অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে কোন চমক দেখালে বাজিমাত করতে পারে নিউজিল্যান্ড? পরামর্শ গাভাসকরের
টি ২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে আজ আর কয়েক ঘণ্টা পরেই দুবাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে নিউজিল্যান্ড। ২০১০ সালের পর ফের টি ২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া। ২০১৫ সালের ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নদের ২০১৬ সালের টি ২০ বিশ্বকাপে একমাত্র সাক্ষাতে হারিয়েছিল কিউয়িরা। তবে নক আউটে অপরাজেয়ই থেকেছে অজিরা। টি ২০ ফরম্যাটে ১৫-৩০ মিনিটে বদলে যায় ম্যাচের রং। আজ ফাইনালে তেমনই এক সিদ্ধান্ত নিলে বাজিমাত করতে পারে নিউজিল্যান্ড।
Ahead of tonight's @T20WorldCup Final in Dubai, skipper Kane Williamson reflects on the team's experience so far at the tournament. #T20WorldCup pic.twitter.com/MmKpZ8dkcS
— BLACKCAPS (@BLACKCAPS) November 13, 2021
কিউয়িরা আইসিসি ইভেন্টে টানা তিনটি ফাইনাল খেলছে। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে বাউন্ডারির সংখ্যার নিরিখে হার মানতে বাধ্য হয়েছিলেন কেন উইলিয়ামসনরা। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে দাপট দেখিয়ে হারিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু ঊনিশের বিশ্বকাপ জয়ের ক্ষত কিছুটা নিউজিল্যান্ড পুষিয়ে নিয়েছে কেন উইলিয়ামসনের দল ভারতকে চলতি বছরেই আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে হারিয়ে।

Not long now! #T20WorldCup pic.twitter.com/bIyrdDd21w
— BLACKCAPS (@BLACKCAPS) November 13, 2021
বিশ্বের ১ নম্বর দল ইংল্যান্ডকে নিউজিল্যান্ড সেমিফাইনালে হারিয়েছিল। গ্রুপ ১ থেকে ইংল্যান্ড গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই শেষ চারে পৌঁছেছিল। ওই ম্যাচে দলকে জেতানোর নায়ক নিঃসন্দেহে ড্যারিল মিচেল, চলতি বিশ্বকাপেই যিনি ওপেন করছেন কিউয়িদের হয়ে। ওপেন করতে নেমে ফিনিশার হিসেবে নিজের দক্ষতার মিশেল ঘটিয়েই খেলেছেন স্মরণীয় ইনিংস। তবে প্রাথমিক ধাক্কা সামলাতে যিনি অন্যতম বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন সেই ডেভন কনওয়ে ছিটকে গিয়েছেন বিশ্বকাপ ফাইনাল থেকে। এমনকী ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের দলে কনওয়ের পরিবর্ত হিসেবে নেওয়া হয়েছে মিচেলকে। কনওয়ে আউট হওয়ার পর ক্রিস জর্ডনের বিরুদ্ধে আগ্রাসী ব্যাটিং করে ম্যাচ কিউয়িদের দিকে ঝোঁকান জিমি নিশাম। নিশাম ও মিচেলকে নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপের আগে ফিনিশার হিসেবেই পেতে যাবতীয় পরিকল্পনা করেছিল।

এই পরিস্থিতিতে সুনীল গাভাসকর জিমি নিশামকে ব্যাটিং অর্ডারে তুলে আনার পরামর্শ দিয়েছেন। গাভাসকরের কথায়, ৪০ বছর আগে আন্ডা-আর্ম ডেলিভারির ঘটনা থেকেই অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্রতর হয়েছে। ডেভন কনওয়ের না থাকা নিশ্চিতভাবেই ম্যাচে প্রভাব ফেলবে। তিনি একজন কোয়ালিটি প্লেয়ার। টেস্ট অভিষেকে দ্বিশতরান করেছিলেন। গত এক বছর ধরে তিনি দারুণ ফর্মে। উইকেটকিপার, বাঁহাতি ব্যাটার, ১ হাজারের উপর রান করে ফেলেছেন। ড্যারিল মিচেল ও কনওয়ের জুটিতেই ইংল্যান্ডের হাত থেকে ম্যাচ ফস্কাতে শুরু করেছিল। ফলে তাঁর না থাকা বিরাট ক্ষতি। একজন ফর্মে থাকা প্লেয়ার, তার উপর বাঁহাতি-ডানহাতি কম্বিনেশনটাও গুরুত্বপূর্ণ হতো তিনি থাকলে। ১৩ ও ১৪ ওভার নাগাদ নিউজিল্যান্ডের খুব বেশি রান উঠছে। সেটা মাথায় রেখে জিমি নিশামকে উপরের দিকে তুলে আনা যেতে পারে। নিশাম কীভাবে ম্যাচ ঘোরাতে পারেন তা তো সেমিফাইনালেই দেখা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications