আইপিএল শুরুর আগে ওয়াংখেড়েতে নাশকতার খবর, সম্ভাবনা ওড়াল পুলিশ
আইপিএল শুরুর আগে ওয়াংখেড়েতে নাশকতার খবর, সম্ভাবনা ওড়াল পুলিশ
২৬ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে আইপিএল। শুরুতেই মুখোমুখি হবে গতবারের দুই ফাইনালিস্ট চেন্নাই ও কলকাতা। এর মাঝেই জানা গেল ভারতের এই বৃহত্তম ক্রিকেট লিগে নাকি নাশকতামূলক হামলার সম্ভাবনা আছে। তবে এই খবর উড়িওয়ে দিয়েছে মুম্বই পুলিশ।

মহারাষ্ট্র অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (এটিএস), আইপিএল মরসুমের আগে জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে যে রবিবার থেকে শুরু হওয়া টুর্নামেন্টের সময় স্টেডিয়ামের চারপাশে নিরাপত্তা বাড়ানো হবে। ক্রিকেটার এবং অন্যান্য কর্মীদের জন্য এবং আইপিএল খেলোয়াড়রা যে হোটেলগুলিতে অবস্থান করছেন তার আশেপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। এদিকে, মুম্বাই পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় পান্ডে বলেছেন যে আইপিএলে সন্ত্রাসী হুমকির খবর "ভিত্তিহীন"।
টুইটারে পান্ডে বলেছেন, আইপিএলএ নাশকতামূলক সন্ত্রাস সংক্রান্ত খবর ভিত্তিহীন। অনুগ্রহ করে এরকম কোন খবরের উপর ভরসা করবেন না।টুর্নামেন্টের আগে প্রথম নিরাপত্তা পর্যালোচনা বৈঠকের সময়, এটি জানা গিয়েছিল যে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলি ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম এবং হোটেল ট্রাইডেন্টের চারপাশে একটি রেকস পরিচালনা করেছিল। সূত্র জানায়, বর্তমানে এটিএসের হেফাজতে থাকা একজন সন্দেহভাজন এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
নাগরিকদের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের কাছে মেরিন ড্রাইভ এবং এর আশেপাশে তাদের যানবাহন পার্ক না করার জন্য বলা হয়েছে। একটি প্রতিক্রিয়া দল, বোমা স্কোয়াড এবং রাজ্য রিজার্ভ পুলিশও আইপিএল মরসুমের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিযুক্ত করা হয়েছে।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম ছাড়াও, বিসিসিআই ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়াম এবং মুম্বাইয়ের ব্র্যাবোর্ন এবং পুনের এমসিএ স্টেডিয়ামে আইপিএল ম্যাচ আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নির্দেশিকা অনুসারে, সমস্ত ৭০টি-ম্যাচ মহারাষ্ট্রের চারটি ভেন্যুতে খেলা হবে। কোভিড বিধি মেনে মুম্বই, নভি মুম্বই এবং পুনেতে ২৫ শতাংশ দর্শক নিয়ে ম্যাচগুলি আয়োজিত হবে।
ওয়াংখেড়ে এবং ডি ওয়াই প্যাটেল স্টেডিয়ামে ২০টি ম্যাচ আয়োজিত হবে। ব্র্যাবোর্ন স্টেডিয়াম এবং মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের স্টেডিয়ামে আয়োজিত হবে ১৫টি করে ম্যাচ। কোভিডের কারণে ২০২০ সালে আইপিএল সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে। দর্শকশূন্য মরু দেশে আয়োজিত হয়েছিল সে বারের আইপিএল।
২০২১ সালে করোনার চোখরাঙানি এড়িয়ে ভারতে আইপিএল শুরু হলেও, মাঝ পথে একের পর এক ফ্রাঞ্চাইজি দলের ক্রিকেটাররা কোভিডে আক্রান্ত হওয়া মাঝ পথেই টুর্নামেন্টস্থগিত করে দেওয়া হয়। দীর্ঘ ব্যবধানের পর সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে শুরু হয় চতুর্দশ আইপিএল-এর দ্বিতীয় পর্ব। ডিসেম্বর- জানুয়ারিতে যে হারে করোনার প্রকোপ বেড়ে ছিল তাতে এই বারের আইপিএল দেশে আয়োজন করা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।
দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই-কে অনুরোধ করে ছিল তাদের দেশে প্রতিযোগীতা আয়োজনের জন্য। আইপিএল আয়োজনের জন্য বিসিসিআই-কে স্বাগত জানিয়েছিল শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডও। চিন্ত ভাবনায় ছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। তবে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বোর্ডে শুরু থেকেই স্থির করেছিল দেশের বাইরে এই বার নিয়ে যাওয়া হবে না আইপিএল।












Click it and Unblock the Notifications