পাকিস্তানের ব্যর্থতায় রামিজ-বাবরদের মুণ্ডপাত, মিমের ছড়াছড়ি! শেষ বলে কমেন্ট্রি বক্সের মেজাজ ভাইরাল
টি ২০ বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে নিজেদের প্রথম দুটি ম্যাচে হেরে প্রবল চাপে পাকিস্তান। ভারতের পর গতকাল পাকিস্তানকে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হারিয়ে দিয়েছে জিম্বাবোয়ে। ১৩০ রানের পুঁজি নিয়েও জিম্বাবোয়ে ম্যাচ জিতেছে ১ রানে। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় দল নির্বাচন, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের ভূমিকা ও দলের মানসিকতার সমালোচনায় সরব হয়েছেন অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটার। ভাইরাল হয়েছে একাধিক মিম।
|
পাকিস্তান দলের মুণ্ডপাত
টি ২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের জোড়া হারের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই নিশানা করেছেন পিসিবি চেয়ারম্যান রামিজ রাজা, হেড কোচ সাকলিন মুস্তাক, প্রধান নির্বাচক মহম্মদ ওয়াসিমকে। সমালোচিত হচ্ছেন পাক অধিনায়ক বাবর আজম। পাকিস্তানের প্রাক্তন স্পিডস্টার শোয়েব মালিক স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই হার খুব অস্বস্তিদায়ক ও হতাশাজনক। যে হার্ড ক্রিকেট খেলা প্রত্যাশিত ছিল সেটা দেখা যায়নি। দল নির্বাচন অত্যন্ত মাঝারিমানের। দলের ক্রিকেটারদের মানসিকতাও খুবই সাধারণ মানের। সে কারণেই পাকিস্তান ক্রিকেট এই বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। জিম্বাবোয়ের মতো দুর্বল দলের বিরুদ্ধে পাকিস্তান ১৩০ রানও তুলতে না পারায় অবাক মহসীন খান। এমন ব্যাটিংয়ের মান থাকলে ঈশ্বরও বাঁচাতে পারবে না বলে মনে করেন তিনি। এই ম্যাচ জেতার তাগিদ যেভাবে জিম্বাবোয়ের ক্রিকেটার, বিশেষ করে বোলারদের মধ্যে ছিল, তা পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের মধ্যে ছিল না বলেও জানিয়েছেন তিনি।
|
দল নির্বাচন, মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন
দল নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাভেদ মিয়াঁদাদ। তাঁর কথায়, যোগ্য ক্রিকেটারদের বাইরে রেখে নন-পারফর্মারদের টানা খেলিয়ে গেলে যা হয় সেটাই হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শেখার জায়গা নয়। প্রত্যেকবার দল ব্যর্থ হলে তা আড়াল করতে শেখার কথা বলা হয়, এটা দুর্ভাগ্যজনক। যেভাবে ব্যাটাররা উইকেট ছুড়ে দিয়ে এলেন তা লজ্জাজনক, পেশাদার ক্রিকেটারদের কাছ থেকে এমনটা অপ্রত্যাশিত। রশিদ লতিফ বলেন, জিম্বাবোয়ের কাছে পরাজয়ের পর পাকিস্তানের সেমিফাইনালে ওঠার আশা কমে গেল। তবে টুর্নামেন্ট এখন ওপেন। কোনও দলকেই কেউ হাল্কাভাবে নেওয়ার বিলাসিতা দেখাতে পারবে না। সলমন বাট দলের সমালোচনার পাশাপাশি নিশানা করেছেন বাবর আজমের অধিনায়কত্বকে। তিনি বলেন, এই দলের ক্রিকেটাররা অস্ট্রেলিয়ায় খেলার উপযুক্তই নন। বাবর আজম ও মহম্মদ রিজওয়ান রান না পেতেই দেওয়াল লিখন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। জাতীয় দলের হয়ে খেলার সময় এবং নেতৃত্ব দেওয়ার সময় শিখবেন এমন কাউকে অধিনায়ক রাখাই উচিত নয়। অন্য ক্রিকেটারদের নেতৃত্ব দিতে দক্ষ এমন কাউকেই অধিনায়ক করা উচিত।
|
অঘটন নয়
পাকিস্তানের হার হৃদয় বিদারক ও শকিং বলে অভিহিত করেছেন ওয়াসিম আক্রম, আহমেদ শেহজাদ, মহম্মদ হাফিজ, ওয়াহাব রিয়াজের মতো প্রাক্তনরা। তবে শাহিদ আফ্রিদি জিম্বাবোয়ের জয়কে অঘটন বলতে নারাজ। তাঁর কথায়, জিম্বাবোয়ে টপ ক্লাস ক্রিকেট খেলেছে প্রথম বল থেকে। ব্যাটিং পিচে কীভাবে অল্প রান নিয়েও জেতা যায় তা দেখিয়ে দিয়েছে। যোগ্য দল হিসেবে জিম্বাবোয়ে জিতেছে বলে মনে করছেন কামরান আকমলও।
উচ্ছ্বসিত পমি
সোশ্যাল মিডিয়ায় পাকিস্তানের হার নিয়ে ছড়িয়েছে নানা মিম। পাকিস্তান-জিম্বাবোয়ে ম্য়াচে কমেন্ট্রি করছিলেন পমি বাঙ্গওয়া। শেষ বলের সময় তিনি উঠে দাঁড়িয়েছিলেন। জিম্বাবোয়ের স্মরণীয় জয়ে তিনি এতটাই উচ্ছ্বসিত যে ধারাভাষ্য দেওয়ার সময় বলতে থাকেন আমার হৃদস্পন্দন থেমে যাচ্ছে। তাঁর ধারাভাষ্যের ওই দৃশ্যও ভাইরাল হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications