Virat Kohli: বেঙ্গালুরুতে বিতর্কে বিরাট কোহলির রেস্তোরাঁ, নিয়ম লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ
ক্রিকেট খেলা, বিজ্ঞাপণ, এনডোর্সমেন্ট ছাড়াও বিরাট কোহলির আয়ের একটি বড় উৎস রেস্তোরাঁ ব্যবসা। দেশের বিভিন্ন নামী শহরে কোহলির রেস্তোরাঁ রয়েছে। কিন্তু বিরাটের রেস্তোরাঁ ফের বিতর্কে। প্রাক্তন ভারত অধিনায়কের রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে নিয়ম বিধি লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
সারা দেশের বিভিন্ন শঙরে রেস্তোরাঁ চেন আছে কোহলির। নয়ডা, হায়দরাবাদ, মুম্বই, কলকাতার মতোই প্রাক্তন ভারত অধিনায়কের রেস্তোরাঁ আছে বেঙ্গালুরুতেও। চিন্নাস্বামী ক্রিকেট স্টেডিয়ামের খুব কাছেই এম জি রোডেও কোহলির রেস্তোরাঁর একটি শাখা রয়েছে। কিন্তু বেঙ্গালুরুতে কোহলির রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। বিরাট কোহলির রেস্তোরাঁ দমকল বিভাগে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

২৯ নভেম্বর সমাজকর্মী এইচ এম বেঙ্কটেস ও কুনিগাল নরসিমামূর্তির দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে কোহলির ওই রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে একটি নোটিশ ইস্যু করা হয়। কিন্তু কোহলির রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ সেই নোটিশের কোনও জবাবই দেয়নি। এতেই চরম ক্ষুব্ধ বেঙ্গালুরু ব্রুহাট মহানগর পালিকা। এবার নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য সাতদিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কোনও জবাব না দেওয়া হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বেঙ্গালুরু ব্রুহাট মহানগর পালিকা তরফে জানানো হয়েছে।
অতীতে অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটেছে বিরাট কোহলির রেস্তোরাঁতে। বেঙ্গালুরু ব্রুহাট মহানগর পালিকা এবং দমকল থেকে পর্যবেক্ষণ চালানো হয়। বিরাট কোহলির রেস্তোরাঁটি জনবসতিপূর্ণ এলাকার মধ্যে অবস্থিত। এরফলে আরও সতর্কতার প্রয়োজন । কিন্তু সেই সতর্কতা নেওয়াই হচ্ছে না, উল্টে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠছে।
এখানেই শেষ নয় বিরাটের রেস্তোরাঁ এবং পানশালাকে নিয়ে আগেও বিতর্ক দেখা গিয়েছে বেশ কয়েকবার। এর আগেও বিতর্কে জড়ায় বিরাটের রেস্তোরাঁটি। চলতি বছরেই অভিযোগ ওঠে পানশালাটি রাত দেড়টা পর্যন্ত খোলা ছিল। কিন্তু কর্ণাটক সরকারের নিয়ম অনুসারে সেখানে রাত একটার পর কোনও পানশালা খুলে রাখা নিষিদ্ধ। ফলে বিতর্ক যেন পিছু ছাড়নে বিরাটের রেস্তোরাঁ এবং পানশালাকে নিয়ে। আপাতত কোহলি মেলবোর্নে ভারতীয় দলের সঙ্গে রয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications