T20 World Cup 2024: টি২০ বিশ্বকাপে এক যুগ পর সুপার ওভার, নামিবিয়া-ওমান ম্যাচ সাক্ষী দুই দমদার রেকর্ডের
T20 World Cup 2024: টি২০ বিশ্বকাপ এক যুগ পর সাক্ষী থাকল সুপার ওভারের। ব্রিজটাউনে শেষ পর্যন্ত শেষ হাসি হাসল নামিবিয়াই। যদিও ম্যাচটি সুপার ওভারে নিয়ে যাওয়ার কৃতিত্ব মেহরান খানের।
ওমানের মেহরান টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে ঈর্ষণীয় রেকর্ড ডেল স্টেইনের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিলেন। অনেক পিছনে টিম সাউদি, মহম্মদ নবি, হার্দিক পাণ্ডিয়ারা।

২০০৭ সালে প্রথম টি২০ বিশ্বকাপেই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ টাই হয়েছিল। মহেন্দ্র সিং ধোনির ভারত জিতেছিল বোল আউটে। এরপর আসে সুপার ওভারের নিয়ম। ২০১২ সালের টি২০ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা বনাম নিউজিল্যান্ড ম্যাচ টাই হয়, শেষ অবধি সুপার ওভারে জিতেছিল শ্রীলঙ্কা।
২০১২ সালের টি২০ বিশ্বকাপেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ টাই হয়েছিল। সেই ম্যাচটি জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই নিয়ে চতুর্থবার কোনও ম্যাচ টাই হলো। সুপার ওভারে বিজয়ী নির্ধারিত হলো তৃতীয়বার। ওমান ১৯.৪ ওভারে তুলেছিল ১০৯, নামিবিয়া থামে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১০৯ রানে।
নামিবিয়া টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিল। ওমানের ইনিংসও নাম তুলে নিল রেকর্ড-বইয়ে। পুরুষদের টি২০ আন্তর্জাতিকে এই প্রথম কোনও দলের ছয় ব্যাটার লেগ বিফোর হলেন। কাশ্যপ প্রজাপতি, অধিনায়ক আকিব ইলিয়াস ও কলিমউল্লাহ লেগ বিফোর হন রুবেন ট্রাম্পেলম্যানের বলে।
জিশান মাকসুদ এলবিডব্লিউ হন বার্নার্ড শ্কোলজের বলে। মহম্মদ নাদিম লেগ বিফোর জেরার্ড এরাসমাসের বলে, মেহরান খানকে একইভাবে ফেরান ডেভিড উইসে। ট্রাম্পেলম্যান ৪ ওভারে ২১ রানে চারটি এবং উইসে ৩.৪ ওভারে ২৮ রান খরচ করে তিন উইকেট নেন। এরাসমাস ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন।
নামিবিয়ার টার্গেট ছিল ১১০ রানের। শেষ ওভারে জিততে দরকার ছিল ৫। সেই ম্যাচ টাই রাখতে সক্ষম হয় ওমান। জ্যাক ফ্রিলিঙ্ক ৪৭ বলে ৪৫ ও ডেভিড উইসে ৬ বলে ৭ রানে ক্রিজে ছিলেন। নামিবিয়ার স্কোর তখন ৪ উইকেটে ১০৫। শেষ ওভারে দুটি উইকেট তুলে নেন মেহরান খান।
প্রথম বলেই তিনি তুলে নেন ফ্রিলিঙ্কের উইকেট। তৃতীয় বলে নেন জেন গ্রিনের উইকেট। শেষ ওভারে এত কম রানের পুঁজি নিয়ে প্রতিপক্ষের জয় থামিয়ে দেওয়ার নজির আগে নেই। ২০১৪ সালের টি২০ বিশ্বকাপে শেষ ওভারে নিউজিল্যান্ডের দরকার ছিল ৭, ডেল স্টেইনের দাপটে কিউয়িরা জিততে পারেনি।
এদিন স্টেইনের সেই কীর্তি ছাপিয়ে গেলেন মেহরান। ২০১২ সালে টিম সাউদির জন্য শ্রীলঙ্কা শেষ ওভারে ৮ রান তুলে জিততে পারেনি। ২০১৬ সালে আফগানিস্তানের মহম্মদ নবির দুরন্ত বোলিং শেষ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১০ রান তুলতে দেয়নি। ২০১৬ সালে বাংলাদেশের দরকার ছিল ১১, হার্দিক পাণ্ডিয়ার সৌজন্যে সেই ম্যাচে জিততে পারেনি টাইগাররা।
মেহরান খানের জন্যই এদিন ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। কিন্তু সুপার ওভারে তাঁকে কেন ওমান অধিনায়ক বল করালেন না, সেই নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেল। বিলাল খান বোলিং করেন। উইসে ও এরাসমাস তোলেন ২১। শেষে ম্যাচ হেরে যান ওমান।












Click it and Unblock the Notifications