সমানে সমানে টক্কর, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩০৫ তুলল ইংল্যান্ড
সমানে সমানে টক্কর, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩০৫ তুলল ইংল্যান্ড
এই না হলে বড় ম্যাচ। কখনও ইংল্যান্ড এগিয়ে, তো কখনও নিউজিল্যান্ড।
বিশ্বকাপের মরণ-বাঁচন ম্যাচে ইংরেজ ও কিউই-দের মধ্যে প্রথম অর্ধের লড়াইয়ের চড়াই-উতরাই যে কোনও হলিউড মুভির রোমাঞ্চকেও হার মানাবে। দুর্ধর্ষ সংগ্রাম করে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অবশেষে ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩০৫ রান তুলেছে ইংল্যান্ড। সেই লক্ষ্য তাড়া করা কিউই-দের পক্ষে সম্ভব বলেই মনে করেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।

এই ম্যাচে জেতা-হারার উপর নির্ভর করছে দুই দলের বিশ্বকাপে টিকে থাকার ভাগ্য। শুধু ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ডই নয়, টুর্নামেন্টের নক আউট খেলার আশা নিয়ে পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কাও এই ম্যাচের দিকেই তাকিয়ে। কী হবে কেউ জানে না।
এমনই এক পরিস্থিতিতে রৌদ্রোজ্জ্বল ডারহামে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান। সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে ভারতের মতোই নিউজিল্য়ান্ডের বিরুদ্ধেও শুরুটা দারুণ করেন দুই ইংরেজ ওপেনার। জনি বেয়ারস্টো ও জেসন রয়ের মধ্যে ১২৩ রানের পার্টনারশিপ হয়। রয় ৬০ রান করে আউট হলেও এই ম্যাচে ফের শতরান করেন বেয়ারস্টো। ৯৯ বলে ১০৬ রান করে তিনি আউট হন।
এরপরেই যেন আচমকা ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন-আপে কার্যত ধস নামতে শুরু করে। অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান ক্রিজের একদিক ধরে রাখলেও অন্যদিকে জো রুট (২৪), জস বাটলার (১১), বেন স্টোকস (১১), ক্রিস ওকসরা (৪) নিয়মিত ব্যবধানে সাজঘরে ফিরে নিউজিল্যান্ডকে ম্যাচে ফেরান। ৪০ বলে ৪২ রান করে আউট হন ইংরেজ অধিনায়ক মর্গ্যানও। শেষ বেলায় লিয়াম প্ল্যাঙ্কেট (১৫), আদিল রশিদরা (১৬) ইংল্যান্ডের স্কোর পর্যন্ত নিয়ে যান।
ব্ল্যাক ক্যাপদের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন ট্রেন্ট বোল্ট, ম্যাট হেনরি, জেমস নিশহাম। ১টি উইকেট নিয়েছেন মিচেল সান্টনার।












Click it and Unblock the Notifications