। পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শাহিদ আফ্রিদি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে ৯ ওভার বল করে ১২ রানে ৭ উইকেট নেন। ২০০৩ সালে পোচেফস্ট্রুমে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাকগ্রা সাত ওভারে চারটি মেডেন নিয়ে ১৫ রান খরচ করে তুলে নেন ৭ উইকেট। ২০১৭ সালে আফগানিস্তানের রশিদ খান ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ১৮ রানে ৭ উইকেট নেন। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার অ্যান্ডি বিকেল ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২০ রানের বিনিময়ে ৭ উইকেট দখল করেছিলেন। ২০০০ সালে শারজায় ভারতের বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কার মুথাইয়া মুরলীধরন ৭ উইকেট নেন ৩০ রানের বিনিময়ে। এ ছাড়াও যাঁরা একদিনের ম্যাচে সাতটি উইকেট দখল করেছেন তাঁরা হলেন নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি ও ট্রেন্ট বোল্ট, পাকিস্তানের ওয়াকার ইউনিস ও আকিব জাভেদ। ১৯৯১ সালে জাভেদ শারজায় ভারতের বিরুদ্ধে ৩৭ রানে ৭ উইকেট নেন। দক্ষিণ আফ্রিকার ইমরান তাহির ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইনস্টন ডেভিসও সাত উইকেট নিয়েছেন একদিনের ম্যাচে যথাক্রমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+