সচিনের ক্রিকেট জীবন থেকে বিদায় = মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যু!!

১৩ নভেম্বর প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সচিন ভারতের সবচেয়ে সম্মানীয় ক্রিকেটার, বা বলা ভাল সাম্প্রতিক কালের সবচেয়ে সম্মানীয় ভারতীয়। মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুর পরবর্তী সময় থেকে এখনও পর্যন্ত সচিন ব্যতীত অন্য কারও জন্য এমন আবেগ দেখা যায়নি বলেও প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে। এমনকী বলা হয়েছে, বেব রুথ ও মার্টিন লুথার কিং-এর কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্টের সমন্বয় রয়েছে সচিনের চরিত্রে।
সচিনের প্রশংসা সত্ত্বেও ভারতকে ছোট করা হয়েছে প্রতিবেদনে
সচিন বন্দনায় কোনওরকম খামতি দেখা যায়নি মার্কিন ওই প্রতিবেদনে। বলা হয়েছে, সচিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনের আবসানে,মহাত্মার শেষযাত্রায় নেহেরুর বলা কথাগুলো খাটে প্রচণ্ডভাবে। নেহেরু বলেছিলেন, "আমাদের জীবন থেকে আলো চলে গেল,এখন চারিদিকে শুধুই অন্ধকার।"
শুধু ক্রিকেটীয় জীবনই নয়,ব্যক্তিগত জীবনেও স্থিরবুদ্ধি,ভ্রদ্রতা, বিনয় সচিনকে বড় মাপের মানুষে পরিণত করেছে।
সচিনকে এই প্রতিবেদনে ভগবানরূপেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, হিন্দু দেব-দেবীদের মধ্যে কারও তিনটি মাথা কিংবা দশটা হাত। কারও মাথার পিছনে চক্র,কারও আবার মাথা থেকে আবার নদী প্রবাহিত হচ্ছে। আর সচিন, তাঁর হাতের উইলোর তৈরি ক্রিকেট ব্যাটই তাঁর অস্ত্র।
এই প্রতিবেদনে সচিনের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। যদিও প্রতিবেদনের একটি অনুচ্ছেদে ভারতকে কিছুটা হলেও খাটো করে দেখানো হয়েছে। বলা হয়েছে, এই সময় ক্রিকেট ছেড়ে দেওয়ার প্রসঙ্গে সচিনকে দোষারোপ করা যায় না। বিশ্বের অন্য কোনও প্রান্ত হলে,বয়স হওয়া সত্ত্বেও বয়সকালীন সীমাবদ্ধতা মাথায় রেখেই তাঁকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হতো। কিন্তু ভারত, সচিনকে তা করতে দেয়নি। কিন্তু এটা ভারত। এখানকার মানুষের ক্ষয়িষ্ণু ভালবাসা সচিনের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
যদিও প্রতিবেদনটির জন্য খুব একটা প্রশংসা কোড়াতে পারেননি প্রতিবেদনের লেখক টুঙ্কু বর্ধরাজন।












Click it and Unblock the Notifications