Yuzvendra Chahal: আরসিবি কথা রাখেনি! প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের বিস্ফোরক অভিযোগ চাহালের
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গের বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন যজুবেন্দ্র চাহাল। কথা দিয়েও তাঁকে দলে রাখেনি দক্ষিণী ফ্রাঞ্চাইজিটি। এমনই চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেছেন ভারতীয় দলের স্পিনার।
২০১১ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে খেলার পরে ২০১৪ সালে আরসিবিতে নাম লেখান চাহাল। এরপর থেকে ৮মরসুম ২০২১ সাল পর্যন্ত, ব্যাঙ্গালোরের হয়ে খেলেছিলেন তারকা স্পিনার।
একটি সাক্ষাতকারে চাহাল জানিয়েছেন, আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে প্রায় ১৪০টি ম্যাচ খেলেছিলেন। এরপরে তিনি আশা করেছিলেন যে তাঁকে হয়তো টিম ম্যানেজমেন্ট রেখে দেবে। ২০২২ সালের নিলামের আগে টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে রিটেন করার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল।

চাহালের অভিযোগ শেষ পর্যন্ত কথা দিয়ে কথা রাখেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের টিম ম্যানেজমেন্ট।
দীর্ঘ সময় দলের জার্সিতে নিজের সেরাটা দেওয়ার পর আরসিবির ব্যবহার যে কষ্ট দিয়েছিলো, তা স্বীকার করে নিলেন হরিয়ানার লেগস্পিনার। সম্প্রতি একটি সাক্ষাতকারে সেই বিষয়েই মুখ খুলেছেন চাহাল।
এই প্রসঙ্গে চাহাল বলেন, "নিশ্চিতভাবে টিম ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্তে আমি খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। আমার সূচনা হয়েছিল আরসিবি থেকে। আটটা বছর এই দলে কাটিয়েছি। আরসিবি আমাকে সুযোগ দিয়েছিল বলেই আমি ভারতীয় দলে খেলতে পেরেছিলাম। প্রথম ম্যাচ থেকেই বিরাট ভাই ভরসা দিয়েছিলেন। আট বছর কোনও দলে কাটানোর পর সেটা পরিবার হয়ে ওঠে। খারাপ লাগে তারপর দলে না রাখা হলে প্রতিশ্রুতি দিয়েও।'

আরসিবি জার্সিতে সবচেয়ে বেশী উইকেট নেওয়া চাহালকে ২০২২ সালে রিটেন করেনি টিম ম্যানেজমেন্ট।বিরাট কোহলি , গ্লেন ম্যাক্সওয়েল এবং মহম্মদ সিরাজকে ২০২২-এর মেগা নিলামের আগে ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয় ব্যাঙ্গালোর দল। নিলামের টেবিলে তুলে দেয় দলের অন্যতম বোলিং ভরসা যজুবেন্দ্র চাহালকে ।
এরপর তাঁকে দলে নেয় রাজস্থান রয়্যালস। ২০২২ সালের আইপিএল ফাইনালে খেতাবী যুদ্ধে গুজরাত টাইটান্সের কাছে হারতে হয়েছিল রাজস্থানকে। কিন্তু মরসুমটি স্মরণীয় হয়ে ছিল যজুবেন্দ্র চাহালের জন্য। ২৭ উইকেট তুলে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর বেগুনি টুপি জেতেন তিনি।

২০২৩ সালেও বেশ ভালো পারফর্ম্যান্স করেন চাহাল। ১৪ ম্যাচ খেলে তাঁর সংগ্রহে যায় ২১ উইকেট। সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকায় ফের তিন জায়গা করে নেন প্রথম পাঁচের মধ্যে। পেশাদারিত্বের যুগেও অনেকসময়ই আবেগ থাকে ক্রিকেটারদের। সেই আবেগ মূল্য না পেলে কষ্ট দেয় সবাইকেই। ব্যতিক্রম কেনই বা হবেন ক্রিকেটাররা।












Click it and Unblock the Notifications