করোনার জেরে আইপিএল একান্তই না হলে ক্ষতি হবে কত? দেখে নেওয়া যাক সংখ্যা

করোনার জেরে আইপিএল একান্তই না হলে ক্ষতি হবে কত?

করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ১৭ দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে আইপিএল। তবু পরিস্থিতি এমন যে পিছিয়েও টুর্নামেন্ট আয়োজন করা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে ভাবনায় পড়েছে বিসিসিআই। মারণ ভাইরাসের প্রভাবে আইপিএল একান্তই না হলে, কত টাকার ক্ষতি হবে, তা এক নজরে দেখে নেওয়া যাক।

স্থগিত আইপিএল

স্থগিত আইপিএল

২৯ এপ্রিল শুরু হওয়ার কথা ছিল ২০২০-র আইপিএল। কিন্তু করোনা ভাইরাসের জেরে টুর্নামেন্ট পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিসিসিআই জানিয়েছে যে ১৫ এপ্রিল থেকে আইপিএল শুরু করতে চায় তারা। যদি টুর্নামেন্টের পরিবর্তিত সূচি এখনও প্রকাশ করেনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। করোনার জেরে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তাতেই বিসিসিআই আটকে রয়েছে বলে মনে করছে ক্রীড়া মহল।

এই পরিস্থিতিতে কী কী হতে পারে

এই পরিস্থিতিতে কী কী হতে পারে

১) করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ প্রভাবে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে আইপিএল।

২) ১৫ এপ্রিল থেকে আইপিএল শুরু হলেও, ম্যাচগুলি দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হতে পারে।

৩) আপদকালীন পরিস্থিতিতে আইপিএল চালু রাখার জন্য টুর্নামেন্টের সূচি কেটে অর্ধেক করতে পারে বিসিসিআই। ৬০-র পরিবর্তে ৩০ বা ৩২-এ দাঁড়াতে পারে আইপিএলের ম্যাচ সংখ্যা।

৪) করোনার আতঙ্কে আইপিএল দ্রুত শেষ করার জন্য টুর্নামেন্টে ডবল হেডার বা একই দিনে দুটি ম্যাচের সংখ্যা বাড়তে পারে। ট্রিপল হেডার বা একই দিনে তিনটি ম্যাচ আয়োজন করার কথাও ভাবছে বিসিসিআই।

৫) ২০০৯-র মতো ভারতের পরিবর্তে অন্য কোনও দেশে বসতে পারে আইপিএলের আসর।

৬) এপ্রিল-মের পরিবর্তে জুলাই-সেপ্টেম্বরেও পিছিয়ে নিয়ে যাওয়া হতে পারে আইপিএল।

৭) ভিসা সমস্যা ও নিজ নিজ দেশের ক্রিকেট বোর্ডের আপত্তিতে বিদেশি ক্রিকেটারদের ছাড়াই হতে পারে এবারের আইপিএল।

ক্ষতি হবেই

ক্ষতি হবেই

আইপিএল বন্ধ হোক কিংবা সূচি ছোট করা হোক, এমনকী টুর্নামেন্ট আরও পিছিয়ে দিলেও বড় অঙ্কের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে বিসিসিআই-কে। সেই ক্ষতি চাপা দেওয়া মুশকিল হতে পারে।

এপ্রিল থেকে জুন

এপ্রিল থেকে জুন

এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে আইপিএল আয়োজন করার সুযোগ পাওয়া গেলে এবং টুর্নামেন্ট নির্ধারিত ৬০ ম্যাচের হলে আর্থিক ক্ষতি কিছুটা কম হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রাইম টাইম না পাওয়ার কারণে স্পনসর ভিসিবিলিটি, ব্রডকাস্টারদের অ্যাডভার্টাইজিং রেভেনিউ অনেকটাই কম উঠবে বলে আশঙ্কা। দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে ম্যাচ হলে টিকিট থেকে উপার্জনের সুবিধা তো থাকছেই না। আইপিএলে ব্রডকাস্টারদের হাত ধরে থেকে প্রতি বছর প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা উপার্জিত হয়। তাতে ঘাটতি হবে বইকি।

ম্যাচের সংখ্যা কমে গেলে

ম্যাচের সংখ্যা কমে গেলে

আইপিএলে ম্যাচ সংখ্যা কমে গেলে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যাবে বলে আশঙ্কা। এই ক্ষতির আঁচ টুর্নামেন্টের স্টেক হোল্ডার, ক্রিকেটারদের গায়ে সরাসরি গিয়ে লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ২০২০ আইপিএলের পুরো মরশুমের জন্য ৯০ শতাংশ বিজ্ঞাপনের স্টক বিক্রি করে দিয়েছে ব্রডকাস্টাররা। সেগুলি ফেরাতে হবে। সেই সব বিজ্ঞাপনের জন্য নতুন স্লটও খুঁজতে হবে। সেক্ষেত্রেও রেভেনিউ উপার্জন কম হওয়ায় ক্রিকেটারদের বেতনে কাটছাঁট হতে পারে বলে আশঙ্কা।

আইপিএল বন্ধ হয়ে গেলে

আইপিএল বন্ধ হয়ে গেলে

আইপিএলের বিজ্ঞাপন ও ডিস্ট্রিবিউশন বাবদ প্রায় ৩৩০০ কোটি টাকা বিসিসিআই-কে দিতে পারবে না মেন ব্রডকাস্টার স্টার। চুক্তি অনুযায়ী বোর্ডকে ৪৩৯ কোটি টাকা দিতে পারবে না স্পনসর ভিভো। সেন্ট্রাল স্পনসরাররাও বিসিসিআই-কে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা দিতে পারবে না বলে আশঙ্কা।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+