WTC final: লাল বাজারের ‘নজরে’ এবার শুভমান গিলের বিতর্কিত ক্যাচ!
কলকাতা পুলিশের আতস কাঁচের নীচে শুভমান গিলের বিতর্কিত ক্যাচ। না আইসিসির তদন্তের আওতায় এখনই ঢুকে পড়ছে না লালবাজার। তবে গিলের বিতর্কিত ক্যাচে ব্যবহার করেই সচেতনতার বার্তা দিল কলকাতা পুলিশ।
কলকাতা পুলিশ গ্রিনের সেই বিতর্কিত ক্যাচ তালুবন্দি করার একটি ছবি দিয়েছে সমাজমাধ্যমে। এই ছবির বার্তায় লেখা হয়েছে, ''তৃতীয় চোখের ভুল শোধরানো দায়। তবে টাকা খোয়া গেলে ফেরত আনা যায়।'' ছবির নীচে লেখা 'অ্যান্টি ব্যাঙ্ক ফ্রড'। একটি হেল্পলাইন নম্বরও দিয়েছে কলকাতা পুলিশ। সেটি হল- ৮৫৮৫০৬৩১০৪। অর্থ্যাত ব্যাঙ্ক জালিয়াতি কাণ্ড থেকে মানুষকে সচেতন করতেই বিশেষ এই পোস্ট করেছে কলকাতা পুলিশ।

যদি ব্যাঙ্ক প্রতারণার শিকার হন, তা হলে কলকাতা পুলিশের সাহায্য নিতে পারেন। প্রতারিত ব্যক্তির টাকা ফেরত পাওয়ার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ। কয়েকদিন আগেই আর্থিক প্রতারণার শিকার হন প্রাক্তন ফুটবলার সুব্রত ভট্টাচার্য।

ম্যাচের চতুর্থ দিনে ভারতীয় দলের দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিংয়ের অষ্টম ওভারের প্রথম বলে স্কট বোল্যান্ডের ডেলিভারি গিলের ব্যাট ছুঁয়ে চলে যায় স্লিপে। বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে ক্যামেরন গ্রিন ক্যাচটি ধরেন। আম্পায়াররা নিশ্চিত হওয়ার জন্য তৃতীয় আম্পায়ারের কোর্টে বল পাঠান। কিন্তু সিদ্ধান্ত অজিদের পক্ষেই যায়। এরপর থেকেই বিতর্ক চরমে উঠে।
🔎🔎🤦🏻♂️ pic.twitter.com/pOnHYfgb6L
— Shubman Gill (@ShubmanGill) June 10, 2023
সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব গিল নিজেও। গ্রিনের ক্যাচ ধরার মুহূর্তের ছবিটি টুইটারে পোস্ট করেন, ক্যাপশনে কিছু না লিখলেও দুটি আতস কাচের এবং হতাশাগ্রস্থ মুখের ইমোজি পোস্ট করেন। মুখে কিছু না বললেও গিল টুইট বার্তার মধ্য দিয়েই নিজের হতাশার মনোভাব ব্যক্ত করলেন।
গ্রিন আবার দাবি করেছেন যে তিনি ক্যাচ ঠিক মতোই ধরেছিলেন। অসি ক্রিকেটার বলেছেন, ''শুভমনের ক্যাচটা ঠিক ভাবেই ধরেছি। আমার সেটাই মনে হয়েছে। সেই মুহূর্তেও ক্যাচ ধরে আত্মবিশ্বাসী ছিলাম।'
তবে সব কিছুকে ছাপিয়ে অন্যমাত্রা পেল কলকাতা পুলিশের পোস্ট।












Click it and Unblock the Notifications