WTC Final: অস্ট্রেলিয়া কেন ভারত সম্পর্কে মানসিকতা বদলে বাধ্য হয়েছে? বিরাট জানালেন মূল কারণ
বিরাট কোহলি ভারত অধিনায়ক হিসেবে দেশকে আইসিসি ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন করাতে পারেননি। ওভালে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে তিনিই অধিনায়ক রোহিত শর্মার অন্যতম সেরা বাজি।
ব্যাট হাতে নিজে ছন্দে ফিরেছেন। রানের মধ্যে ফিরেছেন। মিটেছে তিন বছর ধরে চলা শতরানের খরা। আগের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বিরাট কোহলির ভারত পরাস্ত হয়েছিল নিউজিল্যান্ডের কাছে। এবার খেতাব জয়ের বিষয়ে বিরাট আত্মবিশ্বাসী।

প্রথম দেশ হিসেবে ভারত বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলছে পরপর ২ বার। বিরাট বলেন, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের খেতাব জয়ের লড়াইয়ে দুটি দেশ নিরপেক্ষ দেশে খেলছে, এটাই সবচেয়ে ভালো দিক। পরিবেশ, পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার মধ্যে যে সাফল্যের চাবিকাঠি লুকিয়ে সেটা বুঝিয়ে দেন কোহলি।
স্টার স্পোর্টসে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিরাট বলেন, ওভালে ব্যাট করার সময় সব সময় কন্ডিশন একরকম থাকে না। পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিয়ে সেইমতো খেলতে হবে। দুই দলের হাতেই খেতাব জিততে একটি ম্যাচই রয়েছে। যাঁরা দ্রুত সব কিছুর সঙ্গে মানিয়ে নেবে তারাই এগিয়ে থাকবে। ভারতের প্রস্তুতি নিয়ে খুশি বিরাট।

ভারত-অস্ট্রেলিয়া দ্বৈরথের উত্তাপের কথাও উঠে এসেছে কোহলির কথায়। ২০১৮-১৯ ও ২০২০-২১ মরশুমে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ভারতের সিরিজ জয়ের পর থেকেই উত্তাপের পরিবেশ বদলে সমীহ, সম্মান, সম্ভ্রমের বিষয়টিই বেশি করে সামনে এসেছে বলে উপলব্ধি কোহলির।

বিরাটের নেতৃত্বে ভারত ২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ জিতেছিল। পরের সফরে কন্যার জন্মের আগে দেশে ফিরেছিলেন কোহলি। তাঁর জায়গায় নেতৃত্ব দিয়ে ২-১ ব্যবধানে ভারত সিরিজ জিতেছিল অজিঙ্ক রাহানের অধিনায়কত্বে। ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ চলাকালীন সম্মান প্রদর্শন ও স্পোর্টসম্যানশিপ ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন বিরাট।
তারপর থেকে বিরাট ও স্টিভ স্মিথের বন্ধুত্ব নিবিড়ও হয়েছিল। বিরাট বলেন, ভারত-অস্ট্রেলিয়ার দ্বৈরথ খুবই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতো। উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হতো। আমরা অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে ২টি সিরিজ জেতার পরই টেনশন কমে পারস্পরিক শ্রদ্ধা বেড়ে গিয়েছে। টেস্ট টিম হিসেবে আমাদের কেউ হাল্কাভাবে নিতে পারে না।

বিরাটের কথায়, ভারতীয়দের প্রতি প্রতিপক্ষের সম্মানের বিষয়টি হামেশাই দেখা যায়। বিদেশে গিয়েও আমরা যে জোর লড়াই দিতে পারি, সেটা সকলেই বুঝে গিয়েছে। সে কারণেই কেউ হাল্কাভাবে নিতে পারে না। আগে যে টেনশনের আবহ থাকতো, এখন আর তা নেই। অস্ট্রেলিয়া-সহ যে কোনও দেশকে যে কোনও জায়গায় ভারত সমকক্ষ হয়েই চ্যালেঞ্জ দিতে প্রস্তুত, বুঝিয়ে দেন বিরাট।












Click it and Unblock the Notifications