WTC Final: অস্ট্রেলিয়া একাদশ বাছাই নিয়ে দোলাচলে, স্মিথ সমীহ করছেন ভারতের কোন দুই পেসারকে?
ভারতের বিরুদ্ধে নামার আগে অস্ট্রেলিয়া শিবির যে খুব স্বস্তিতে আছে তা নয়। ভারতে ফেব্রুয়ারি-মার্চে টেস্ট সিরিজে পিছিয়ে পড়ার পর মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে দেশে ফিরেছিলেন প্যাট কামিন্স। তাঁর জায়গায় নেতৃত্ব দেন স্টিভ স্মিথ।
স্মিথের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়া টেস্ট জিতলেও সিরিজ হার এড়াতে পারেনি। এবার ক্যাপ্টেন্সির ব্যাটন কামিন্সের হাতে। স্টিভ স্মিথ আজ ওভালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অস্ট্রেলিয়ার ভালো ফলের বিষয়ে আত্মবিশ্বাস স্পষ্ট করলেন।

ওভালে নামার আগে ছিটকে গিয়েছেন জশ হ্যাজলউড। ভারতের প্রাক্তন হেড কোচ তথা অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি গ্রেগ চ্যাপেল আগে বলেছিলেন, শুভমান গিল অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের কাছে চ্যালেঞ্জিং হতে পারেন। তাঁকে দ্রুত ফেরানোর জন্য হ্যাজলউডে আস্থা ছিল চ্যাপেলের। হ্যাজলউডের জায়গায় দলে এসেছেন মাইকেল নেসের।
ভারতীয়দের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়া চার পেসারেই নামবে। প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, ক্যামেরন গ্রিন রয়েছেন। স্কট বোল্যান্ড ও নেসেরের মধ্যে কোনও একজন সম্ভবত একাদশে থাকবেন। স্পিনার হিসেবে থাকছেন নাথান লিয়ঁ। ভারতে ভালো বোলিং করলেও টড মার্ফির ওভাল টেস্টের একাদশে থাকার সম্ভাবনা নেই।
নেসের একাদশে থাকতে পারেন। স্টিভ স্মিথ এদিন বলেন, নেসের কোয়ালিটি পারফর্মার। আমার আস্থা রয়েছে তাঁর উপর। গ্ল্যামারগনের বিরুদ্ধে কাউন্টিতে তাঁর বোলিং সামলাতে গিয়ে দেখেছি ভালো বোলিং করছেন। পাটা উইকেটে তিনি ভালো ইনস্যুইঙ্গার দিয়ে থাকেন বলেও জানিয়েছেন স্মিথ।

সেই সঙ্গে ব্যাটিংয়ের হাতও ভালো নেসেরের। ফলে সুযোগ পেলে তিনি তা ভালোভাবেই কাজে লাগাবেন বলে নিশ্চিত স্মিথ। বোল্যান্ডকে নিয়ে তিনি বলেন, সিম পজিশন ভালো রেখে তিনি ভালো লাইন, লেংথে বল করেন। স্যুইং করাতেও পারদর্শী। তিনিও সুযোগ পেলে ভারতীয়দের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবেন।
ভারতের বোলিং আক্রমণকে সমীহ করছেন স্মিথ। তিনি বলেন, ভারতীয় দলেও বৈচিত্র্যপূর্ণ সিমাররা রয়েছেন। তবে ভারতীয় বোলিংয়ের প্রধান দুজন হলেন মহম্মদ শামি ও মহম্মদ সিরাজ। ডিউকস বলে ভালো বোলিং করার দক্ষতা তাঁদের রয়েছে। স্পিনাররাও যে কোনও কন্ডিশনে ভালো বোলিং করতে পারদর্শী।

ভারতের বিরুদ্ধে ভালো খেলেই বাজিমাতের বিষয়ে আশাবাদী স্মিথ। অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স আইপিএলেও খেলেননি। অনেক ক্রিকেটার সম্প্রতি ম্যাচও খেলেননি। ওভালের ফাইনালের আগে প্রস্তুতি ম্যাচ পেলে ভালো হতো। কিন্তু তা না পেলেও কোনও অসুবিধা হবে না বলেই দাবি কামিন্সের।
তিনি বলেন, ২ মাসে ৬টি টেস্ট খেলতে হবে। আমরা সচরাচর বিশ্রাম পাই না। তাই সুযোগ পেলে তা নিই। দেশে থাকাকালীন সকলেই অনুশীলন করেছেন। ইংল্যান্ডের বেকেনহ্যামেও আমরা ভালো প্রস্তুতি সেরেছি। অতিরিক্ত ম্যাচ খেলে ক্লান্ত হওয়ার চেয়ে বিশ্রাম নেওয়া ভালো বলেই মনে করেন অজি অধিনায়ক।












Click it and Unblock the Notifications