SC On Byju's: বাইজু'সের কীর্তিকলাপে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট, সমস্যা বাড়তে পারে বিসিসিআইয়েরও
SC On Byju's: সুপ্রিম কোর্টে অস্বস্তি বাড়ল বাইজু'সের। এই এডটেক সংস্থাকে দেউলিয়া ঘোষণার প্রক্রিয়া নিয়েই প্রশ্ন তুলল শীর্ষ আদালত। যাতে জড়িয়ে গেল বিসিসিআইয়ের নাম।
সুপ্রিম কোর্ট অসন্তুষ্ট ইনসলভেন্সি অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল এনসিএলএটির ভূমিকাতেও। এই সংস্থার বিরুদ্ধে দেউলিয়া ঘোষণার প্রক্রিয়া শেষের সিদ্ধান্ত নিতে এই ট্রাইব্যুনাল মাথাই খাটায়নি, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের।

গ্লাস ট্রাস্ট এলএলসি নামে এক সংস্থা বাইজু'সের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে। যার শুনানিও চলছে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রর বেঞ্চে। ন্যাশনাল কোম্পানি ল অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল বা এনসিএলএটির সিদ্ধান্তে গত ২ অগাস্ট স্বস্তি পেয়েছিল বাইজু'স।
এই ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে বাইজু'স বিসিসিআইকে ১৫৮.৯ কোটি টাকা দিয়ে বকেয়া সংক্রান্ত জটিলতা মিটিয়ে ফেলে। যদিও এই ডিউ সেটলমেন্ট নিয়েই প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। মার্কিন সংস্থা গ্লাস ট্রাস্ট কোম্পানির এলএলএসির মামলার প্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালত বুঝিয়ে দিল গোটা প্রক্রিয়াটি নিয়মমাফিক হয়নি। সে কারণে ওই ১৫৮.৯ কোটি টাকা বিসিসিআইকে আলাদা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রাখতে বলা হয়েছে।
প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, যে সংস্থার ১৫ হাজার কোটি টাকা দেনা রয়েছে, তারা কীভাবে শুধু বিসিসিআইয়ের সঙ্গেই বকেয়া সংক্রান্ত সমস্যা মীমাংসা বা সেটলমেন্টের পথে হাঁটল? ফলে এই মামলাটি ফের অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর ইঙ্গিতও দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।
বেঞ্চের বক্তব্য, ব্যক্তিগত সম্পদ থেকে শুধু কেন বিসিসিআইয়ের বকেয়াই মেটানোর উদ্যোগ নেওয়া হলো? এনসিএলএটি কীভাবে মাথা না খাটিয়ে এই সব কিছু মেনে নিল সেই প্রশ্নও তুলেছে আদালত। মামলাকারী মার্কিন সংস্থার আইনজীবী শ্যাম দিভান বলেন, বিসিসিআইয়ের সঙ্গে বাইজু'সের সেটলমেন্ট অবৈধ। এনসিএলএটির উচিত হয়নি ইনসলভেন্সি প্রসিডিংস বন্ধ করে দেওয়া।
বাইজু'সের আইনজীবী অভিষেক সিংভি ও এনকে কৌল বলেন, বাইজু রবীন্দ্রনের ভাই রিজু রবীন্দ্রন নিজের ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে বিসিসিআইকে অর্থ দিয়েছেন। তাতে এনসিএলএটির ভূমিকাও সঠিক। বিসিসিআইয়ের হয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাও বলেন, বোর্ড এক ব্যক্তির ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে ওই অর্থ পেয়েছে।
মার্কিন সংস্থাটির দাবি, ইন্টেরিম রেসলিউশন প্রফেশনাল, যিনি বাইজু'সের বিরুদ্ধে দেউলিয়া ঘোষণা সংক্রান্ত বিষয়টি দেখছিলেন, তিনি আচমকাই এই মার্কিন সংস্থাকে কমিটি অব ক্রেডিটরস থেকে বাদ দেন। বিতর্কিত সংস্থায় তাদের ৯৯.৪১ শতাংশ মালিকানা থাকা সত্ত্বেও আইআরপি তা কমিয়ে শূন্য করে দেয়। এখন তা দেখানো হচ্ছে ০.৫৯ শতাংশ। এরপরই শীর্ষে আদালতে গিয়েছে মার্কিন সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, বাইজু'স ভারতীয় দলের টিম স্পনসর হয়েছিল। ২০১৯ সালে সেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ভারতীয় ক্রিকেট দলের জার্সিতে সংস্থার নাম রাখার শর্তে বোর্ডকে স্পনরশিপ ফি দিচ্ছিল এডটেক সংস্থাটি। ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই স্পনসর ফি দেওয়া বন্ধ করে দেয় তারা। তাতেই বোর্ড বকেয়া ১৫৮.৯ কোটি টাকা না পেয়ে আইনগত পথে হেঁটেছিল। সেই সংক্রান্ত মীমাংসা হয়ে গেলেও শীর্ষ আদালতের মনোভাবে ফের সমস্যায় পড়তে পারে বিসিসিআই।












Click it and Unblock the Notifications