Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

U19 World Cup 2024: পরিবার-পরিজন ছেড়ে দীর্ঘদিনের নীরব সাধনা, উদয়-রাজদের সাফল্যের অজানা কাহিনী

রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনা‌ল খেলতে নামছে ভারতীয় দল। কয়েক মাস আগেই একদিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ভরাত ও অস্ট্রেলিয়া। বিরাট-রোহিতদের হারের বদলা নেওয়ার সুযোগ উদয়-সচিনদের সামনে। এবারের বিশ্বকাপে উদয় সাহারান, সৌম্য পাণ্ডে, সচিন ধাসের মতো ক্রিকেটাররা দুরন্ত পারফরম্যান্স করেছেন। কিন্তু সাফল্য একদিনে আসেন না। দীর্ঘদিনের সাধনার ফল পাচ্ছেন টিম ইন্ডিয়ার তরুণ তুর্কিরা।

এই তরুণ ক্রিকেটারদের অনেকেই তাদের পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুদের ছেড়েছেন, যাতে তারা তাদের ক্রিকেটের স্বপ্নগুলি সত্য করতে পারেন। উদয় সাহারান থেকে সৌম্য পাণ্ডে প্রত্যেকেই অনুশাসন এবং অনুশীলনের পৃথিবীর বাসিন্দা। তাঁদের সেই অজানা কাহিনী তুলে ধরা হল এই প্রতিবদেনে।

U19 World Cup 2024

একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতীয় যুব দলের বর্তমান অধিনায়ক উদয় সাহারান, মাত্র ১২ বছর বয়সেই রাজস্থানের শ্রী ঙ্গানগর জেলার তাঁর বাড়ি থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে পাঞ্জাবের ফাজিলকা জেলায় স্থানান্তরিত হন, যাতে তিনি আরও ভাল প্রশিক্ষণ সুবিধা পেতে পারেন।

সহ-অধিনায়ক সৌম্য পাণ্ডে এবং তাঁর বাবা-মা মধ্যপ্রদেশের সিধি জেলার ভরতপুর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে রেওয়াতে একটি ভাড়া বাড়িতে চলে আসেন, যাতে সৌম্য তার ক্রিকেট অ্যাকাডেমির কাছাকাছি থাকতে পারে। আরশিন কুলকার্নি সোলাপুর থেকে পুনে পর্যন্ত ২৫০ কিলোমিটার যাত্রা করেছিলেন। পেসার রাজ লিম্বানি কচ্ছের রণে পাকিস্তান সীমান্তের নিকটবর্তী গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। কিন্তু ভালো প্রশিক্ষণের জন্য ৫৫০ কিমি দূরে বরোদাতে চলে আসেন।

এই সব ক্রিকেটারদের সাফল্যের পিছনে বড় অবদান আছে তাঁদের পরিবারেরও। কারণ পরিবারের সহায়তা না পেলে তাঁরা তাঁদের স্বপ্নকে লালন পালন করতে পারতেন না।উদয় সাহারানের বাবা সঞ্জীবকে বলা হতো শ্রী গঙ্গানগরের গাভাসকর। কিন্তু ক্রিকেটার হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেননি, তিনি বিসিসিআই-এর লেভেল ১ কোচিং ডিগ্রি নেন এবং একটি অ্যাকাডেমি চালু করেন। জন্মের পর থেকেই ছেলেকে ক্রিকেটার বানানোর বাসনা ছিল তাঁর।

সঞ্জীব সাহারান বলেন "আমি আয়ুর্বেদিক পরীক্ষা পাশ করার পর, আমি উদয়পুর কেন্দ্রে গিয়েছিলাম। আমার কোচ ছিলেন অর্জুন নাইডু, রাজস্থান ক্রিকেটের অন্যতম কিংবদন্তি। শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত তিনি আমাকে বলতেন, আমি জয়পুরে গেলে রঞ্জি ট্রফি খেলতাম। কিন্তু আমার মতো ভাগ্য যাতে আমার ছেলের না হয় তার জন্য সচেষ্ট ছিলাম প্রথম থেকেই, ও যাতে ভালো প্রশিক্ষণ পায় সেই ব্যবস্থা করি।'

একইসঙ্গে তিনি বলেন, 'কখনও কখনও, তাকে কঠিন ভালবাসা দেখাতে হয়েছিল। মাত্র ১২ বছর বয়সেই উদয়কে মোহালির অ্যাকাডেমিতে ভর্তি করেন। ফলে একা খাকতে হত উদয়কে। আমি ছেলের কাছ থেকে ফোন পেতে থাকি, সে আর একা থাকতে পারছে না।পরের কয়েকদিন ধরে, আমি অজুহাত দিতে থাকলাম যে আমি আগামীকাল তাকে দেখতে যাব। আমি কখনও করিনি। আমি আমার স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করতাম, এই কারণে।'

কুলকার্নির বাবা পেশায় চিকিৎসক। পরিবারের চাপে ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি। কিন্তু ছেলের মধ্যেই দেখেন ক্রিকেট প্রতিভা। তাঁর কথায়, আমরা সবাই আমাদের পরিবারের ডাক্তার। আমি ক্রিকেট খেলতাম আর আরশিনের দাদাও খেলতাম। যখন আমি তার মধ্যে প্রতিভা দেখেছিলাম, আমি সরাসরি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে আমি তাকে সেরা সুযোগ-সুবিধা দেব। ঈশ্বরের আর্শীবাদে, আমি এটি বহন করতে পেরেছি।'

রাজ লিম্বানির বাবা বসন্তভাই প্যাটেল বলেন, 'গ্রীষ্মকালে তীব্র গরমের মধ্যেও রাজকে ক্রিকেট খেলতে দেখেই বুঝতে পেরেছি‌লাম খেলার প্রতি তাঁর প্যাশন কতটা। ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ক্রিকেট খেলা সহজ নয়। আমরা তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও সে শুনবে না। তারপর আমি তাকে বরোদায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।'

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+