ইয়ো ইয়ো বললে আর হানি সিং নয়, মনে পড়বে অন্য কথা, বুঝিয়ে দিল বিসিসিআই
ভারতীয় বোর্ডের নিদান, ইয়ো ইয়ো টেস্ট আবশ্যিক, জানিয়ে দিলেন বোর্ডের সিইও রাহুল জোহরি
ভারতীয় ক্রিকেটে ইয়ো ইয়ো এনডিওর্যান্স টেস্ট আবশ্যিক করে দিল বিসিসিআই। বিরাট কোহলি জাতীয় দলের অধিনায়ক হওয়ার পর থেকে ফিটনেসে জোর দিয়েছেন। ইয়ো ইয়ো টেস্টও বেশকিছুদিন ধরেই পাস করতে হয়। তবে এবার বোর্ডের সিইও রাহুল জোহরি জানিয়ে দিলেন এবার থেকে এই টেস্ট না পাস করলে জাতীয় দলে খেলা হবে না।

চোট না থাকা এবং ফর্মে থাকাটা যতটা গুরুত্বপূর্ণ হবে ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ হবে এই ইয়ো ইয়ো টেস্ট জানিয়েছেন রাহুল জোহরি। জোহরি বলেছেন, 'অধিনায়ক, কোচ , নির্বাচক প্রধান , সমস্ত সাপোর্ট স্টাফদে সঙ্গে কথা বলে ফিটনেসের নতুন প্যারামিটার বানিয়েছেন। খেলোয়াড়দের নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে এই প্যারামিটার কোনওভাবেই ভাঙা হবে না। '
শুধু টি-টোয়েন্টি বা একদিনের ক্রিকেটেই নয়, টেস্ট সিরিজেও এই ফিটনেস লেভেল বজায় রাখতে হবে। ভারতীয় দল ইয়ো ইয়ো টেস্ট মিনিমাম স্কোর হতে হয় ১৯.৫। দলের হয়ে ইয়ো ইয়ো টেস্টে বিরাট কোহলির স্কোর ২১ -র বেশি। সেটাই দলের হয়ে সর্বোচ্চ।

কীভাবে হয় এই ইয়ো ইয়ো টেস্ট জানেন। কোণের সাহায্যে ২০ মিটার দূরে লাইন বানানো হয়। একটা লাইনের পিছনে দাঁড়িয়ে থাকেন প্লেয়ার। দুদিকে কোণ দিয়ে বানানো লাইনের মধ্যে দিয়ে দৌড়তে থাকেন। বিপ ফের বাজলেই ঘুরে আসতে হয়। এক একটা মাত্রায় এক একটা রেখা বানানো হয়। একটা টাইমের মধ্যে ওই রেখায় পৌঁছতে হয়। যদি টাইমের মধ্যে প্রথম রেখায় না পৌঁছনো যায় তাহলে পরের দুটো রেখায় পৌঁছনোর মধ্যে সেই টাইমগ্যাপ মানিয়ে নিতে হয়। পুরো প্রকিয়াটি নির্ধারিত হয় কম্পিউটার সফটওয়ারের মাধ্যমে। প্রথমে দৌড়নোর গতিবেগ থাকে অনেকটা জগিংয়ের মত। কিন্তু যত সময় যায় তত তাড়াতাড়ি বিপ হতে থাকে এবং তার মধ্যে ফির আসতে হয় নির্ধারিত লক্ষ্যে।
প্রাথমিকভাবে ইয়ো ইয়ো টেস্টকে যেমন আবশ্যিক করা হচ্ছে , ঠিক তেমনি এরপর আরও ফিটনেস সংক্রান্ত প্যারামিটার বাড়ানো হবে।












Click it and Unblock the Notifications