অঘটনের বিশ্বকাপে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে শেষ ওভারের নাটকে ১ রানে হার পাকিস্তানের
অঘটনের বিশ্বকাপে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে শেষ ওভারের নাটকে ১ রানে হার পাকিস্তানের
বিশ্বকাপে সুপার ১২-এর দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়ের খোঁজ পেল না পাকিস্তান। ভারতের বিরুদ্ধে নাটকীয় শেষ ওভারে চার উইকেটে হারের পর জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ১ রানে পরাজিত হল পাকিস্তান। উল্লেখ্য, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের মতোই জিম্বাবোয়ের বনাম পাকিস্তান ম্যাচের শেষ ওভার ছিল নাটকীয় উপাদানে পরিপূর্ণ।

পারথে আয়োজিত হওয়া এই ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবোয়ের অধিনায়ক ক্রেগ এরভিন। জিতলেও ব্যাট হাতে জিম্বাবোয়ে আহামরি কিছু পারফরম্যান্স করেছে তা বলা যায় না। ২০ ওভারে জিম্বাবোয়ের ইনিংস শেষ হয় ১৩০/৮ রানে। আফ্রিকার দলটির হয়ে সর্বাধিক ৩১ রান করেন সিন উইলিয়ামস। ১৯ রান করেন অধিনায়ক এরভিন। ওয়েসলি মাদিভেরা করেন ১৭ রান। এই তিন ব্যাটসম্যান ছাড়া ব্যাটিং লাইনে জিম্বাবেয়োর কেউই আহামরি কিছু করতে পারেননি। শেষের দিকে রায়ান বুর্ল ১০ রান করেন এবং ব্র্যাড ইভানস করেন ১৯ রান।
পাকিস্তানের হয়ে এই ম্যাচে অসাধারণ বোলিং করেন মহম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র। ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট তিনি সংগ্রহ করেন। শাদাব খানও বেশ ভাল বোলিং করেন। স্পিনিং অলরাউন্ডারটি ৩ উইকেট সংগ্রহ করেন। হ্যারিস রউফ পান ১ উইকেট।
১৩১ রান টি-২০ ক্রিকেটে তোলা কোনও বড় বিষয় নয়, বিশেষ করে আধুনিক ক্রিকেটে যেখানে ২০ ওভারে ২০০ - ২২০ রান হামেশাই উঠছে সেখানে ১২০ বলে ১৩১ রান পাকিস্তানের মতো বিশ্ব ক্রিকেটের প্রথম সারির দল তুলতে পারবে তার আশা করেছিলেন ক্রিকেটপ্রেমী বা ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। তবে, আশা আর বাস্তবতার মধ্যে ফারাক যে একটা রয়েই যায়।
ভারতের ম্যাচের মতোই জিম্বাবয়ের বিরুদ্ধেও দ্রুত আউট হন পাকিস্তানের দুই ওপেনার মহম্মদ রিজওয়ান এবং বাবর আজম। রিজওয়ান ১৪ রান করে আউট হন। অধিনায়ক বাবর আজম আউট হন ৪ রানে। টালমাটাল পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের ভার আবারও গিয়ে পড়ে শান মাসুদ এবং ইফতিখার আহমেদের উপর। এই দুই ব্যাটসম্যানই পাকিস্তানকে শেষ বল পর্যন্ত লড়াইয়ে টিকে থাকতে সাহায্য করেছিল ভারতের বিরুদ্ধে। এ দিনও তাঁদের উপরই ছিল দলকে জেতানোর দায়িত্বা। শান মাসুদ ৪৪ রান করলেও ইফতিখার আহমদ ৫ রান করেন। শাদাব খান পাঁচ নম্বরে ব্যাটিং করতে এসে করেন ১৭ রান। শাদাব আউট হওয়ার পরের বলেই আউট হন হায়দার আলি (০)। মহম্মদ নাওয়াজ এবং মহম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র যথাক্রমে ২২ রান এবং ১২ রান করেন। জিম্বাবোয়ের হয়ে তিন উইকেট নেন সিকান্দার রাজা। ২ উইকেট পান ব্র্যাড ইভানস। একটি করে উইকেট পান ব্লেসিং মুজারাব্বানি এবং লুক জংগি।












Click it and Unblock the Notifications