Mukesh Kumar: দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুশীলনের সময় কী পরামর্শ দিয়েছিলেন রোহিত? সিরিজ শেষে অকপটে জানালেন মুকেশ
প্রথম টেস্টে স্কোয়াডে জায়গা না হলেও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে সুযোগ পান বাংলার মুকেশ কুমার। কেপটাউনের সবুজ উইকেটে সিরাজ-বুমরাহ দুই ইনিংসে ছয়টি উইকেট নিয়েছিলেন। তারই মধ্যে নিজের জাত চিনিয়েছেন বাংলা দলের ক্রিকেটার। প্রথম ইনিংসে ০ রানেই ২ উইকেট নিয়েছেন। দ্বিতীয় ইনিংসেও তাঁর দখলে দুই উইকেট। সিরিজ শেষে সাফল্যের রহস্য ফাঁস করলেন মুকেশ।
সিরিজ শেষে মুকেশ জানিয়েছেন, আমি মনে করি, টিম ম্যানেজমেন্টের দেওয়া দায়িত্ব আমি পালন করতে পেরেছি। আমি আমার বোলিং নিয়ে সন্তুষ্ট এবং সবচেয়ে ভালো দিক হল আমি কঠোর পরিশ্রম করেছি এবং আমার সেরাটা দিয়েছি। ভারতীয় পিচের তুলনায় এই ধরনের ট্র্যাকে বোলিং করার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে।'

সেঞ্চুরিয়নে ভারত হারার দুদিন পর, মুকেশ এক ঘণ্টা নেটে অধিনায়ক রোহিত শর্মার কাছে বোলিং করেন। ওই সময় অধিনায়কের থেকে কী পরামর্শ পেয়েছিলেন? মুকেশের কথায়, "আমি যখন নেটে মতামত চাই তখন অধিনায়ক সবসময় বল করার জায়গা সম্পর্কে আমাকে বলতেন। নেটে সমব সময় রোহিত শর্মা আমাদের বলতেন কোনও জায়গায় বল ফেলতে হবে?'
একইসঙ্গে মুকেশের সংযোজন, 'শুধু আমি নয় আমরা যখনই নেটে বোলিং নিয়ে কোনও মতামত চাইতাম তখন বলের এরিয়া নিয়েই কথা বলতেন রোহিত শর্মা। এটা আমাদের অনেক সাহায্য করত।'
বিহাররে গোলাপগঞ্জের বাসিন্দা হলেও মুকেশের ক্রিকেটের যাত্রাপথ জুড়ে শুধুই কলকাতা। সিএবির ভিশন ২০-২০ প্রকল্প থেকেই উদয় হন মুকেশ। এরপর বাংলা দলেও সুযোগ পান। নিজের যাত্রাপথে রণদেব বসুর ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন ভারতীয় দলের এই ক্রিকেটার।
মুকেশের কথায়, "একজন ফাস্ট বোলার হিসেবে আমার উন্নতিতে রণদেব বসুর অপরিসীম অবদান রয়েছে। এনসিএ-র কোচ এবং তিনি (রণদেব বসু) এমন লোক যারা আমি আমার বোলিং নিয়ে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হলেই আমি তাঁদের থেকে অনেক সাহায্য পেয়েছি।' সাফল্যের দিনেও মুকেশ তার প্রথম কোচকে শ্রদ্ধা এবং স্নেহের সাথে স্মরণ করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications