Sunil Gavaskar's Birthday: জীবনের বাইশ গজে সানি ৭৫, জন্মদিনে ফিরে দেখা লিটল মাস্টারের অনন্য কীর্তিগুলি
মাহি পার্বণ, দাদা দিবসের পর এবার সানি ডে। জুলাই মাস মানেই ভারতীয় ক্রিকেটে কিংবদন্তিদের জন্মদিন। ৭ জুলাই ধোনি, ৮ জুলাই সৌরভ, ১০ জুলাই সুনীল গাভাসকরের জন্মদিনে। বুধবার ৭৫তম জন্মদিন সানির। লর্ডসে ১৯৮৩ সালে ভারতের রূপকথার বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম সেনানী সুনীল গাভাসকর। ভারতীয় ক্রিকেটের প্রথম সুপারস্টারের আজ ৭৫তম জন্মদিন!
ব্যাট তুলে রেখেছেন অনেক বছর আগে, নামের পাশে জ্বলজ্বল করে রেকর্ড, সেই রেকর্ডও ভাঙলেন আরেক মারাঠি লিটল মাষ্টার সচিন তেন্ডুলকর। তবে তার জন্য আক্ষেপ নেই, বরং খুশী তিনি। কিন্তু কারও তুলনা টানার আগে মনে রাখতে হবে ১৪৫ কিমি গতির আগুনের গোলা সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো প্রথম শিখিয়েছিলেন কিন্তু এই গাভাসকর। তাঁর ৭৫তম জন্মদিনে ফিরে দেখা রেকর্ড গুলি।

তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সর্বাধিক রান (২৭৪৯) এবং সেঞ্চুরি (১৩) করার রেকর্ডটি ধরে রেখেছেন, সবচেয়ে কঠিন বোলিং আক্রমণগুলির একটির বিরুদ্ধে তার দক্ষতা প্রদর্শন করে। গাভাসকরই একমাত্র ক্রিকেটার যিনি দুটি ভিন্ন ভেন্যুতে টানা চারটি সেঞ্চুরি করেছেন পোর্ট অফ স্পেন এবং ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম, যা তার ধারাবাহিকতা এবং দক্ষতার প্রমাণ।
তিনি টেস্ট ক্রিকেটে ৫৮ সেঞ্চুরি পার্টনারশিপ সহ একমাত্র ক্রিকেটার, ১৮ জন ভিন্ন খেলোয়াড়ের সাথে অর্জন করেছেন, বিভিন্ন সতীর্থদের সাথে উল্লেখযোগ্য ইনিংস গড়ে তোলার ক্ষমতা তুলে ধরেছেন। গাভাসকর যৌথভাবে তিনবার টেস্ট ম্যাচের উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং এবং ডেভিড ওয়ার্নারের সঙ্গে গাভাসকরও এই বিরল কীর্তির অধিকারী।
টেস্ট ক্রিকেটে ১০০ টিরও বেশি ক্যাচ নেওয়া প্রথম ভারতীয় ফিল্ডার (উইকেট-রক্ষক ব্যতীত) ছিলেন গাভাসকর। ১৯৮৩ সালে ফয়সালাবাদ টেস্টে অপরাজিত ১২৭ রান করে টেস্ট ইনিংসের মাধ্যমে তিনি প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার ছিলেন, এটি একটি বিরল এবং প্রশংসনীয় অর্জন।
গাভাস্কার প্রায় দুই দশক ধরে সর্বাধিক টেস্ট সেঞ্চুরির (৩৪) রেকর্ডটি ধরে রেখেছিলেন। ২০০৫ সালেই এই রেকর্ড ভাঙেন সচিন তেন্ডুলকর। এই তথ্যই ভারতীয় ক্রিকেটে তাঁর দীর্ঘস্থায়ী আধিপত্যকে বোঝায়। পোর্ট অফ স্পেন এবং ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম-এ দুটি ভিন্ন ভেন্যুতে গাভাসকরের ডাবল সেঞ্চুরি আছে।
ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ওপেনিং ব্যাটসম্যান হিসেবে তাঁর কৃতিত্ব শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে মাপা যাবেন না। যতবার ওপেন করতে নেমেছেন পিছনে তাকিয়ে দেখতে হয়েছে এক সাদামাটা ব্যাটিং লাইন আপ, ফলে বেশি সময় ক্রীজে আঁকড়ে থাকতে হয়েছে। সমালোচনা সইতে হয়েছে স্লথ ইনিংসের জন্য। কিন্তু খালি মাথায় রবার্টস, হোল্ডিং, গার্নার, মার্শাল, লিলি, হ্যাডলিদের আগুনের গোলা বাউন্সি পিচে বুক চিতিয়ে সামলে গেছেন দলের প্রয়োজনে। হ্যাপি বার্থ ডে লিটল মাস্টার।












Click it and Unblock the Notifications