ন'টি একদিনের ম্য়াচে জয়, সব ফর্মাটের ১২টি ম্যাচে টানা জয়, পরপর ৬ টি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জয়। আইসিসিস- র্যাঙ্কিংয়ে টেস্ট ও একদিনের ক্রিকেটে এক নম্বর জায়গার অধিকারী দল ভারত। বিশ্বের সমস্ত তাবড় শক্তিই এখন টিম ইন্ডিয়াকে ভয় পাচ্ছে। তারমধ্যে যদি ভারত ঘরের মাঠে খেলে তাহলে তো সেটা আরও মারাত্মক হয়ে ওঠে।
ছবি সৌজন্যে : টুইটার
এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরুতে মুখোমুখি ভারত - অস্ট্রেলিয়া। সিরিজ ইতিমধ্যেই পকেটে পোড়া হয়ে গেছে। বৃষ্টির আশঙ্কাযুক্ত বেঙ্গালুরুতে ভারতের সামনে ইতিহাসের হাতছানি।অস্ট্রেলিয়ার ছ'বার এই কৃতিত্ব অর্জন করেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা পাঁচ বার। ইংল্যান্ড, পাকিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং শ্রীলঙ্কা দু'বার করে। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল এই কৃতিত্ব একবার করে দেখিয়েছে। ভারত- বাংলাদেশ- জিম্বাবোয়ে একবারও করতে পারেনি। বেঙ্গালুরু ম্যাচ জিতলে একটানা ১০টা একদিনের ম্যাচ জেতার নজির গড়বে ভারত। এর আগে ভারতের সবচেয়ে লম্বা অপরাজিত থাকার নজির টানা ৯টা ম্যাচের। বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরুতে অস্ট্রেলিয়াকে হারালেই এই কীর্তি গড়বে বিরাট কোহলির ভারত। সেক্ষেত্রে ৯২৬টা একদিনের ম্যাচের ইতিহাস সমৃদ্ধ ভারত ক্রিকেটে আরেকটি নতুন ইতিহাস গড়বে।
<blockquote class="twitter-tweet blockquote" data-lang="en"><p lang="en" dir="ltr">We are in Bengaluru and <a href="https://twitter.com/hashtag/Teamindia?src=hash&ref_src=twsrc%5Etfw">#Teamindia</a> are having a nets session. <a href="https://twitter.com/hashtag/INDvAUS?src=hash&ref_src=twsrc%5Etfw">#INDvAUS</a> <a href="https://t.co/dwnTHNkPkf">pic.twitter.com/dwnTHNkPkf</a></p>— BCCI (@BCCI) <a href="https://twitter.com/BCCI/status/912654269102268417?ref_src=twsrc%5Etfw">September 26, 2017</a></blockquote>
<script async src="//platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script>
জুলাই মাসে অ্যান্টিগায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ১১ রানে হারার পর থেকে ভারত একটিও একদিনের ম্যাচ হারেনি। অস্ট্রেলিয়া শেষ একদিনের ম্যাচ জিতেছিল ২৬ জানুয়ারি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অ্যাডিলেডে। বিদেশের মাটিতে তারা টানা ১১টা ম্যাচ হেরেছে। ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ দুটো ম্যাচ জিতলে অজি ক্রিকেটের গৌরব কিছুটা উদ্ধার করা সম্ভব হবে।
তবে এই সব কিছুই নির্ভর করছে বেঙ্গালুরুর আবহাওয়ার ওপর। কারণ বৃষ্টির যে পূর্বাভাস আছে, তাতে ম্যাচের মধ্যে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা ৮০ শতাংশ। তবে চিন্নাস্বামী কর্তৃপক্ষ বারবার জোর দিয়েছে তারা গত বছর যে উন্নত ড্রেনেজ সিস্টেম বসিয়েছে তাতে স্বাভাবিক জল শোষণের চেয়ে ৩৮ শতাংশ ভাল জল শোষণ হবে।