ভারতের কাছে কোনও পরিস্থিতিই আর চ্যালেঞ্জিং নয়, সেন্টার অব এক্সেলেন্সেই সব ব্যবস্থা, দাবি লক্ষ্মণের
BCCI Centre of Excellence: ন্যাশনাল ক্রিকেট আকাদেমির নতুন অবতার বিসিসিআই সেন্টার অব এক্সেলেন্স। বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরের কাছে অত্যাধুনিক পরিকাঠামোর উদ্বোধন করেছেন বিসিসিআই কর্তারা।
সেন্টার অব এক্সেলেন্স প্রধান ভিভিএস লক্ষ্মণ দাবি করলেন, এখানে যা ব্যবস্থা রয়েছে তাতে দেশে তো বটেই, কোনও পরিস্থিতিই আর ক্রিকেটারদের চ্যালেঞ্জিং হবে না। চিন্তামুক্ত থেকেই খেলা যাবে।

আন্তর্জাতিক খেলার উপযুক্ত মাপের তিনটি মাঠ রয়েছে সেন্টার অব এক্সেলেন্সে। ৮৬টি পিচ রয়েছে, যা ভারতের বিভিন্ন স্টেডিয়ামের মতো বটেই, বিদেশের মাঠের মতোও। গ্রাউন্ড এ-তে রয়েছে ৮৫ ইয়ার্ডের বাউন্ডারি। সেখানে রয়েছে মুম্বইয়ের লাল মাটির তৈরি ১৩টি পিচ, যাতে ভালো বাউন্স থাকবে।
এই পিচগুলি অনেকটা চেন্নাইয়ে ভারত-বাংলাদেশ টেস্টের মতো। মনে করা হচ্ছে, লাল মাটির পিচে অনুশীলন করলে ভারতের অস্ট্রেলিয়ায় বাউন্সি পিচে খেলা সহজ হবে। এখানে রয়েছে হেরিংবোন ড্রেনেজ সিস্টেম। উন্নত নিকাশি ব্যবস্থায় বৃষ্টি হলেও দ্রুত মাঠ খেলার উপযুক্ত তোলা সম্ভব।
গ্রাউন্ড এ-তে রয়েছে ফ্লাডলাইট, সম্প্রচারের স্টেট অব দ্য আর্ট বন্দোবস্ত। এখানে যে কোনও হাই প্রোফাইল ম্যাচও আয়োজন করা যেতে পারে। গ্রাউন্ড বি ও গ্রাউন্ড সি-কে অনুশীলনের জন্যই আপাতত ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। এখানে রয়েছে ৭৫ ইয়ার্ডের বাউন্ডারি।
এই মাঠগুলিতে ১১টি মাণ্ড্য মাটির পিচ রয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে ৯টি ব্ল্যাক কটন সয়েলের পিচ, যে মাটি আনা হয়েছে ওডিশার কালাহান্ডি থেকে। ভিভিএস লক্ষ্মণ বলেছেন, ক্রিকেটারদের নানাবিধ কন্ডিশনে অনুশীলনের জন্যই এই বন্দোবস্ত। যখন কেউ জাতীয় দলে ঢুকবেন, তখন তাঁর অসুবিধা হবে না। প্রস্তুত হয়েই দলে যোগ দিতে পারবেন। নতুন বা অবাক করার মতো কিছু মনে হবে না।
লক্ষ্মণের আশা, এই ধরনের পিচে প্র্যাকটিস করলে ক্রিকেটারদের যে কোনও পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সুবিধা হবে। এমনকী যে বড় মাঠগুলি রয়েছে সেখানে অনুশীলন ম্যাচ খেলে ক্রিকেটাররা যে কোনও পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে পারবেন, আত্মবিশ্বাস সঞ্চয় করতে পারবেন।
এই তিনটি মাঠের পাশাপাশি নেট প্র্যাকটিসের ৪৫টি আউটডোর পিচ থাকছে। সেখানে ৯টি ক্লাস্টারে ভাগ হয়ে অনুশীলন চলতে পারে। ইংল্যান্ড থেকে আনা হয়েছে অত্যাধুনিক নেট। সেই সঙ্গে আউটডোর ফেসিলিটিতে থাকছে ফিল্ডিং অনুশীলনের আলাদা জায়গা। দৌড়ানোর জন্য ৬টি ট্র্যাক রয়েছে, যাতে ঘাস যেমন রয়েছে, তেমনই আছে মোন্ডো সিন্থেটিক সারফেস।
ইনডোরে রয়েছে ৮টি পিচ। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার প্রিমিয়াম টার্ফে অনুশীলনের সুযোগ পাবেন ক্রিকেটাররা। স্পোর্টস সায়েন্স ও মেডিসিন ব্লকে রয়েছে অত্যাধুনিক পরিকাঠামো। চারটি অ্যাথলেটিক ট্র্যাক, একটি ফিজিওথেরাপি রিহ্যাব জিম, স্পোর্টস সায়েন্স ও মেডিসিন ল্যাব, রিকভারি এরিয়া। এখানে অনুশীলনের সুযোগ পাবেন ভারতের অলিম্পিক অ্যাথলিটরা।












Click it and Unblock the Notifications