Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগের নিলাম নভেম্বরে, তিন ফ্র্যাঞ্চাইজি সন্তুষ্ট নয়

মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগের পরবর্তী সংস্করণটি হবে আগামী বছর। তার আগে চলতি বছরের নভেম্বরে ডব্লিউপিএলের মেগা নিলাম আয়োজন করতে চলেছে বিসিসিআই।

নভেম্বরের শেষ দিকে এই নিলাম হতে পারে। যদিও ইএসপিএনক্রিকইনফোর দাবি, পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে তিনটিই মেগা নিলামের পক্ষে নয়।

ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিকে মেগা নিলামের বিষয়ে জানানো হলেও এখনও স্পষ্ট নয় কতজন প্লেয়ার ধরে রাখা যাবে, বাজেট কত হবে, রিটেনশন স্ল্যাব এবং রাইট-টু-ম্যাচ (RTM) কার্ডের সংখ্যা কত থাকবে। এসব সিদ্ধান্ত WPL কমিটি চূড়ান্ত করবে। ২০২৬ সালের WPL-এর তারিখও এখনও ঘোষিত হয়নি। যদিও বিসিসিআই আগে জানিয়েছিল যে টুর্নামেন্টটি জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে।

জানা যাচ্ছে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও দিল্লি ক্যাপিটালস মেগা নিলামের পক্ষে ছিল না। এই তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি যুক্তি দেখিয়েছে যে তারা গত তিন মরশুমে অনেক পরিশ্রম করে দল গঠন করেছে এবং যখন WPL ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে তখন দল ভেঙে দিলে তা ক্ষতিকারক হতে পারে।

তবে, অন্য দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি, গুজরাট জায়ান্টস এবং ইউপি ওয়ারিয়রজ মেগা নিলামকে সমর্থন করছে। এই দুটি দল কখনও ফাইনালে উঠতে পারেনি এবং তারা তাদের দল ঢেলে সাজাতে আগ্রহী। একজন WPL কর্মকর্তা বলেছেন যে, তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজির উদ্বেগ তাঁরা বুঝতে পারছেন, কিন্তু টুর্নামেন্টে পাঁচটি শক্তিশালী দল থাকা জরুরি। অন্যথায়, ভারসাম্যহীনতা ব্র্যান্ডের ক্ষতি করতে পারে।

ওই কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেছেন যে, আরসিবি আইপিএলে প্রমাণ করেছে যে তারা খেলোয়াড় ধরে রাখা ছাড়াও তাদের ব্র্যান্ড পরিচয় গড়ে তুলতে পারে। যদিও তাঁরা স্বীকার করেছেন যে, ভারতীয় তারকা বিরাট কোহলির উপস্থিতি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে বেশ উপকৃত করেছে। তবে WPL নিশ্চিত করবে যাতে দলগুলো তাদের মূল খেলোয়াড়দের ধরে রাখার সুযোগ পায়।

কিছু দল কমপক্ষে ছয় বা সাতজন খেলোয়াড় ধরে রাখার পক্ষে থাকলেও, WPL সম্ভবত পাঁচজনের দিকে ঝুঁকছে। রিটেনশন ফর্মুলার অংশ হিসেবে প্রতিটি দল নিলামে কতগুলো RTM ব্যবহার করতে পারবে এবং কতজন ক্যাপড ও আনক্যাপড খেলোয়াড়ের সমন্বয় থাকবে, তাও নির্ধারণ করতে হবে।

২০২৫ সালের আইপিএল মেগা নিলামে, ১০টি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে রিটেনশন এবং RTM-এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ ছয়জন করে খেলোয়াড় ধরে রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে সর্বোচ্চ পাঁচজন ক্যাপড খেলোয়াড় (ভারতীয়/বিদেশি) এবং সর্বোচ্চ দুজন আনক্যাপড ভারতীয় খেলোয়াড় থাকতে পারতেন। RTM বিকল্পটি একটি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে নিলাম শেষ হওয়ার পর অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজির করা সর্বোচ্চ বিডের সাথে মিলে খেলোয়াড়কে পুনরায় কেনার সুযোগ দেয়। WPL নিলামে RTM নিয়ম কখনও ব্যবহার করা হয়নি।

WPL মেয়েদের ক্রিকেটে একটি "গেমচেঞ্জার" হিসাবে উপস্থাপিত হয়েছে। বিশেষ করে খেলোয়াড়দের আর্থিক সুবিধার কারণে। ২০২৩ সালে, ভায়াকম১৮ ২০২৩ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত ৯৫১ কোটি টাকা (প্রায় ১১৬.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) দিয়ে WPL-এর সম্প্রচার স্বত্ব কিনেছিল। প্রতি ম্যাচের মূল্য ছিল ৭.০৯ কোটি টাকা (প্রায় ৮৬৬,০০০ মার্কিন ডলার)। ভারতের তারকা ব্যাটার স্মৃতি মান্ধানা, যিনি ২০২৩ সালের উদ্বোধনী WPL নিলামে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিক্রি হয়েছিলেন, তিনি এখনও পর্যন্ত ৩.২ কোটি টাকা (প্রায় ৪১৫,০০০ মার্কিন ডলার) পেয়ে সবচেয়ে ব্যয়বহুল খেলোয়াড়ের রেকর্ড ধরে রেখেছেন।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+