Sunil Gavaskar Birthday: চেয়েছিলেন কুস্তিগীর হতে, করেছেন অভিনয়ও, জানুন লিটল মাস্টারের জীবনের অজানা কাহিনি
Sunil Gavaskar Birthday: সোমবার ৭৪তম জন্মদিন সুনীল গাভাসকরের। ১৯৪৯ সালে মুম্বইয়ের পুরন্দরিয়া হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন সানি। তাঁর ব্যাট ভারতীয় ক্রিকেটকে এক নতুন দিশা দিয়েছিল। তাঁর ব্যাটেই ক্রিকেট বিশ্বের কৌলিন্য আদায় করে নিয়েছিল ভারত। বিশ্বের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসাবে টেস্টে ১০ হাজার রানের কীর্তি গড়েন এই মুম্বইকর।
শুধু কি ক্রিকেট মাঠে। বাইশ গজের বাইরেও বিভিন্ন ভূমিকায় দেখা গিয়েছে লিটল মাস্টারকে। কিন্তু খেলার মাঠে অজস্র রেকর্ডের কাণ্ডারি গাভাসকরের জীবনেও আছে কিছু অজানা কাহিনি। তারই নির্বাচিত কয়েকটি তুলে ধরা হল এই প্রতিবেদনে।

ক্রিকেট ছাড়াও কুস্তি অত্যন্ত প্রিয় গাভাসকরের। ছোটবেলায় নিয়মিত কুস্তির আখড়ায় যেতেন সানি। কুস্তিগীর হতেই চাইতেন সুনীল গাভাসকর। কিন্তু কুস্তির আখড়া নয়, ঈশ্বর তাঁর জীবনের চিত্রনাট্যটা একটু অন্যরকমভাবেই লিখেছিলেন। লিটল মাস্টারের হাতে উঠেছিল ব্যাট। আর বাকিটা তো ইতিহাস।
ভারতের সর্বকালের সফলতম ব্যাটসম্যান গাভাসকর কিন্তু একজন অভিনেতাও। শুনতে অবাক লাগছে, কিন্তু গল্প হলেও সত্যি। মারাঠি ছবি সাভলি প্রেমাচিতে প্রথম অভিনয় করেন লিটল মাস্টার। ১৯৮৮ সালে নাসিরউদ্দিন শাহের মালামাল ছবিতে ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক।

মাঠে তাঁর নয়নাভিরাম ব্যাটিং মুগ্ধ করত ক্রিকেট প্রেমীদের। ইংল্যান্ড হোক বা ওয়েস্ট ইন্ডিজ সানির ব্যাট যেন কথা কথা বলত। বিদেশের মাঠে প্রতিপক্ষের দুরন্ত বোলিং অ্যাটাকের সামনে ব্যাট হাতে এক নতুন রূপকথা লেখেন সানি। কিন্তু ব্যাটিং করার সময় তাঁর একাগ্রতা কতটা থাকত? তাঁর একটি অজানা কাহিনি রয়েছে।
একবার ওল্ড ট্রাফোর্ডে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যাট করছিলেন গাভাসকর। কিন্তু চুল নিয়ে সমস্যায় পড়েন। তাঁর চুল চোখের সামনে চলে আসছিল। কিছুতেই ব্যাটিংয়ে ফোকাস করতে পারছিলেন না। তখন আম্পায়ারের কাছে বলেন তাঁর চুল কেটে দিতে। ফিল্ড আম্পায়ার গাভাসকরের কথা শোনেন।

টেস্ট ক্রিকেটে ১০ হাজার রান করেছেন। একাধিক রেকর্ড গড়েছেন। কিন্তু জানেন কী টেস্টের প্রথম রান সানির ব্যাট থেকে আসেনি। অভিষেক টেস্টে হোল্ডারের বিরুদ্ধে প্রথম ব্যাট হাতে ক্রিজে নামেন গাভাসকর। কিন্তু বলকে ব্যাটে সংযোগ ঘটাতে পারেননি। প্যাডে লেগে বল ফাইন লেগ অঞ্চলে চলে যায়। দুই রান নেন গাভাসকর। কিন্তু সেটা লেগ বাই হিসাবেই গন্য হয়।
ছোট্ট বেলায় মায়ের কাছ থেকে হারিয়ে যাওয়ার সেই গল্পতো ইতিমধ্যেই মিথ হয়ে গিয়েছে। আসলে বরাবরই তিনি বর্ণময়। মাঠ এবং মাঠের বাইরে সমান রঙিন।












Click it and Unblock the Notifications