আমীরি চালে মাত বিরাট, প্রশ্নের উত্তরে স্টেপআউটে ছক্কা ক্যাপ্টেন কোহলির
নিজের নতুন ছবি 'সিক্রেট সুপারস্টার'-র প্রোমশানমূলক অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন বিরাট কোহলি। দারুণ আলাপচারিতা দেখা যাবে দিওয়ালির সময়ে।
আমীর খানের পরবর্তী ছবি 'সিক্রেট সুপারস্টার' - তারই প্রোমশানের জন্য ব্যস্ত আমীর খান। নিজের ছবির প্রোমোশানে বিরাট কোহলির একান্ত সাক্ষাৎকার নিলেন মিস্টার পারফেকশানিস্ট।

বীরুষ্কার কেমিস্ট্র
অনুষ্কার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে সবসময়েই খোলামেলা বিরাট কোহলি। আমীর খানের সপাট প্রশ্ন অনুষ্কার ভাল দিক ও মন্দ দিক কী কী। এতেও ঘাবড়াননি তিনি। তাঁর সহজ উত্তর তাঁকে অনেক ভাল মানুষ হতে সাহায্য করছেন অনুষ্কা, তবে অনুষ্কা আসতে সবসময় দেরি করেন, যেটা তাঁর পছন্দ নয়। প্রায় ৩-৪ বছরের সম্পর্ক তাঁদের। দু'জনেই দু'জনকে দারুণ বোঝেন।

ডাকনাম চিকু
যখন বিরাটের বয়স ১৭ ছিল তখন এমন একটা চুল কাটা ছিল যাতে তাঁর কান দুটো খরগোশের মত বেরিয়ে থাকত সেই থেকে তাঁর নাম চিকু হয়ে যায়। তারপর থেকে মহেন্দ্র সিং ধোনি দায়িত্ব নিয়ে স্টাম্প মাইকে তাঁর নাম ডেকে ডেকে সেটাকেই জনপ্রিয় করে দিয়েছেন।

কেএল রাহুল কী বলেন
তাঁর জাতীয় দলের সতীর্থ কে এল রাহুল- তিনি আবার এই শ্যোতে বিরাটের সিক্রেট আউট করেছেন। কোহলি ক্রিকেটে দিনে দিনে উন্নতি করছেন এমনটাই দাবি রাহুলের। অন্যদিকে কোহলি ড্রেসিংরুমে সারাক্ষণ খালি গায়ে ঘুরে বেড়ান এবং দিনরাত ফোনে কথা বলে এগুলিই তাঁর দোষ বলে জানিয়েছেন কে এল রাহুল।

রাম রহিমের সঙ্গে দেখা
'ভণ্ড বাবা' রামরহিমের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ নিয়ে তাঁর সহাস্য জবাব তাঁদের নামগুলোই ঠিক করে বলতে পারেন না রামরহিম। আশিস নেহরাকে বলেন জগদীশ নেহরা, ইউসুফ পাঠানকে বলেন জুসুফ পাঠান।

আমীর খানের পছন্দের ছবি
আমীর খান বিরাটকে নিজের পছন্দের ছবি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। বিরাটের পছন্দের ছবির তালিকায় রয়েছে জো জিতা ওহি সিকন্দর, থ্রি ইডিয়ডস, পিকে। শেষ ছবির নাম বলার সঙ্গে সঙ্গেই হেসে ওঠেন আমীর খান। কারণটা তো সকলেরই জানা, এই ছবিতে হিরোইন যে অনুষ্কা শর্মা।

২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনাল
বিরাটের সরল স্বীকারোক্তি বিশ্বকাপের ফাইনালে যখন তিনি ব্যাট করতে নেমেছিলেন, রীতিমতো নার্ভাস ছিলেন তিনি। খালি প্রার্থনা করছিলেন কোনওভাবে যেন বাউন্সার না দেন লসিথ মলিঙ্গা। ২-৩ বলের পর বিষয়টা অনেকটা আয়ত্তে আসে।

পরিবার ও সম্পর্ক
বিরাট তাঁদের পরিবারের তৃতীয় সন্তান। ফলে তাঁর ওপর শাসনের ডোর খুব বেশি ছিল না। দাদা তাঁকে খেলতে নিয়ে যেতেন, আর বাবা বসে দেখতেন। পরিবারের সবচেয়ে ছোট বলে আদরের ছিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications