T20 World Cup: কোচ দ্রাবিড়ের বিদায়ী মঞ্চেই শেষ টি২০ আন্তর্জাতিকে মাঠে নামছেন রোহিত-বিরাট? জল্পনা তুঙ্গে
শনিবার টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ খেলতে নামছে ভারতীয় দল। প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। এই নিয়ে তৃতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলতে নামছে টিম ইন্ডিয়া। এরআগে একবার চ্যাম্পিয়ন এবং একবার রানার্স হয়েছে ভারতীয় দল। দ্বিতীয়বার টি২০ বিশ্বকাপ জয়ের দুয়ারে মেন ইন ব্লু।
ভারতীয় দলের কোচ হিসাবে এটাই শেষ ম্যাচ হতে চলেছে রাহুল দ্রাবিড়ের। একসঙ্গে টিম ইন্ডিয়া জার্সিতে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলছেন বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মা? ভারতীয় দলের এই তারকা দুই ক্রিকেটারের এরপর আর টি-টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে ভারতীয় দলের হয়ে খেলার সম্ভাবনা কম। তারা মূলত ফোকাস করবেন একদিনের এবং টেস্ট ক্রিকেটে।

এমনিতেই ২০২২ সালের টি২০ বিশ্বকাপের পর থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম ফরমেটে মাঠে নামবে দেখা যায়নি বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মাকে। চলতি বছরে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজে দুই ক্রিকেটার টি২০ ফর্ম্যাটে প্রত্যাবর্তন করেন। এরপর চলতি বিশ্বকাপে বিরাট এবং রোহিতকে দলে রাখে টিম ম্যানেজমেন্ট।
বর্তমানে রোহিতের বয়স ৩৭ বছর, এবং কোহলির বয়স ৩৫ বছর। দুই ক্রিকেটারের যা বয়স তাতে আগামী দিনে ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম ফর্ম্যাটে তাদের আর দেখতে না পাওয়া গেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল রোহিত শর্মার। ১৭ বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জীবনের শেষ টি২০ আন্তর্জাতিক খেলতে নামছেন রোহিত? এমন প্রশ্ন কিন্তু ঘুরপাক খাচ্ছে।
এখনও পর্যন্ত টি২০ ক্রিকেটে ১৬৮ ম্যাচে ৪২২২ রান করেছেন রোহিত। অন্যদিকে ২০১০ সালে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের জার্সিতে টি২০ ক্রিকেটে অভিষেক হয় কোহলির। ১২৪ ম্যাচে তাঁর রান সংখ্যা ৪১১২। ফলে দুই ক্রিকেটারের অলিখিত ভাবে টি২০ -আন্তর্জাতিকের অবসান ঘটতে পারে আজই।
যদি বছরে মোট কুড়িটি টি২০ ম্যাচ রয়েছে ভারতীয় দলের আছে ছয়টি ও একদিনের ম্যাচ এবং দশটি টেস্ট ম্যাচ। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তরুণ ক্রিকেটারদের খেলাতে চাইছে টিম ম্যানেজমেন্ট। কারণ আগামী ২০২৬ সালে ফের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে তাই এখন থেকেই সেই দল গঠনের দিকে মনোনিবেশ করতে চাইছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
২০০৭ সালে ক্রিকেটার হিসাবে টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছিলেন রোহিত, এবার তাঁর সামনে সুযোগ অধিনায়ক হিসাবে জেতার। অম্যদিকে ২০১১ সালে একদি্নের বিশ্বকাপ, ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতার পর তৃতীয় আইসিসি ট্রফি জয়ের সুযোগ বিরাটের সামনে।












Click it and Unblock the Notifications