T20 World Cup: দুইবারই শেষ ওভারে দুরন্ত জয়, ১৭ বছর আগেও রুদ্ধশ্বাসভাবেই বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত
২০০৭ সালের পর ২০২৪, মাঝে ব্যবধান ১৭ বছরের। টি২০ ক্রিকেটে ফের বিশ্বসেরা ভারত। মাঝে ১০ বছর আগে একবার ফাইনালে উঠলেও কাপ জেতা হয়নি। এরমধ্যে ১১ বছর ধরে অধরা ছিল আইসিসি ট্রফি। ফাইনালে উঠলেও ট্রফি এবং ভারতীয় দলের মধ্যে ব্যবধানটা রয়েই যাচ্ছিল। অবশেষে শনিবার টি২০ বিশ্বকাপ জয়ের মধ্য দিয়েই আইসিসি ট্রফির খরা কাটালো ভারত।
২০০৭ হোক বা ২০২৪, ফাইনাল ম্যাচ প্রথম থেকেই পেণ্ডুলামের মতো দুলল। দুই বারই ভারতীয় দল খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচ এবং ট্রফি জিতল। দুটো টি২০ বিশ্বকাপই ভারত জিতল একেবারে হারার জায়গা থেকে। ২০০৭ সালে ১৯ তম ওভার পর্যন্ত প্রায় সকলেই ধরে নিয়েছিলেন ভারত ম্যাচটা হেরে গেছে। সেখান থেকে কোনও এক অলৌকিক ক্ষমতায় ভারত বিশ্বকাপ জিতে যায়।

১৯ ওভার শেষে পাকিস্তানের রান ছিল ৯ উইকেটে ১৪৫। জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৩ রান। ধোনি বল তুলে দেন যোগিন্দর শর্মার হাতে। প্রথম বলই হোয়াইড করেন। প্রথম বলে কোনও রান করতে না পারলেও দ্বিতীয় বলেই ছক্কা হাঁকান মিসবা। এরফলে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে যায় পাক দল। কিন্তু তৃতীয় বলেই অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস নিয়ে শট খেলেন মিসবা। কিন্তু তাঁর শট তালুবন্দি করেন শ্রীসন্থ। সেই সঙ্গে ৫ রানে রুদ্ধশ্বাস জয় পায় ভারত। প্রথমবারই টি২০ বিশ্বকাপ জেতে টিম ইন্ডিয়া।
জাম্প কাট ২০২৪। এবারও ভারত প্রথমে ব্যাট করে , কোহলি এবং অক্ষর প্যাটেলর ইনিংসে ভর করে ৭ উইকেটে ১৭৬ রান তোলে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে পর পর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে প্রোটিয়ারা। কিন্তু হেনইরিখ ক্লাসেন দক্ষিণ আফ্রিকাকে ম্যাচে ফেরান। একটা সময় জয়ের খুব কাছকাছিতে পৌঁছে গিয়েছিল প্রোটিয়ারা। ২৪ বলে দরকার ছিল ২৬ রান। বিশেষ করে হেইনরিখ ক্লাসেনের ব্যাটে ভর করে। প্রোটিয়া এই মিডল অর্ডার ব্যাটারকে ফিরিয়ে ভারতকে ম্যাচে ফেরালেন হার্দিক পাণ্ডিয়া।
বুমরাহ-অর্শদীপ-পাণ্ডিয়া এই তিন পেসারই জয়ের অন্যতম নায়ক। বিশেষ করে ১৮ এবং ১৯ নম্বর ওভারে যেভাবে বোলিং করলেন বুমরাহ এবং অর্শদীপ তাতেই ম্যাচের ভাগ্য বদলে গেল। জয়ের জন্য শেষ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়োজন ছিল ১৬ রান। হাতে ছিল ৪ উইকেট। ২০তম ওভারের প্রথম বলে ডেভিড মিলারের যে ক্যাচটা সূর্যকুমার যাদব নিলেন, তা শুধু এই বিশ্বকাপ নয়, ভারতের ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ক্যাচ হয়ে থাকল।
দ্বিতীয় বলে ৪ মারেন রাবাদ, তৃতীয় বলে মিস করলেও বাই রান নেন রাবাদা। চতুর্থ বলটি মিস করলেও বাই রান নেন কেশব মহারাজ। পঞ্চম বলে হোয়াইড হলে অতিরিক্ত পঞ্চম বলে রাবাদকে আউট করেন হার্দিক, ক্যাচ নেন সেই সূর্য। শেষ বলে নরখিয়া ১ রান নিতে সক্ষম হন এবং ভারত বিশ্বকাপ জিতে নেয়।












Click it and Unblock the Notifications