টি২০ বিশ্বকাপের আগে বাবর ও আফ্রিদির মধ্যে বিভাজন? বিতর্কে জল ঢালতে নামল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড
T20 World Cup 2024: টি২০ বিশ্বকাপের আগে জোর বিতর্ক পাকিস্তানে। চূড়ান্ত দল ঘোষণার সময়সীমা পার হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে দল ঘোষণা করা হয়েছে।
বাবর আজমকেই অধিনায়ক করা হয়েছে। যদিও সহ অধিনায়ক হিসেবে কারও নাম ঘোষণা হয়নি। এরপরই শুরু হয় বিতর্ক।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম দাবি করতে থাকে, নির্বাচকরা শাহিন শাহ আফ্রিদিকে টি২০ বিশ্বকাপে সহ অধিনায়ক হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি রাজি হননি। উল্লেখ্য, জানুয়ারিতে নিউজিল্যান্ড সিরিজের পর তাঁর অধিনায়কত্ব কেড়ে নেওয়া ভালোভাবে নেননি শাহিন।
সে কারণেই তিনি পাকিস্তানের নির্বাচকদের প্রস্তাব ফিরিয়েছেন কিনা তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়। গতকাল দল ঘোষণাও পিসিবি চেয়ারম্যানের নির্দেশে কয়েক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। নির্বাচকরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা না করে দল ঘোষণা করতে পারবেন না, সাফ জানিয়ে দেন পিসিবি চেয়ারম্যান।
এরপর শাহিনের সহ অধিনায়কত্ব প্রত্যাখ্যানের কথা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ফলাও করে বেরোতেই আসরে নামে পিসিবি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের তরফে জানানো হয়, শাহিনকে কোনও প্রস্তাবই দেওয়া হয়নি।
পাকিস্তানের এক নির্বাচক ঘনিষ্ঠ সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানান, শাহিনকে নিয়ে খবরে নির্বাচকরা স্তম্ভিত। ৭ জনের মধ্যে ৬ জনই বিশ্বকাপের দলে কোনও সহ অধিনায়ক না রাখার পক্ষে ছিলেন। পিসিবি চেয়ারম্যানের নির্দেশে ঘণ্টা দুয়েক ধরে চলা নির্বাচকদের ভার্চুয়াল বৈঠক রেকর্ডও করা আছে। তাতেই সব কিছু স্পষ্ট হয়ে যাবে।
যদিও জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের এক নির্বাচক কথা বলেছিলেন শাহিনের সঙ্গে। জানতে চেয়েছিলেন তিনি পাকিস্তান দলের সহ অধিনায়ক হতে চান কিনা। যদিও তখনই শাহিন জানিয়ে দেন, তিনি সহ অধিনায়ক হতে চান না। ততদিনে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল বাবরই ফের অধিনায়কের সিংহাসনে বসতে চলেছেন। একটি সিরিজের পরই তাঁকে ক্যাপ্টেন্সি থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি মানতে পারেননি শাহিন।
উল্লেখ্য, গত বিশ্বকাপ চলার সময়ও পাকিস্তান দলে বিভাজনের কথা সামনে এসেছিল। বাবরের সঙ্গে শাহিন শাহ আফ্রিদির দূরত্ব বাড়ার বিষয়টিও নতুন নয়। তিনি বাবরের দল পরিচালনা নিয়ে ঘনিষ্ঠ মহলে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন বলেও শোনা গিয়েছিল। পাকিস্তান দলের ক্রিকেটাররা অন্তত দুটি গোষ্ঠীতে বিভাজিত বলেও জানা যায়।
এবার শাহিনকে নিয়ে সহ অধিনায়কত্ব বিতর্ক শুরু হলো টি২০ বিশ্বকাপের ঠিক আগেই। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও নির্বাচকদের কালিমালিপ্ত করতেই এই বিতর্কে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যদিও এত পরে দল ঘোষণার পরেও কেন সহ অধিনায়ক হিসেবে কাউকে বাছা হলো না, সেই প্রশ্নের উত্তর মেলেনি।












Click it and Unblock the Notifications